বান্দরবানে হামে আক্রান্ত হয়ে ৭ আদিবাসী খুমী শিশুর মৃত্যু, অর্থসংকটে আক্রান্ত পরিবার
বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম লেতং খুমী পাড়ায় হাম রোগের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে ওই পাড়ায় ৭ জন আদিবাসী খুমী শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় ও গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। বাংলাদেশ খুমী স্টুডেন্টস কাউন্সিলের তথ্যমতে, রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বান্দরবান সদর হাসপাতালে ৭ থেকে ৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া পাড়াটিতে এখনও আরও অনেক শিশু ও ব্যক্তি হাম রোগে আক্রান্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হাম আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে রয়েছেন—শৈলুং খুমীর মেয়ে পলি এং খুমী (৭), শৈলুং খুমীর ছেলে পও এং খুমী (৭), প্রেটেম এং খুমী (৭), ফ্রেলেং খুমী (৯), শৈলুং খুমীর মেজো মেয়ের ছেলে খ্রেটেম এং খুমী (১৩), শৈলুং খুমীর বড় ভাই আলম খুমীর ছেলে ফ্রেলে এং খুমী (৯) এবং শৈলুং খুমীর ছোট ভাই আম্যাক খুমীর মেয়ে খ্রেপা খুমী (১৩)। অর্থের অভাবে আক্রান্ত অনেক রোগীকে সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ খুমী স্টুডেন্টস কাউন্সিলের (বিকেএসসি) উদ্যোগে আক্রান্ত রোগীদের বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কার্যক্রম চলছে। আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বজনরা। এ অবস্থায় অসুস্থ শিশু ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলোর প্রতি আর্থিক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, সবার সামান্য সহযোগিতাও একজন অসহায় শিশুর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সম্মিলিত সহায়তার মাধ্যমে দুর্গম এলাকার আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় এনে তাদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব। বান্দরবান, ২৮ জুলাই ২০২৬: বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম লেতং খুমী পাড়ায় হাম রোগের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে ওই পাড়ায় ৭ জন আদিবাসী খুমী শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় ও গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। বাংলাদেশ খুমী স্টুডেন্টস কাউন্সিলের তথ্যমতে, রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বান্দরবান সদর হাসপাতালে ৭ থেকে ৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া পাড়াটিতে এখনও আরও অনেক শিশু ও ব্যক্তি হাম রোগে আক্রান্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হাম আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে রয়েছেন—শৈলুং খুমীর মেয়ে পলি এং খুমী (৭), শৈলুং খুমীর ছেলে পও এং খুমী (৭), প্রেটেম এং খুমী (৭), ফ্রেলেং খুমী (৯), শৈলুং খুমীর মেজো মেয়ের ছেলে খ্রেটেম এং খুমী (১৩), শৈলুং খুমীর বড় ভাই আলম খুমীর ছেলে ফ্রেলে এং খুমী (৯) এবং শৈলুং খুমীর ছোট ভাই আম্যাক খুমীর মেয়ে খ্রেপা খুমী (১৩)। অর্থের অভাবে আক্রান্ত অনেক রোগীকে সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ খুমী স্টুডেন্টস কাউন্সিলের (বিকেএসসি) উদ্যোগে আক্রান্ত রোগীদের বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কার্যক্রম চলছে। আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বজনরা। এ অবস্থায় অসুস্থ শিশু ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলোর প্রতি আর্থিক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, সবার সামান্য সহযোগিতাও একজন অসহায় শিশুর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সম্মিলিত সহায়তার মাধ্যমে দুর্গম এলাকার আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় এনে তাদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব।
৩২
বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম লেতং খুমী পাড়ায় হাম রোগের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে ওই পাড়ায় ৭ জন আদিবাসী খুমী শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় ও গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ খুমী স্টুডেন্টস কাউন্সিলের তথ্যমতে, রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বান্দরবান সদর হাসপাতালে ৭ থেকে ৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া পাড়াটিতে এখনও আরও অনেক শিশু ও ব্যক্তি হাম রোগে আক্রান্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হাম আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে রয়েছেন—শৈলুং খুমীর মেয়ে পলি এং খুমী (৭), শৈলুং খুমীর ছেলে পও এং খুমী (৭), প্রেটেম এং খুমী (৭), ফ্রেলেং খুমী (৯), শৈলুং খুমীর মেজো মেয়ের ছেলে খ্রেটেম এং খুমী (১৩), শৈলুং খুমীর বড় ভাই আলম খুমীর ছেলে ফ্রেলে এং খুমী (৯) এবং শৈলুং খুমীর ছোট ভাই আম্যাক খুমীর মেয়ে খ্রেপা খুমী (১৩)।
অর্থের অভাবে আক্রান্ত অনেক রোগীকে সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ খুমী স্টুডেন্টস কাউন্সিলের (বিকেএসসি) উদ্যোগে আক্রান্ত রোগীদের বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কার্যক্রম চলছে।
আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বজনরা। এ অবস্থায় অসুস্থ শিশু ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলোর প্রতি আর্থিক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সবার সামান্য সহযোগিতাও একজন অসহায় শিশুর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সম্মিলিত সহায়তার মাধ্যমে দুর্গম এলাকার আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় এনে তাদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব।
বান্দরবান, ২৮ জুলাই ২০২৬: বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম লেতং খুমী পাড়ায় হাম রোগের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে ওই পাড়ায় ৭ জন আদিবাসী খুমী শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় ও গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ খুমী স্টুডেন্টস কাউন্সিলের তথ্যমতে, রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বান্দরবান সদর হাসপাতালে ৭ থেকে ৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া পাড়াটিতে এখনও আরও অনেক শিশু ও ব্যক্তি হাম রোগে আক্রান্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হাম আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে রয়েছেন—শৈলুং খুমীর মেয়ে পলি এং খুমী (৭), শৈলুং খুমীর ছেলে পও এং খুমী (৭), প্রেটেম এং খুমী (৭), ফ্রেলেং খুমী (৯), শৈলুং খুমীর মেজো মেয়ের ছেলে খ্রেটেম এং খুমী (১৩), শৈলুং খুমীর বড় ভাই আলম খুমীর ছেলে ফ্রেলে এং খুমী (৯) এবং শৈলুং খুমীর ছোট ভাই আম্যাক খুমীর মেয়ে খ্রেপা খুমী (১৩)।
অর্থের অভাবে আক্রান্ত অনেক রোগীকে সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ খুমী স্টুডেন্টস কাউন্সিলের (বিকেএসসি) উদ্যোগে আক্রান্ত রোগীদের বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কার্যক্রম চলছে।
আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বজনরা। এ অবস্থায় অসুস্থ শিশু ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলোর প্রতি আর্থিক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সবার সামান্য সহযোগিতাও একজন অসহায় শিশুর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সম্মিলিত সহায়তার মাধ্যমে দুর্গম এলাকার আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় এনে তাদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।