কমলছড়িতে ভূমি বেদখলের হামলা ও বিমল ত্রিপুরা হত্যার ঘটনায় চার সংগঠনের নিন্দা

‎খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার কমলছড়ি ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়া এলাকায় ভূমি বেদখলের উদ্দেশ্যে পাহাড়িদের ওপর সেটলারদের হামলা এবং বিমল ত্রিপুরা হত্যার ঘটনায় পার্বত্য চট্টগ্রামে সক্রিয় চারটি গণতান্ত্রিক সংগঠন তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

‎আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘ, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন এই নিন্দা জানায়। বিবৃতিতে সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ ড. ইউনুসকে ‘সেটলারবান্ধব’ আখ্যা দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন।

‎নেতৃবৃন্দ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের ওপর হামলা, হত্যাকাণ্ড, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা বেড়েছে। এ ক্ষেত্রে পার্বত্য মন্ত্রণালয় ও আঞ্চলিক পরিষদের নিষ্ক্রিয়তা হতাশাজনক।

‎বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ১৪ জানুয়ারি কমলছড়িতে আমবাগান পরিষ্কারের সময় সেটলারদের হামলায় থৈহ্লাঅং মারমা, বিমল ত্রিপুরা ও মিলন চাকমা গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিমল ত্রিপুরার মৃত্যু হয়।

‎সংগঠনগুলো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং হামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলে, সংসদ নির্বাচনকে অজুহাত করে পাহাড়িদের জমি বেদখলের যে কোনো অপচেষ্টা তারা প্রতিহত করবে।