সতীর্থের স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে জেএসএস নেতা অভিযুক্ত, সালিশে জরিমানা
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গন্ডাছড়া তৈচাকমা এডিসি ভিলেজের করুল্লাছড়ি এলাকায় জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু) এক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে দলীয় সশস্ত্র সহকর্মীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত জেএসএস নেতা দিলীপ চাকমা ওরফে ‘গালপোড়া’র বিরুদ্ধে উত্থাপিত এই ঘটনার পর সম্প্রতি এক গোপন সালিশ বৈঠকে জরিমানার মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, আনুমানিক ৫-৬ দিন আগে জেএসএস (সন্তু) গ্রুপের সশস্ত্র কর্মী রনি চাকমা সাংগঠনিক কাজের বাংলাদেশের পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়নের দুদুকছড়া এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে করুল্লাছড়ি এলাকায় রনি চাকমার অনুপস্থিতিতে তার স্ত্রীকে বাড়িতে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন একই দলের স্থানীয় নেতা দিলীপ চাকমা ওরফে গালপোড়া। ঘটনাটি জানতে পেরে রনি চাকমা অবিলম্বে জেএসএস নেতা অসীমেন্তু খীসা ওরফে ‘খীসা বাবু’র কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার দাবি করেন। পরবর্তীতে গন্ডাছড়ার নারায়ণপুরস্থ মগ পাড়া এলাকায় জেএসএস-এর বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার উপস্থিতিতে এক সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বিচারে ধর্ষণের অভিযোগটি সত্য প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত দিলীপ কুমার চাকমাকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ঘটনার পর অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে তাকে করুল্লাছড়ি এলাকা থেকে সরিয়ে নারায়ণপুরস্থ জেএসএস কোয়ার্টারে স্থানান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, করুল্লাছড়ি এলাকায় অভিযুক্ত দিলীপ চাকমা ও মিন্টু চাকমাসহ জেএসএস-এর ৩ থেকে ৪টি পরিবার বসবাস করে আসছিল। আরো জানা গেছে, অভিযুক্ত জেএসএস নেতার নাম দীলিপ কুমার চাকমা ওরফে ‘গালপোড়া’। ভারতে তিনি শান্তি বিকাশ চাকমা নামে পরিচিত। তিনি রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার দূরছড়ি এলাকার খেদারমারা ইউনিয়নের হিরাচর গ্রামের রতন সেন চাকমা ও শিখাবী চাকমার ছেলে। তার স্ত্রীর নাম কনিকা চাকমা। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী নারী জেএসএস কর্মী রনি চাকমার স্ত্রী। রনি চাকমা খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়নের দুদ্দুকছড়া রুপসেন পাড়ার পূর্ণ রাজ চাকমা ও নিয়তি চাকমার ছেলে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, জেএসএস কর্মী রনি চাকমা ইতিপূর্বে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার উত্তরহাতিমারা-দুদুকছড়া এলাকার বরুণ বিকাশ চাকমা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকা এবং নানা বিতর্কিত ও দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গিয়ে গন্ডাছড়ায় আত্মগোপন করেন। এদিকে, জেএসএস সশস্ত্র কর্মীদের বিরুদ্ধে সতীর্থদের স্বজনদের ওপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। গত বছরও উত্তর দুদুকছড়া হাতিমারা এলাকায় জেএসএস-এর অপর সশস্ত্র কর্মী ডেভিট চাকমার বিরুদ্ধে সহকর্মীর স্ত্রীকে ধর্ষণের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছিল। ঘন ঘন ঘটে যাওয়া এসব ঘটনায় দলটির সাধারণ কর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।"
১০৪
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গন্ডাছড়া তৈচাকমা এডিসি ভিলেজের করুল্লাছড়ি এলাকায় জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু) এক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে দলীয় সশস্ত্র সহকর্মীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত জেএসএস নেতা দিলীপ চাকমা ওরফে ‘গালপোড়া’র বিরুদ্ধে উত্থাপিত এই ঘটনার পর সম্প্রতি এক গোপন সালিশ বৈঠকে জরিমানার মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, আনুমানিক ৫-৬ দিন আগে জেএসএস (সন্তু) গ্রুপের সশস্ত্র কর্মী রনি চাকমা সাংগঠনিক কাজের বাংলাদেশের পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়নের দুদুকছড়া এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে করুল্লাছড়ি এলাকায় রনি চাকমার অনুপস্থিতিতে তার স্ত্রীকে বাড়িতে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন একই দলের স্থানীয় নেতা দিলীপ চাকমা ওরফে গালপোড়া।
ঘটনাটি জানতে পেরে রনি চাকমা অবিলম্বে জেএসএস নেতা অসীমেন্তু খীসা ওরফে ‘খীসা বাবু’র কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার দাবি করেন। পরবর্তীতে গন্ডাছড়ার নারায়ণপুরস্থ মগ পাড়া এলাকায় জেএসএস-এর বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার উপস্থিতিতে এক সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বিচারে ধর্ষণের অভিযোগটি সত্য প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত দিলীপ কুমার চাকমাকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ঘটনার পর অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে তাকে করুল্লাছড়ি এলাকা থেকে সরিয়ে নারায়ণপুরস্থ জেএসএস কোয়ার্টারে স্থানান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, করুল্লাছড়ি এলাকায় অভিযুক্ত দিলীপ চাকমা ও মিন্টু চাকমাসহ জেএসএস-এর ৩ থেকে ৪টি পরিবার বসবাস করে আসছিল।
আরো জানা গেছে, অভিযুক্ত জেএসএস নেতার নাম দীলিপ কুমার চাকমা ওরফে ‘গালপোড়া’। ভারতে তিনি শান্তি বিকাশ চাকমা নামে পরিচিত। তিনি রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার দূরছড়ি এলাকার খেদারমারা ইউনিয়নের হিরাচর গ্রামের রতন সেন চাকমা ও শিখাবী চাকমার ছেলে। তার স্ত্রীর নাম কনিকা চাকমা।
অন্যদিকে, ভুক্তভোগী নারী জেএসএস কর্মী রনি চাকমার স্ত্রী। রনি চাকমা খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়নের দুদ্দুকছড়া রুপসেন পাড়ার পূর্ণ রাজ চাকমা ও নিয়তি চাকমার ছেলে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, জেএসএস কর্মী রনি চাকমা ইতিপূর্বে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার উত্তরহাতিমারা-দুদুকছড়া এলাকার বরুণ বিকাশ চাকমা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকা এবং নানা বিতর্কিত ও দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গিয়ে গন্ডাছড়ায় আত্মগোপন করেন।
এদিকে, জেএসএস সশস্ত্র কর্মীদের বিরুদ্ধে সতীর্থদের স্বজনদের ওপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। গত বছরও উত্তর দুদুকছড়া হাতিমারা এলাকায় জেএসএস-এর অপর সশস্ত্র কর্মী ডেভিট চাকমার বিরুদ্ধে সহকর্মীর স্ত্রীকে ধর্ষণের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছিল। ঘন ঘন ঘটে যাওয়া এসব ঘটনায় দলটির সাধারণ কর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।”
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।