দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়ার শর্তে মাটিরাঙ্গা বাজার থেকে অপহৃত মোটর সাইকেল চালক উমাইয়ণ ত্রিপুরাকে(২৩) ছেড়ে দিয়েছে সেনা মদদপুষ্ট ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীরা। অপহরণের পর সন্ত্রাসীরা তাকে অমানুষিকভাবে মারধর করেছে বলে ভুক্তভোগী জানিয়েছেন। গতকাল শনিবার (১৮ জুলাই ২০২৬) বেলা ১:০০টার সময় উমাইয়ণ ত্রিপুরা মোটর সাইকেলে যাত্রী ভাড়া নিয়ে মাটরাঙ্গা বাজরে গেলে কিশোর ত্রিপুরার নেতৃত্বে ৩/৪ জন ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসী তাকে অপহরণ করে পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ভুক্তভোগী উমাইয়ণ ত্রিপুরার বাড়ি মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়নের বিল পাড়া গ্রামে। তার পিতার নাম যুগেন্দ্র ত্রিপুরা। মুক্তি পাওয়ার পর উমাইয়ণ ত্রিপুরা জানান, ঠ্যাঙাড়েরা তাকে মাটিরাঙ্গা থানার নিচে হোন্ডা স্টেশন থেকে অপহরণ করে মাটিরাঙ্গা বাজারে তাদের অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর তাকে বেদম মারধর করা হয়। পরে সেখান থেকে মোটর সাইকেলে করে ব্যাঙমারা জঙ্গলের ভেতর নিয়ে গিয়ে দড়ি দিয়ে হাত-চোখ বেঁধে আবারো অমানুষিকভাবে মারধর করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা তার গলায় ছুরি ধরে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ফলে তিনি প্রাণে বাঁচার জন্য দেড় লাখ টাকা দিতে রাজী হতে বাধ্য হন। পরে বিকাল অনুমানিক সাড়ে ৫টার সময় সন্ত্রাসীরা দেড় লাখ টাকা দুই কিস্তিতে দেওয়ার শর্তে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার সামনে নিয়ে এসে তাকে ছেড়ে দেয় বলে ভুক্তভোগী জানান। উল্লেখ্য, উমাইয়ণ ত্রিপুরাকে অপহরণের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এলাকার জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। তাকে দ্রুত ছেড়ে না দিয়ে তারা চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করারও হুঁশিয়ারি প্রদান করে। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের নাকের ডগা থেকে প্রকাশ্যে দিন-দুপুরে একজন মানুষকে অপহরণ করা হলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করেছে। ফলে তারা ধারণা করছেন প্রশাসনের যোগসাজশে সন্ত্রাসীরা এই অপহরণের ঘ্টনা সংঘটিত করেছে।
অপহরণের পর সন্ত্রাসীরা তাকে অমানুষিকভাবে মারধর করেছে বলে ভুক্তভোগী জানিয়েছেন।
গতকাল শনিবার (১৮ জুলাই ২০২৬) বেলা ১:০০টার সময় উমাইয়ণ ত্রিপুরা মোটর সাইকেলে যাত্রী ভাড়া নিয়ে মাটরাঙ্গা বাজরে গেলে কিশোর ত্রিপুরার নেতৃত্বে ৩/৪ জন ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসী তাকে অপহরণ করে পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
ভুক্তভোগী উমাইয়ণ ত্রিপুরার বাড়ি মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়নের বিল পাড়া গ্রামে। তার পিতার নাম যুগেন্দ্র ত্রিপুরা।
মুক্তি পাওয়ার পর উমাইয়ণ ত্রিপুরা জানান, ঠ্যাঙাড়েরা তাকে মাটিরাঙ্গা থানার নিচে হোন্ডা স্টেশন থেকে অপহরণ করে মাটিরাঙ্গা বাজারে তাদের অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর তাকে বেদম মারধর করা হয়।
পরে সেখান থেকে মোটর সাইকেলে করে ব্যাঙমারা জঙ্গলের ভেতর নিয়ে গিয়ে দড়ি দিয়ে হাত-চোখ বেঁধে আবারো অমানুষিকভাবে মারধর করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা তার গলায় ছুরি ধরে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ফলে তিনি প্রাণে বাঁচার জন্য দেড় লাখ টাকা দিতে রাজী হতে বাধ্য হন।
পরে বিকাল অনুমানিক সাড়ে ৫টার সময় সন্ত্রাসীরা দেড় লাখ টাকা দুই কিস্তিতে দেওয়ার শর্তে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার সামনে নিয়ে এসে তাকে ছেড়ে দেয় বলে ভুক্তভোগী জানান।
উল্লেখ্য, উমাইয়ণ ত্রিপুরাকে অপহরণের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এলাকার জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। তাকে দ্রুত ছেড়ে না দিয়ে তারা চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করারও হুঁশিয়ারি প্রদান করে।
এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের নাকের ডগা থেকে প্রকাশ্যে দিন-দুপুরে একজন মানুষকে অপহরণ করা হলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করেছে। ফলে তারা ধারণা করছেন প্রশাসনের যোগসাজশে সন্ত্রাসীরা এই অপহরণের ঘ্টনা সংঘটিত করেছে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।