ঢাকাসোমবার , ১৫ জুন ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খাগড়াছড়িতে আন্দোলন নিয়ে সন্তু লারমার বিতর্কিত উক্তি বিষয়ে আলোচনা সভা

স্টাফ রিপোর্টার
জুন ১৫, ২০২৬ ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

১৪৭

খাগড়াছড়িতে সন্তু লারমার ‘জঙ্গী আন্দোলন করে স্বায়ত্তশাসন আদায় হয় না’-প্রতিক্রিয়াশীল উক্তির মাধ্যমে দালালির পথ প্রশস্তকরণ, শাসকগোষ্ঠীর পক্ষাবলম্বন এবং অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি সম্পর্কে আলোচনা সভা করেছে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন (এইচডব্লিউএফ), খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।

আজ সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) বিকাল ৩টার সময় খাগড়াছড়ি সদর এলাকায় এই আলোচনা সভা করা হয়।

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি তৃষ্ণাঙ্কর চাকমার সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুনীলময় চাকমার সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ( ইউপিডিএফ)-এর সংগঠক লালন চাকমা। এতে সদর এলাকার মুরুব্বি ও যুব সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, ১৯৯৫ সালের ১৫ জুন পানছড়ির সীমান্তবর্তী গ্রাম ধুধুকছড়ায় অপেক্ষমান ছাত্র-জনতার উদ্দেশ্যে সরকার ও জেএসএসের মধ্যেকার চলমান বৈঠক ও পার্বত্য চট্টগ্রামের ভবিতব্য সম্পর্কে ধারণা দেয়ার সময় সন্তু লারমা ‘জঙ্গী আন্দোলন করে স্বায়ত্তশাসন আদায় হয় না, গুলতি মেরে স্বায়ত্তশাসন আদায় হয় না’ বলে প্রতিক্রিয়াশীল বক্তব্য দেন। তার এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তৎকালীন পানছড়ি উপজেলার পাহাড়ি গণপরিষদের সভাপতি প্রদীপলাল চাকমা ‘তাহলে কীভাবে আন্দোলন করা দরকার’ প্রশ্ন করলে তার ঊত্তর সন্তু লারমা দিতে পারেননি। বরং ১৯৯৮ সালে ৪ এপ্রিল প্রদীপলাল ও কুসুমপ্রিয় চাকমাকে হত্যার মধ্য দিয়ে তিনি ঐ ঘটনার প্রতিশোধ নেন।

বস্তুত উক্ত বিকর্তিক উক্তির মধ্য দিয়ে আন্দোলনের বুকে ছুরিকাঘাত করে সন্তু লারমা সরকার-শাসকগোষ্ঠির পক্ষাবলম্বন করে দালাল-প্রতিক্রিয়াশীলতার পথকে প্রশস্ত করেছিলেন। যার ফলস্বরূপ পার্বত্য চুক্তির পর তিনি দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারে বসে অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বাধা হয়ে রয়েছেন বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

বক্তরা আরো বলেন, ভ্রাতৃঘাত সংঘাতের মূল হোতা সন্তু লারমা। ১৯৮৩ সালে ১৪ই জুন শান্তিবাহিনীর অস্ত্র গুরু বলি ওস্তাদকে হত্যার মধ্য দিয়েই এ সংঘাতের সূচনা করেন। যা তিনি এখনো চালিয়ে যাচ্ছেন। ইউপিডিএফ-এর উপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে নিরস্ত্র কর্মীদের হত্যা করে যাচ্ছেন। যা তার ফ্যাসিস্ট চরিত্রের পরিচয়।

বক্তারা সন্তু লারমার ফ্যসিস্ট মুখোশ উন্মোচন করে সংঘাতের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে পূর্ণস্বায়ত্বশাসন আদায়ের লক্ষ্যে একাত্ম হওয়ার আহ্বান জানান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।