গুইমারার নাক্রাইয়ে সেনাবাহিনী ও ঠ্যাঙাড়েদের যৌথ তৎপরতা, আতঙ্কে এলাকাবাসী
খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নাক্রাই এলাকায় সেনাবাহিনী ও তাদের মদদপুষ্ট ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের যৌথ তৎপরতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে সেনাবাহিনী ও ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের একটি যৌথ দল নাক্রাই এলাকায় যায়। পরে তারা সেখানে একটি জঙ্গলের ভিতর লুকিয়ে অবস্থান করে। তাদের মধ্যে ১৫ জন সেনা সদস্য ও ১০ জন সশস্ত্র ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসী (সেনাবাহিনীর পোশাক পরিহিত) রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে তারা জঙ্গল থেকে বের হয়ে আসে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এদিকে, আজ সকাল ৯টার গুইমারার নাইক্যাপাড়া ক্যাম্প থেকে আরও প্রায় ১৫–২০ জন সেনাসদস্য তাইন্দংপাড়া রাস্তা দিয়ে নাক্রাইয়ের দিকে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া, ১০টার সময় সিন্দুকছড়ি জোন থেকে তিনটি গাড়িতে করে আনুমানিক ৩০–৩৫ জন সেনাসদস্য রামেসু বাজার হয়ে নাক্রাই এলাকায় যায় বলেও এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর ধারণা, নাক্রাই এলাকায় অবস্থানরত ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের নিরাপত্তা দিতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পর পর সে এলাকায় গেছে। এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত (সকাল সাড়ে ১১টা) সেনাবাহিনী ও ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীরা নাক্রাই এলাকার একটি সেগুন বাগানে অবস্থান করছিল বলে স্থানীয়রা জানান। সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের ধরনের যৌথ তৎপরতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ (দুপুর ১২:১৮টায়) প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিয়ে নাক্রাই এলাকা থেকে ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের সরিয়ে নিয়ে গেছে।
২১৬
খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নাক্রাই এলাকায় সেনাবাহিনী ও তাদের মদদপুষ্ট ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের যৌথ তৎপরতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে সেনাবাহিনী ও ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের একটি যৌথ দল নাক্রাই এলাকায় যায়। পরে তারা সেখানে একটি জঙ্গলের ভিতর লুকিয়ে অবস্থান করে। তাদের মধ্যে ১৫ জন সেনা সদস্য ও ১০ জন সশস্ত্র ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসী (সেনাবাহিনীর পোশাক পরিহিত) রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে তারা জঙ্গল থেকে বের হয়ে আসে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে, আজ সকাল ৯টার গুইমারার নাইক্যাপাড়া ক্যাম্প থেকে আরও প্রায় ১৫–২০ জন সেনাসদস্য তাইন্দংপাড়া রাস্তা দিয়ে নাক্রাইয়ের দিকে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এছাড়া, ১০টার সময় সিন্দুকছড়ি জোন থেকে তিনটি গাড়িতে করে আনুমানিক ৩০–৩৫ জন সেনাসদস্য রামেসু বাজার হয়ে নাক্রাই এলাকায় যায় বলেও এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর ধারণা, নাক্রাই এলাকায় অবস্থানরত ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের নিরাপত্তা দিতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পর পর সে এলাকায় গেছে।
এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত (সকাল সাড়ে ১১টা) সেনাবাহিনী ও ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীরা নাক্রাই এলাকার একটি সেগুন বাগানে অবস্থান করছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের ধরনের যৌথ তৎপরতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সর্বশেষ (দুপুর ১২:১৮টায়) প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিয়ে নাক্রাই এলাকা থেকে ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের সরিয়ে নিয়ে গেছে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।