খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় জেএসএস (সন্তু) সশস্ত্র গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি। একই সঙ্গে শ্যামল কান্তি চাকমা তরু-গ্রুপের দুই কর্মীকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। নিখোঁজ দুইজন হলেন—শুভাশীষ চাকমা, শান্তিপুর, পানছড়ি এবং পলাশ চাকমা, শিবমন্দির, খাগড়াছড়ির বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তর ধুদুকছড়া এলাকা থেকে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় এবং এরপর থেকে তাদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত বছর ১৫ নভেম্বর ২০২৫ সালে শ্যামল কান্তি চাকমা তরু-গ্রুপের ৪০ থেকে ৫০ জন সশস্ত্র সদস্য এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সেনাবাহিনীর অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে জেএসএস (সন্তু) গ্রুপে যোগ দিয়েছেন। এসব অস্ত্র ফেরত দেওয়া নিয়ে সরকারের চাপের প্রেক্ষাপটে জেএসএস সন্তু ও তরু গ্রুপের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি। এই দিকে গত মাস খানিক আগে পানছড়িতে জেএসএস সন্তু লারমা ভিডিও কনফারেন্সের মধ্যেমে মিটিং করে বলেন যে, তরু গ্রুপের যারা ইয়াং রয়েছে তাদের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য কিন্তু জেএসএস সন্তু সামরিক গ্রুপের কমান্ডাররা দায়িত্ব দিতে নারাজ। এই হতাশার মধ্যে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব চরমভাবে চলছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই পানছড়ির ধুদুকছড়া জেএসএসের একটি ক্যাম্প থেকে পালানোর সময় পূজগাঙ মধুমঙ্গল পাড়ায় তিনজনকে গুলি করে হত্যা করেন জেএসএস সন্তু সশস্ত্র বাহিনীররা। একই ঘটনায় তখন আরও দুইজনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। নিহতদের পরিচয় হিসেবে স্থানীয় সূত্রে যাদের নাম জানা গেছে তারা হলেন— রিয়েল চাকমা, পিতা: রুপায়ন চাকমা, আলিচানপাড়া, পানছড়ি। পদ্ধ চাকমা (১৯), পিতা: ইন্দ্রকুমার চাকমা, সাজেক, বাঘাইছড়ি, রাঙামাটি। ধনা চাকমা, জুরাছড়ি উপজেলা, রাঙামাটি। এদিকে, সাম্প্রতিক এসব ঘটনার কারণে পানছড়ির বিভিন্ন এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
৩৪০
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় জেএসএস (সন্তু) সশস্ত্র গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি। একই সঙ্গে শ্যামল কান্তি চাকমা তরু-গ্রুপের দুই কর্মীকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিখোঁজ দুইজন হলেন—শুভাশীষ চাকমা, শান্তিপুর, পানছড়ি এবং পলাশ চাকমা, শিবমন্দির, খাগড়াছড়ির বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তর ধুদুকছড়া এলাকা থেকে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় এবং এরপর থেকে তাদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত বছর ১৫ নভেম্বর ২০২৫ সালে শ্যামল কান্তি চাকমা তরু-গ্রুপের ৪০ থেকে ৫০ জন সশস্ত্র সদস্য এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সেনাবাহিনীর অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে জেএসএস (সন্তু) গ্রুপে যোগ দিয়েছেন। এসব অস্ত্র ফেরত দেওয়া নিয়ে সরকারের চাপের প্রেক্ষাপটে জেএসএস সন্তু ও তরু গ্রুপের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি।
এই দিকে গত মাস খানিক আগে পানছড়িতে জেএসএস সন্তু লারমা ভিডিও কনফারেন্সের মধ্যেমে মিটিং করে বলেন যে, তরু গ্রুপের যারা ইয়াং রয়েছে তাদের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য কিন্তু জেএসএস সন্তু সামরিক গ্রুপের কমান্ডাররা দায়িত্ব দিতে নারাজ। এই হতাশার মধ্যে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব চরমভাবে চলছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই পানছড়ির ধুদুকছড়া জেএসএসের একটি ক্যাম্প থেকে পালানোর সময় পূজগাঙ মধুমঙ্গল পাড়ায় তিনজনকে গুলি করে হত্যা করেন জেএসএস সন্তু সশস্ত্র বাহিনীররা। একই ঘটনায় তখন আরও দুইজনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নিহতদের পরিচয় হিসেবে স্থানীয় সূত্রে যাদের নাম জানা গেছে তারা হলেন—
রিয়েল চাকমা, পিতা: রুপায়ন চাকমা, আলিচানপাড়া, পানছড়ি।
পদ্ধ চাকমা (১৯), পিতা: ইন্দ্রকুমার চাকমা, সাজেক, বাঘাইছড়ি, রাঙামাটি।
ধনা চাকমা, জুরাছড়ি উপজেলা, রাঙামাটি।
এদিকে, সাম্প্রতিক এসব ঘটনার কারণে পানছড়ির বিভিন্ন এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।