খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার চেঙ্গী ইউনিয়নের ‍যুবনাশ্ব পাড়া ও রাজকুমার পাড়া এলাকায় সেনাবাহিনী ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি করার পর জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা যুবনাশ্ব পাড়া এলাকায় প্রবেশ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সেনাবাহিনী ও সন্তু গ্রুপের এমন যৌথ তৎপরতার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (১০ সেপ্টেম্বর) সেনাবাহিনীর দুটি টিম চেঙ্গী ইউনিয়নের যুবনাশ্ব পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রাজকুমার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবস্থান করে। অপরদিকে, তার আশে-পাশের এলাকায় অবস্থান করে সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা।

আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার সময় সেনাসদস্যরা ড্রোনের মাধ্যমে যুবনাশ্বপাড়া ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি চালায়।

স্থানীয়দের ধারণা, এলাকায় সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের প্রবেশের পথ সুগম করে দেওয়া ও ইউপিডিএফের কোনো সদস্য বা তৎপরতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করতেই সেনারা এ নজরদারি চালিয়েছে।

বিছুক্ষণ নজরদারি চালানোর পর সেনাবাহিনীর দুটি টিম একত্রিত হয়ে সেখান থেকে চলে যাওয়ার পরপরই সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা যুবনাশ্বপাড়ায় প্রবেশ করে অবস্থান নিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের যুবনাশ্ব পাড়ায় প্রবেশ করার ঘটনায় স্থানীয়রা ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, যে সেনাবাহিনী পাহাড়িদের ওপর অন্যায়-অবিচার চালাচ্ছে, তাদের সহেযাগিতা নিয়ে জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা কী অর্জন করতে চায়?

এলাকাবাসী সন্তু গ্রুপের এমন ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।