জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এখনও মাচলং ক্যাম্পের পাশে অবস্থান করছে
জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এখনও বাঘাইছড়ি উপজেলাধীন সাজেকের মাচলং আর্মি ক্যাম্প ও নয় নম্বর আর্মি ক্যাম্পের মাঝখানে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সংগঠন তথাকথিত জুম্ম লিবারেশন আর্মি ও বাংলাদেশ আর্মি নুয়ো পাড়া গ্রামে যৌথভাবে সশস্ত্র সন্ত্রাস চালিয়েছিল। সেখানে তাদের এলোপাতাড়ি ব্রাশফায়ারে কস্মিতা ত্রিপুরা নামে ৭ বছর বয়সী এক শিশু আহত হয়। তবে সেদিন গণপ্রতিরোধে সন্তু গ্রুপের দুই সদস্য নিহত হয় বলে জানা গেছে। তাদের লাশ এক ব্যক্তির বাড়ির উঠোনে পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানান স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা। অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, আজ (১ অক্টোবর) জেএসএস সন্তু গ্রুপের আরও দুই জনের লাশ বহন করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। কয়েকদিন আগে ভুয়োছড়ি গ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাস চালানোর সময় গণপ্রতিরোধে তারা নিহত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। রুইলুই পর্যটন স্পট থেকে উত্তরে ২-৩ ঘন্টার হেঁটে যাওয়ার দূরত্বে হগরাকিজিং গ্রামের মধ্য দিয়ে লাশগুলো নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এছাড়া ভুইয়োছড়ি হামলায় সন্তু গ্রুপের আরও কয়েকজন নিহত হয়ে থাকতে পারে ধারণা করা হচ্ছে। রাতে গভীর জঙ্গলে তাদেরকে কবর দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। সর্বশেষ তথ্য মতে, সন্তু গ্রুপ সাজেক পর্যটন রোডের পাশে মাচলং ক্যাম্পের আরও কাছাকাছি চলে এসেছে। গত ৩০ আগস্ট থেকে তারা সেখানে অবস্থান করছে। অথচ তারপরও নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এজন্য জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অবস্থানের কারণে সাধারণ জনগণ ও পর্যটকদের জানমালের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। ইতিমধ্যে অনেকে ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
৯০
জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এখনও বাঘাইছড়ি উপজেলাধীন সাজেকের মাচলং আর্মি ক্যাম্প ও নয় নম্বর আর্মি ক্যাম্পের মাঝখানে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সংগঠন তথাকথিত জুম্ম লিবারেশন আর্মি ও বাংলাদেশ আর্মি নুয়ো পাড়া গ্রামে যৌথভাবে সশস্ত্র সন্ত্রাস চালিয়েছিল। সেখানে তাদের এলোপাতাড়ি ব্রাশফায়ারে কস্মিতা ত্রিপুরা নামে ৭ বছর বয়সী এক শিশু আহত হয়। তবে সেদিন গণপ্রতিরোধে সন্তু গ্রুপের দুই সদস্য নিহত হয় বলে জানা গেছে। তাদের লাশ এক ব্যক্তির বাড়ির উঠোনে পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানান স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা।
অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, আজ (১ অক্টোবর) জেএসএস সন্তু গ্রুপের আরও দুই জনের লাশ বহন করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। কয়েকদিন আগে ভুয়োছড়ি গ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাস চালানোর সময় গণপ্রতিরোধে তারা নিহত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রুইলুই পর্যটন স্পট থেকে উত্তরে ২-৩ ঘন্টার হেঁটে যাওয়ার দূরত্বে হগরাকিজিং গ্রামের মধ্য দিয়ে লাশগুলো নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
এছাড়া ভুইয়োছড়ি হামলায় সন্তু গ্রুপের আরও কয়েকজন নিহত হয়ে থাকতে পারে ধারণা করা হচ্ছে। রাতে গভীর জঙ্গলে তাদেরকে কবর দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
সর্বশেষ তথ্য মতে, সন্তু গ্রুপ সাজেক পর্যটন রোডের পাশে মাচলং ক্যাম্পের আরও কাছাকাছি চলে এসেছে।
গত ৩০ আগস্ট থেকে তারা সেখানে অবস্থান করছে। অথচ তারপরও নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এজন্য জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অবস্থানের কারণে সাধারণ জনগণ ও পর্যটকদের জানমালের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। ইতিমধ্যে অনেকে ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।