ত্রিপুরা রাজ্যের গন্ডাছড়া মহকুমা রইস্যাবাড়ী এলাকার নারিকেল বাগান চৌমুহনীতে জেএসএস (সন্তু)–এর সশস্ত্র কমান্ডার হিসেবে পরিচিত সমাজপ্রিয় চাকমার বহনকারী একটি গাড়িতে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তল্লাশি চালিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ২৫ জুলাই রাত ১০টা ৫ মিনিটের দিকে আগরতলাগামী একটি TR03P0762 নম্বরের ওয়াগনার গাড়িকে নারিকেল বাগান চৌমুহনী এলাকায় থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচারের করেছে সমাজ প্রিয় গং তাই সন্দেহ করে প্রায় ৪৫ মিনিট গাড়িটি আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় গাড়ি থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মদ পাওয়া গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। সূত্রের দাবি, গাড়িটিতে সমাজপ্রিয় চাকমার সঙ্গে সশস্ত্র সদস্য সুপেন চাকমা (তুংলো চাকমা) নামে আরেক ব্যক্তি ছিলেন। তল্লাশির পর সমাজপ্রিয় চাকমা সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিক কর্মকর্তাদের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চান এবং রাতের বেলায় আর চলাচল করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন—এমন দাবিও করা হয়েছে। এদিকে, একই সূত্র জানায়, গত ২৩ জুলাই ২০২৬ সমাজপ্রিয় চাকমার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি অবৈধ সিন্ডিকেটের ২০০টি মাছ ধরার জাল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) উদ্ধার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ, গত ২১ জানুয়ারি ২০২৫ সালে আগরতলার বাধারঘাট-মিলন চক্র শ্রীপল্লী এলাকা থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ, বাংলাদেশি টাকা, মানবপাচার এবং অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগে সমাজপ্রিয় চাকমাকে আগরতলা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। তার বিরুদ্ধে ৬ থেকে ৭টি ফৌজদারি মামলা আগরতলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
১৫৯
ত্রিপুরা রাজ্যের গন্ডাছড়া মহকুমা রইস্যাবাড়ী এলাকার নারিকেল বাগান চৌমুহনীতে জেএসএস (সন্তু)–এর সশস্ত্র কমান্ডার হিসেবে পরিচিত সমাজপ্রিয় চাকমার বহনকারী একটি গাড়িতে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তল্লাশি চালিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ২৫ জুলাই রাত ১০টা ৫ মিনিটের দিকে আগরতলাগামী একটি TR03P0762 নম্বরের ওয়াগনার গাড়িকে নারিকেল বাগান চৌমুহনী এলাকায় থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচারের করেছে সমাজ প্রিয় গং তাই সন্দেহ করে প্রায় ৪৫ মিনিট গাড়িটি আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় গাড়ি থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মদ পাওয়া গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
সূত্রের দাবি, গাড়িটিতে সমাজপ্রিয় চাকমার সঙ্গে সশস্ত্র সদস্য সুপেন চাকমা (তুংলো চাকমা) নামে আরেক ব্যক্তি ছিলেন। তল্লাশির পর সমাজপ্রিয় চাকমা সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিক কর্মকর্তাদের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চান এবং রাতের বেলায় আর চলাচল করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন—এমন দাবিও করা হয়েছে।
এদিকে, একই সূত্র জানায়, গত ২৩ জুলাই ২০২৬ সমাজপ্রিয় চাকমার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি অবৈধ সিন্ডিকেটের ২০০টি মাছ ধরার জাল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) উদ্ধার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ, গত ২১ জানুয়ারি ২০২৫ সালে আগরতলার বাধারঘাট-মিলন চক্র শ্রীপল্লী এলাকা থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ, বাংলাদেশি টাকা, মানবপাচার এবং অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগে সমাজপ্রিয় চাকমাকে আগরতলা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। তার বিরুদ্ধে ৬ থেকে ৭টি ফৌজদারি মামলা আগরতলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।