রাঙ্গামাটিতে পহেল চাকমার নির্বাচনী সভায় যেতে বাধা ও ব্রাশফায়ারের হুমকি: আতঙ্কে একাধিক গ্রামের ভোটাররা
রাঙ্গামাটিতে পহেল চাকমার নির্বাচনী সভায় যেতে বাধা ও ব্রাশফায়ারের হুমকি: আতঙ্কে একাধিক গ্রামের ভোটাররা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আবহকে কেন্দ্র করে রাঙ্গামাটি ২৯৯ আসনে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমার (ফুটবল প্রতীক) নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে সাধারণ ভোটারদের বাধা প্রদান এবং প্রাণনাশের হুমকির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-সন্তু লারমা) সমর্থিত সশস্ত্র গ্রুপের বিরুদ্ধে। আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বরকল ও লংগদু উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অবরুদ্ধ একাধিক গ্রাম প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালে বরকল উপজেলার সুবলং ইউনিয়নের চিলাক ডাক, হাজাছড়া, শুকরছড়ি, পানছড়ি মৌন আদাম, দিঘোলছড়ি, রূপবান, গুরুখেইয়ে, পেত্যেছড়ি, উত্তর-দক্ষিণ উকছড়ি, শিলাছড়ি এবং হাজাছড়া তন্যাছড়ি এলাকার গ্রামবাসী পহেল চাকমার নির্বাচনী সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। একই সময়ে লংগদু উপজেলার লংগদু ইউনিয়নের উত্তর-দক্ষিণ বড়কলক, পাগলীছড়া ও পেরাছড়া গ্রামের বাসিন্দারাও বাধার মুখে পড়েন। অভিযোগের তীর যাদের দিকে স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জেএসএস (সন্তু লারমা) দলের কমান্ডার দীপ্ত চাকমার নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী সাধারণ গ্রামবাসীদের পথ রোধ করে। তারা ভোটারদের পহেল চাকমার ফুটবল প্রতীকের সমর্থনে আয়োজিত সভায় যোগ না দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। প্রাণনাশের হুমকি ও আতঙ্ক সন্ত্রাসীরা কেবল বাধাই দেয়নি, বরং গ্রামবাসীদের উদ্দেশ্যে সরাসরি ব্রাশফায়ারের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কমান্ডার দীপ্ত চাকমার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা গ্রামবাসীদের হুশিয়ার করে বলে: “তোমরা মিটিংয়ে গেলে যাইতে পার! কিন্তু বিকালে বাড়িতে আসতে পারবে না। আমরা বড়কলকে অপেক্ষা করবো এবং ব্রাশ ফায়ার করবো! এমন হুমকির পর থেকে উল্লিখিত গ্রামগুলোতে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভয়ে অনেকে ঘর থেকে বের হতে সাহস পাচ্ছেন না। স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা।
১০৩
রাঙ্গামাটিতে পহেল চাকমার নির্বাচনী সভায় যেতে বাধা ও ব্রাশফায়ারের হুমকি: আতঙ্কে একাধিক গ্রামের ভোটাররা
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আবহকে কেন্দ্র করে রাঙ্গামাটি ২৯৯ আসনে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমার (ফুটবল প্রতীক) নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে সাধারণ ভোটারদের বাধা প্রদান এবং প্রাণনাশের হুমকির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-সন্তু লারমা) সমর্থিত সশস্ত্র গ্রুপের বিরুদ্ধে।
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বরকল ও লংগদু উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অবরুদ্ধ একাধিক গ্রাম
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালে বরকল উপজেলার সুবলং ইউনিয়নের চিলাক ডাক, হাজাছড়া, শুকরছড়ি, পানছড়ি মৌন আদাম, দিঘোলছড়ি, রূপবান, গুরুখেইয়ে, পেত্যেছড়ি, উত্তর-দক্ষিণ উকছড়ি, শিলাছড়ি এবং হাজাছড়া তন্যাছড়ি এলাকার গ্রামবাসী পহেল চাকমার নির্বাচনী সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। একই সময়ে লংগদু উপজেলার লংগদু ইউনিয়নের উত্তর-দক্ষিণ বড়কলক, পাগলীছড়া ও পেরাছড়া গ্রামের বাসিন্দারাও বাধার মুখে পড়েন।
অভিযোগের তীর যাদের দিকে
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জেএসএস (সন্তু লারমা) দলের কমান্ডার দীপ্ত চাকমার নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী সাধারণ গ্রামবাসীদের পথ রোধ করে। তারা ভোটারদের পহেল চাকমার ফুটবল প্রতীকের সমর্থনে আয়োজিত সভায় যোগ না দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে।
প্রাণনাশের হুমকি ও আতঙ্ক
সন্ত্রাসীরা কেবল বাধাই দেয়নি, বরং গ্রামবাসীদের উদ্দেশ্যে সরাসরি ব্রাশফায়ারের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কমান্ডার দীপ্ত চাকমার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা গ্রামবাসীদের হুশিয়ার করে বলে:
“তোমরা মিটিংয়ে গেলে যাইতে পার! কিন্তু বিকালে বাড়িতে আসতে পারবে না। আমরা বড়কলকে অপেক্ষা করবো এবং ব্রাশ ফায়ার করবো!
এমন হুমকির পর থেকে উল্লিখিত গ্রামগুলোতে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভয়ে অনেকে ঘর থেকে বের হতে সাহস পাচ্ছেন না। স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।