শহীদ ভরদ্বাজ মুনি’র স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে পিসিপি’র মশাল মিছিল
পার্বত্য চট্টগ্রামের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রথম শহীদ ভরদ্বাজ মুনি'র স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে মশাল মিছিল করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি), খাগড়াছড়ি জেলা শাখা। আজ শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি সদরের নারাঙহিয়ে থেকে মিছিলটি বের হয়ে স্বনির্ভর বাজারে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার তথ্য প্রচার সম্পাদক জেকিন চাকমা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ১৯৯২ সালের ১৩ অক্টোবর পার্বত্য চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রথম প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদ ভরদ্বাজ মুনি'র স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙার ঘটনাটি পার্বত্য চট্টগ্রামের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে আঘাত করেছে। একটি কুচক্রী মহল পার্বত্য চট্টগ্রামের ছাত্র-গণ জাগরণের ইতিহাস মুছে দিতে পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। তিনি আরো বলেন, ভরদ্বাজ মুনি আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাসে সাহসী প্রতীকের একটি নাম। পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এই নাম মিশে গিয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে দিয়ে সেই নাম ও ইতিহাসকে মুছে ফেলা যাবে না। তিনি স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙার ঘটনায় চিহ্নিত রাজীব চাকমাসহ ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। উল্লেখ্য, গতকাল (২৮ আগস্ট) বিকালের দিকে দীঘিনালা সদরের বাবুপাড়ায় স্থায়ীভাবে নির্মিত শহীদ ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভটি ভেঙে ফেলা হয়। ৭০ বছর বয়সী ভরদ্বাজ মুনি চাকমা ১৯৯২ সালের ১৩ অক্টোবর দীঘিনালায় পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের আহূত ছাত্র-গণসমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে সেনা মদদে সেটলার বাঙালিদের পরিকল্পিত হামলায় শহীদ হন।
১২১
পার্বত্য চট্টগ্রামের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রথম শহীদ ভরদ্বাজ মুনি’র স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে মশাল মিছিল করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি), খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।
আজ শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি সদরের নারাঙহিয়ে থেকে মিছিলটি বের হয়ে স্বনির্ভর বাজারে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার তথ্য প্রচার সম্পাদক জেকিন চাকমা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ১৯৯২ সালের ১৩ অক্টোবর পার্বত্য চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রথম প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদ ভরদ্বাজ মুনি’র স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙার ঘটনাটি পার্বত্য চট্টগ্রামের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে আঘাত করেছে। একটি কুচক্রী মহল পার্বত্য চট্টগ্রামের ছাত্র-গণ জাগরণের ইতিহাস মুছে দিতে পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ভরদ্বাজ মুনি আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাসে সাহসী প্রতীকের একটি নাম। পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এই নাম মিশে গিয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে দিয়ে সেই নাম ও ইতিহাসকে মুছে ফেলা যাবে না।
তিনি স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙার ঘটনায় চিহ্নিত রাজীব চাকমাসহ ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য, গতকাল (২৮ আগস্ট) বিকালের দিকে দীঘিনালা সদরের বাবুপাড়ায় স্থায়ীভাবে নির্মিত শহীদ ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভটি ভেঙে ফেলা হয়। ৭০ বছর বয়সী ভরদ্বাজ মুনি চাকমা ১৯৯২ সালের ১৩ অক্টোবর দীঘিনালায় পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের আহূত ছাত্র-গণসমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে সেনা মদদে সেটলার বাঙালিদের পরিকল্পিত হামলায় শহীদ হন।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।