ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৯ জুলাই ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বন্যার পানিতে এখনও ডুবে সাজেক সড়ক, ‘অনিশ্চয়তায়’ পর্যটকদের ফেরা

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ৯, ২০২৬ ১:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

১৭৪

কয়েক দিনের টানা ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি বেড়ে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে সাজেক-খাগড়াছড়ি সড়কের দীঘিনালা-কবাখালি অংশসহ বাঘাইহাট, মাচালং ও সীমানাছড়া-এ চারটি পয়েন্টে এখনো সড়কের ওপর দিয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হওয়ায় সাজেকের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

এসব তথ্য জানিয়ে দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ বলছেন, “খাগড়াছড়ির দিক থেকে সরাসরি সড়কপথে সাজেকে যাওয়া বা সেখান থেকে ফিরে আসা সম্ভব হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে কবে নাগাদ সাজেকে আটকা পড়া পর্যটকরা ফিরে আসবে, সে বিষয়ে একটি অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।”

তবে বৃহস্পতিবার আর বৃষ্টিপাত না হলে বিকালের দিকে পর্যটকদের ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে জানান তিনি।

সাজেক রির্সোট কটেজ মালিক সমিতির দফতর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক বলেন,“মাচালং বাজারের ব্রিজ-কানেক্টিং পয়েন্টে এখনও সাত ফিটের ওপরে পানি রয়েছে। গাড়ি চলাচলের অবস্থা নাই।”

তবে বাঘাইহাটে পানি কিছুটা কমে এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, “মাচালং এর পানি নেমে গেলে বিকালে হয়তো পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

“এখনও অন্তত ৫০০ পর্যটক আটকা পড়ে আছে। বৃষ্টি না থামলে আজকেও তাদের সাজেকে অবস্থান করতে হবে।”

এদিকে দীঘিনালার মেরুং এলাকার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পরিস্থির অবনতি হওয়ায় বুধবার রাত থেকে বন্যাদুর্গতরা আশ্রয়কেন্দ্রে উঠতে শুরু করেছে। উপজেলা প্রশাসন পক্ষ থেকে তাদের রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।

ইউএনও তানজিল পারভেজ বলেন, তার উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় আট হাজার। আর ২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় তিন হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

তিনি বলেন, “তাদের খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাতে পানি কিছুটা কমলেও আবার বাড়তে শুরু করেছে।”

এদিকে দুর্ঘটনা এড়াতে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বিশেষ করে জেলা শহরের শালবন, মোহাম্মদপুর, সবুজবাগ, কুমিল্লা টিলা, কলাবাগান, নুনছড়িবাজার, মোল্লাপাড়া, কৈবল্যপিঠ ও আঠারো পরিবার এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, “পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় মোট ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয় নেওয়া মানুষদের জন্য খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।