জেএসএস সন্তুগ্রুপ পানছড়ি বর্ডারের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরে বর্তমানে ঐ রুটটি মাদক পাচারের অন্যতম নিরাপদ রুট হয়ে উঠেছে।
সন্তুগ্রুপ বর্তমানে সমাজপ্রিয় চাকমার মাধ্যমে একটি বিশেষ সিন্ডিকেট দিয়ে উক্ত বর্ডারটি নিয়ন্ত্রণ করছে। কেবল যারা সমাজপ্রিয়র অনুগত তারাই একমাত্র উক্ত সিন্ডিকেটে জায়গা পাচ্ছে, আর ঐ সিন্ডিকেটের চক্রটি সন্তুগ্রুপের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ইয়াবা, বিদেশি মদ, গরু, ফেন্সিডেল ও গাজা সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর মাদকদ্রব্য পাচার করে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে।
চোরাচালানের লাভের অংশ একভাগ সমাজপ্রিয় নিজের কাছে রেখে বাকি একভাগ সন্তুগ্রুপের কমাণ্ডার বুলবুল, বাচ্চু চাকমা ওরফে আদিত্য, দীপেন চাকমা ওরফে দিঘোলকে, আর একভাগ বিজিবিকে দেয় বলে জানা গেছে।
ইয়াবাগুলো বর্তমানে স্কুল কলেজের ছাত্রদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে অনেক স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ইয়াবা আসক্ত হয়ে অন্ধকার জীবনে প্রবেশ করছে। পানছড়ির পুরো সমাজ এখন অবক্ষয়ের দিকে যাচ্ছে।
এর বিরুদ্ধে যদি যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না যায়, তাহলে কেবল পানছড়ি নয়, পুরো খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে যুব সমাজ মরণ নেশা ইয়াবার ছোবলে শেষ হয়ে যাবে।