অর্থের অভাবে মিলছে না উন্নত চিকিৎসা, স্ট্রোকে প্যারালাইসিসে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন অংক্যচিং মারমা
বান্দরবানের রুমা উপজেলার বাসিন্দা অংক্যচিং মারমা (৬৩) স্ট্রোকজনিত কারণে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসহায় জীবন কাটাচ্ছেন। আর্থিক সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় দিন দিন তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও মানবিক সহায়তাকারীদের সহযোগিতা কামনা করেছে তাঁর পরিবার। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিজের ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই গত জুলাই মাসে একটি বৌদ্ধ বিহার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ স্ট্রোকে আক্রান্ত হন অংক্যচিং মারমা। পরে তিনি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। অর্থের অভাবে তাঁকে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নেওয়া সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় পাহাড়ি ভেষজ চিকিৎসার ওপর নির্ভর করেন। প্রায় এক মাস ধরে এভাবে চিকিৎসা চললেও তাঁর শারীরিক অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। পরিবারের সদস্যরা জানান, পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের অভাবে অংক্যচিং মারমার শরীরে এখন আর পর্যাপ্ত শক্তি নেই। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হচ্ছে। তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতেও সক্ষম নন। স্থানীয় চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা অথবা চট্টগ্রামের বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা জরুরি। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে পরিবারের পক্ষে সেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় অংক্যচিং মারমার পরিবারের পক্ষ থেকে দেশের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং মানবিক সহায়তাকারীদের কাছে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিবারের বিশ্বাস, সবার আন্তরিক সহযোগিতা পেলে তাঁর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং তিনি আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ পাবেন। যোগাযোগঃ 01568-041794 (উক্যনু মারমা, রোগীর ভাতিজা) আর্থিক সাহায্য পাঠানোর মাধ্যমঃ 01568-041794 (বিকাশ/নগদ)
২১
বান্দরবানের রুমা উপজেলার বাসিন্দা অংক্যচিং মারমা (৬৩) স্ট্রোকজনিত কারণে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসহায় জীবন কাটাচ্ছেন।
আর্থিক সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় দিন দিন তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও মানবিক সহায়তাকারীদের সহযোগিতা কামনা করেছে তাঁর পরিবার।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিজের ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই গত জুলাই মাসে একটি বৌদ্ধ বিহার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ স্ট্রোকে আক্রান্ত হন অংক্যচিং মারমা। পরে তিনি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন।
অর্থের অভাবে তাঁকে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নেওয়া সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় পাহাড়ি ভেষজ চিকিৎসার ওপর নির্ভর করেন। প্রায় এক মাস ধরে এভাবে চিকিৎসা চললেও তাঁর শারীরিক অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি হয়নি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের অভাবে অংক্যচিং মারমার শরীরে এখন আর পর্যাপ্ত শক্তি নেই। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হচ্ছে। তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতেও সক্ষম নন।
স্থানীয় চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা অথবা চট্টগ্রামের বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা জরুরি। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে পরিবারের পক্ষে সেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ অবস্থায় অংক্যচিং মারমার পরিবারের পক্ষ থেকে দেশের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং মানবিক সহায়তাকারীদের কাছে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিবারের বিশ্বাস, সবার আন্তরিক সহযোগিতা পেলে তাঁর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং তিনি আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ পাবেন।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।