সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষিকার মৃত্যু, আহত ৩; ক্ষতিপূরণ ও সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি
সাজেক পর্যটন সড়কের মাচলং ১৪ কিলোমিটার এলাকায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষিকা মিসেস সুমন্তি চাকমা (৩৫) নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল প্রায় ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন্তি চাকমা সাজেকের দাব আদাম পাড়ার বাসিন্দা স্বপন চাকমার সহধর্মিণী এবং দাব আদাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্তান প্রসবের (ডেলিভারি) পূর্ব স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য তিনি সিএনজিযোগে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। পথে মাচলং ১৪ কিলোমিটার এলাকায় পৌঁছালে অতিরিক্ত গতিতে চলা বিজিবির একটি গাড়ি সিএনজিটিকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে দ্রুত খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। দুর্ঘটনায় আরও আহত হন করুনামুখী চাকমা, রিটন চাকমা এবং সিএনজি চালক হফেন ত্রিপুরা। আহতদের চিকিৎসা চলছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি। সংগঠনটির পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলো হলো— ১. নিহতের পরিবারের জন্য সর্বনিম্ন ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহতদের সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসার সব ব্যয় বহন এবং কেউ স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করলে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা। ২. সাজেক পর্যটন সড়কে পর্যটকবাহী যানবাহন, সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর যানবাহনসহ সকল ধরনের যানবাহনের বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ৩. সাজেক পর্যটন সড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় স্থানে স্পিড ব্রেকার নির্মাণ করা। সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি জানিয়েছে, তাদের উত্থাপিত দাবিসমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে তারা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
৭৪
সাজেক পর্যটন সড়কের মাচলং ১৪ কিলোমিটার এলাকায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষিকা মিসেস সুমন্তি চাকমা (৩৫) নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল প্রায় ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন্তি চাকমা সাজেকের দাব আদাম পাড়ার বাসিন্দা স্বপন চাকমার সহধর্মিণী এবং দাব আদাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্তান প্রসবের (ডেলিভারি) পূর্ব স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য তিনি সিএনজিযোগে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। পথে মাচলং ১৪ কিলোমিটার এলাকায় পৌঁছালে অতিরিক্ত গতিতে চলা বিজিবির একটি গাড়ি সিএনজিটিকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে দ্রুত খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
দুর্ঘটনায় আরও আহত হন করুনামুখী চাকমা, রিটন চাকমা এবং সিএনজি চালক হফেন ত্রিপুরা। আহতদের চিকিৎসা চলছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলো হলো—
১. নিহতের পরিবারের জন্য সর্বনিম্ন ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহতদের সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসার সব ব্যয় বহন এবং কেউ স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করলে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা।
২. সাজেক পর্যটন সড়কে পর্যটকবাহী যানবাহন, সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর যানবাহনসহ সকল ধরনের যানবাহনের বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৩. সাজেক পর্যটন সড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় স্থানে স্পিড ব্রেকার নির্মাণ করা।
সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি জানিয়েছে, তাদের উত্থাপিত দাবিসমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে তারা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।