• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মহালছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যের বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার বিচার ও ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার প্রতিবাদ জানালেন ২১ হেডম্যান, কার্বারী ও জনপ্রতিনিধি চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পথে লাদেন চাকমাকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে মারধরের অভিযোগ সাজেকবাসীর পাঁচ দফা দাবিকে সমর্থন পাঁচ সংগঠনের মাচলঙে বাড়ি তল্লাশির অভিযোগ, আটকের চেষ্টা এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে কুমারী পাড়ায় ৬ গ্রামবাসীর বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি, হয়রানির অভিযোগ রাঙামাটি-খাগড়াছড়িতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের অবরোধ পালিত সাজেকবাসীর ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির পক্ষে বঙ্গলতলিতে মশাল মিছিল

‎আপনার কিডনি সুস্থ আছে তো? যে পরীক্ষা থেকে জানবেন

অনলাইন ডেস্ক / ৩৫ Time View
Update : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

২৮৪

‎আপনার কিডনি সুস্থ আছে তো? যে পরীক্ষা থেকে জানবেন
‎
‎নীরবে এগিয়ে চলা কিডনি রোগকে অনেকেই ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলেন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে কিডনির ক্ষতি অনেকটা অদৃশ্য বিপদের মতো—বাইরে তেমন উপসর্গ না থাকলেও ভেতরে ভেতরে ক্ষয় চলতেই থাকে।
‎
‎অভিজ্ঞ ডায়াবেটোলজিস্ট ডা. ব্রিজমোহন অরোরা জানিয়েছেন, সময়মতো সতর্ক হলে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। তার মতে, একটি সাধারণ ইউরিন পরীক্ষার মাধ্যমেই প্রায় পাঁচ বছর আগেই কিডনির ক্ষতির ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।
‎
‎সাধারণত অনেকেই কিডনি ফাংশন পরীক্ষা হিসেবে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা পরিমাপ করেন, যা কিডনির কর্মক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক। তবে ডা. অরোরার বক্তব্য, ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যাওয়া মানেই অনেক সময় ক্ষতি ইতোমধ্যে বেশ দূর এগিয়ে গেছে। রক্তে ক্রিয়েটিনিন ১.৩-এর বেশি হলে তা উদ্বেগজনক সংকেত হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে তিনি ক্রিয়েটিনিন ১.০-এর নিচে রাখার পরামর্শ দেন।
‎
‎তার মতে, ‘ইউরিন এসিআর’ (অ্যালবুমিন-টু-ক্রিয়েটিনিন রেশিও) পরীক্ষা বেশি কার্যকর। এই সহজ পরীক্ষায় দেখা হয় কিডনি থেকে অল্প পরিমাণ অ্যালবুমিন বা প্রোটিন লিক হচ্ছে কি না। কিডনি ক্ষতির একেবারে প্রাথমিক পর্যায়েই অ্যালবুমিন নিঃসরণ শুরু হয়, যা অনেক সময় রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়ার আগেই শুরু হয়ে যায়। চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা বলছে, ইউরিন এসিআর টেস্ট কিডনির ওপর চাপ পড়ার বিষয়টি কয়েক বছর আগেই শনাক্ত করতে পারে।
‎
‎স্বাভাবিক অবস্থায় ইউরিন এসিআর মান ৩০-এর নিচে থাকা উচিত। এর বেশি হলে বোঝা যায় কিডনি চাপের মধ্যে আছে এবং প্রোটিন বেরিয়ে যাচ্ছে। কিডনি রোগের বড় সমস্যা হলো দেরিতে ধরা পড়া—যখন শনাক্ত হয়, তখন অনেক ক্ষেত্রেই ডায়ালাইসিসের মতো জটিল চিকিৎসার প্রয়োজন দেখা দেয়। অথচ শুরুতেই ধরা পড়লে ক্ষতি কম থাকে এবং তা নিয়ন্ত্রণে আনা বা অনেক ক্ষেত্রে উল্টে দেওয়াও সম্ভব। তাই অপেক্ষা না করে আগেভাগে পরীক্ষা করানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
‎
‎যাদের বছরে অন্তত এক থেকে দুইবার কিডনি ফাংশন ও ইউরিন এসিআর পরীক্ষা করানো উচিত—
‎
‎ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি
‎উচ্চ রক্তচাপের রোগী
‎পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস আছে এমন মানুষ
‎কিডনি রোগ হঠাৎ হয় না; ধীরে ধীরে বাড়ে। তাই উপসর্গের জন্য অপেক্ষা না করে নিয়মিত স্ক্রিনিং করানোই নিরাপদ পথ। একটি সাধারণ ইউরিন টেস্টই হয়ত কয়েক বছর আগেই সতর্কবার্তা দিতে পারে, যা ডায়ালাইসিসের ঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd