ঢাকাবুধবার , ২২ জুলাই ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্নেহ কুমার চাকমা’র স্মরণে খাগড়াছড়িতে স্মরণসভা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন

স্টাফ রিপোর্টার
জুলাই ২২, ২০২৬ ৬:২২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

৮৩

খাগড়াছড়ি সদরের হবংপোজ্যে এলাকায় স্নেহ কুমার চাকমা’র ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও প্রদীপ প্রজ্বলন করেছে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, হিল উইমেন্স ফেডারেশন এবং এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) বিকালে আয়োজিত স্মরণসভা ও প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি তৃষ্ণাঙ্কর চাকমার সভাপতিত্বে ও তথ্য প্রচার সম্পাদক জেকিন চাকমা সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত স্নেহ কুমার চাকমার নিকটাত্মীয় শ্রুতিপূর্ণ চাকমা (অব: উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার), স্নেহ কুমার চাকমার চাচাতো ভাই আলোক বিকাশ চাকমা ও বিদ্যা পূর্ণ চাকমা (অব: সিনিয়র প্রিন্সিপাল এবং পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক মিঠুন চাকমা।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, স্নেহ কুমার চাকমা ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন ও ৪৭-এ দেশভাগের ক্রান্তিলগ্নে পার্বত্য চট্টগ্রামের অগ্রদূত পাহাড়িদের অবিসংবাদিত নেতা। তিনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন ও স্বদেশী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামকে অযৌক্তিকভাবে পাকিস্তানের সাথে অন্তর্ভুক্ত করাকে তিনি মেনে নিতে পারেননি। যার কারণে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের সাথে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন, যদিও তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন।

স্নেহ কুমার চাকমা’র সংগ্রামী জীবনের স্মৃতিচারণ করে বক্তারা বলেন, ১৯১৪ সালে খাগড়াছড়ি হবংপোজ্যে গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন স্নেহ কুমার চাকমা। ১৯২৭ সালে রাঙামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়াকালীন স্বদেশী আন্দোলনে যোগ দেয়ায় ছয় মাসের জন্য স্কুল থেকে বহিস্কৃত হন। এরপর ১৯৩২ সালে দশম শ্রেণিতে পাড়ার সময় মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হন ও পুনরায় দুই বছরের জন্য স্কুল থেকে বহিস্কৃত হন। এছাড়াও তিনি চাকমা যুব সংঘের ঘনশ্যাম দেওয়ান, ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী চারু বিকাশ দত্তসহ অনেকের সাথে কাজ করেন। নেতাজী সুভাসচন্দ্র বসুর সাথেও তিনি যোগাযোগ রাখেন।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্নেহকুমার চাকমা একজন স্বপ্নদর্শী নেতা ছিলেন। তিনি তাঁর জীবনকালে জুম্ম জনগণের অধিকার ও মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন। যার জন্য জুম্ম জনগণের নিকট তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

সভা শেষে স্নেহকুমার চাকমার স্মরণে প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয় এবং ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ১৮ জুলাই প্রয়াত হন স্নেহ কুমার চাকমা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।