মাটিরাঙ্গার প্রফুল্ল্যপাড়ায় সংঘর্ষ: নিহত জেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র কমান্ডার সিমন মারমা, আহত ৩
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার তাইন্দং ইউনিয়নের প্রফুল্ল পাড়ায় জেএসএস সন্তু সশস্ত্র সদসরা হামলা করতে এসে বড় ধরনের ক্ষতি সম্মুখীন হয়েছে। সকালে সংঘটিত এ সংঘর্ষে (জেএসএস-সন্তু লারমা) গ্রুপের সশস্ত্র কমান্ডার সিমন মারমা ওরফে দাড়ি ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে আরও অন্তত ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকাল আনুমানিক ৫টা ৪৫ মিনিটে প্রফুল্ল পাড়া এলাকায় ইউপিডিএফ (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) সদস্যদের লক্ষ্য করে জেএসএস (সন্তু) পক্ষের সশস্ত্র সদস্যরা আকস্মিক ব্রাশফায়ার চালায়। এ সময় জুন্ম জনগণের প্রতিরোধ ফোর্স পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুললে প্রায় ঘন্টা খানিক সংঘর্ষ হয়। জুন্ম জনগণের প্রতিরোধ ফোর্স তীব্রভাবে প্রতিরোধে একপর্যায়ে সরকারপন্থী ও ঐক্য বিরোধী জেএসএস (সন্তু) পক্ষের সশস্ত্র কমান্ডার সিমন মারমা ওরফে দাড়ি ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান এবং তাদের আরও ৩ জন সদস্য মারাত্মক আহত হন। জুম্ম জনগণের প্রতিরোধের মুখে একপর্যায়ে জেএসএস সন্তু সশস্ত্র সদস্যরা পিছু হটতে শুরু করে। এই ঘটনার পরপরই পানছড়ি সাবজোন থেকে সেনাবাহিনী ও মুখোশের দলের সশস্ত্র গ্রুপ ইউপিডিএফ সদস্যদের পিছনের ঘেরাও করে অবস্থান নেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, ঘটনার পর বেলা ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে আহত ও নিহতদের উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে ঐক্য বিরোধী জেএসএস। অক্ষর চাকমা ওরফে প্রকাশ ও তার ছেলে জনি চাকমা নেতৃত্বে গন্ডাছড়া ডুম্বুর কর্মধন পাড়া এলাকা থেকে বোট/ট্রলার ও নৌকাযোগে সুবেলেংয়ের উদ্দেশ্যে আহতদের নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে সুবেলেং এলাকায় নিহত কমান্ডার সিমন মারমা ওরফে দাড়ি এবং 'বার্মা বৈদ্য' নামে অপর একজনের দাহক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। অন্যদিকে, আহত ৩ সদস্যকে মন্দিরঘাট ও যতনবাড়ী হয়ে সীমান্ত পার করে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলাস্থ হাঁপানিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত সময়ের মধ্যে আহতদের খয়েরপুর হোম নার্সিংয়ে স্থানান্তর করা হয়। আহত ও নিহতদের পরিবহন ও সীমান্ত পারাপারে সহযোগিতাকারী হিসেবে কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে: বাংলাদেশের নামঃ অক্ষর চাকমা (৫০) ওরেফ প্রকাশ পিতা—রূপসেন চাকমা; গ্রাম—রূপসেন পাড়া, লোগাঙ ইউপি, পানছড়ি উপজেলা, খাগড়াছড়ি। ভারতের নামঃ প্রকাশ চাকমা ওরফে অক্ষর পিতা—রাজ মোহন চাকমা; গ্রাম—কর্মধন পাড়া, পোস্ট: তীর্থ মুখ (৭৯৯১০৪), থানা: নতুন বাজার, করবুক-৪৩ সাব-ডিভিশন, জেলা: গোমতি, ত্রিপুরা রাজ্যে। ছেলের নাম জনি চাকমা(২৫) পিতা— প্রকাশ চাকমা গ্রাম—কর্মধন পাড়া, পোস্ট: তীর্থ মুখ (৭৯৯১০৪), থানা: নতুন বাজার, করবুক-৪৩ সাব-ডিভিশন, জেলা: গোমতি, ত্রিপুরা রাজ্যে।
২০৬
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার তাইন্দং ইউনিয়নের প্রফুল্ল পাড়ায় জেএসএস সন্তু সশস্ত্র সদসরা হামলা করতে এসে বড় ধরনের ক্ষতি সম্মুখীন হয়েছে। সকালে সংঘটিত এ সংঘর্ষে (জেএসএস-সন্তু লারমা) গ্রুপের সশস্ত্র কমান্ডার সিমন মারমা ওরফে দাড়ি ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে আরও অন্তত ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকাল আনুমানিক ৫টা ৪৫ মিনিটে প্রফুল্ল পাড়া এলাকায় ইউপিডিএফ (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) সদস্যদের লক্ষ্য করে জেএসএস (সন্তু) পক্ষের সশস্ত্র সদস্যরা আকস্মিক ব্রাশফায়ার চালায়। এ সময় জুন্ম জনগণের প্রতিরোধ ফোর্স পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুললে প্রায় ঘন্টা খানিক সংঘর্ষ হয়।
জুন্ম জনগণের প্রতিরোধ ফোর্স তীব্রভাবে প্রতিরোধে একপর্যায়ে সরকারপন্থী ও ঐক্য বিরোধী জেএসএস (সন্তু) পক্ষের সশস্ত্র কমান্ডার সিমন মারমা ওরফে দাড়ি ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান এবং তাদের আরও ৩ জন সদস্য মারাত্মক আহত হন।
জুম্ম জনগণের প্রতিরোধের মুখে একপর্যায়ে জেএসএস সন্তু সশস্ত্র সদস্যরা পিছু হটতে শুরু করে। এই ঘটনার পরপরই পানছড়ি সাবজোন থেকে সেনাবাহিনী ও মুখোশের দলের সশস্ত্র গ্রুপ ইউপিডিএফ সদস্যদের পিছনের ঘেরাও করে অবস্থান নেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, ঘটনার পর বেলা ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে আহত ও নিহতদের উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে ঐক্য বিরোধী জেএসএস। অক্ষর চাকমা ওরফে প্রকাশ ও তার ছেলে জনি চাকমা নেতৃত্বে গন্ডাছড়া ডুম্বুর কর্মধন পাড়া এলাকা থেকে বোট/ট্রলার ও নৌকাযোগে সুবেলেংয়ের উদ্দেশ্যে আহতদের নিয়ে যাওয়া হয়।
পরবর্তীতে সুবেলেং এলাকায় নিহত কমান্ডার সিমন মারমা ওরফে দাড়ি এবং ‘বার্মা বৈদ্য’ নামে অপর একজনের দাহক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। অন্যদিকে, আহত ৩ সদস্যকে মন্দিরঘাট ও যতনবাড়ী হয়ে সীমান্ত পার করে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলাস্থ হাঁপানিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত সময়ের মধ্যে আহতদের খয়েরপুর হোম নার্সিংয়ে স্থানান্তর করা হয়।
আহত ও নিহতদের পরিবহন ও সীমান্ত পারাপারে সহযোগিতাকারী হিসেবে কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে: বাংলাদেশের নামঃ অক্ষর চাকমা (৫০) ওরেফ প্রকাশ পিতা—রূপসেন চাকমা; গ্রাম—রূপসেন পাড়া, লোগাঙ ইউপি, পানছড়ি উপজেলা, খাগড়াছড়ি।
ছেলের নাম জনি চাকমা(২৫) পিতা— প্রকাশ চাকমা গ্রাম—কর্মধন পাড়া, পোস্ট: তীর্থ মুখ (৭৯৯১০৪), থানা: নতুন বাজার, করবুক-৪৩ সাব-ডিভিশন, জেলা: গোমতি, ত্রিপুরা রাজ্যে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।