• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার বিচার ও ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার প্রতিবাদ জানালেন ২১ হেডম্যান, কার্বারী ও জনপ্রতিনিধি চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পথে লাদেন চাকমাকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে মারধরের অভিযোগ সাজেকবাসীর পাঁচ দফা দাবিকে সমর্থন পাঁচ সংগঠনের মাচলঙে বাড়ি তল্লাশির অভিযোগ, আটকের চেষ্টা এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে কুমারী পাড়ায় ৬ গ্রামবাসীর বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি, হয়রানির অভিযোগ রাঙামাটি-খাগড়াছড়িতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের অবরোধ পালিত সাজেকবাসীর ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির পক্ষে বঙ্গলতলিতে মশাল মিছিল হামলার প্রতিবাদে সাজেকে মশাল মিছিল, ক্ষোভে ফুঁসছেন আন্দোলনকারীরা

মিজোরামে ৭টি একে-৪৭ ও বিপুল গুলি জব্দ, গ্রেফতার ৩; অস্ত্রগুলো জেএসএসের বলে দাবি মিজোরাম পুলিশের

অনলাইন ডেস্ক / ৩৮ Time View
Update : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

২৮৬

ভারতের মিজোরাম রাজ্যের থিংসাই এলাকার তুইফাইয়ে অভিযান চালিয়ে ৩টি A-1, ৩টি (একে-৮১)-১টি একে-৪৭ রাইফেল এবং ২,০৫০ রাউন্ড তাজা গুলিসহ একটি পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ৩ আগস্ট (সোমবার) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে চালুরীতি অনুযায়ী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এই বিশাল অস্ত্র ও গোলাবারুদের চালান উদ্ধার করা হয়।

​প্রাথমিক তদন্ত ও আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এসব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র আঞ্চলিক সংগঠন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস – সন্তু লারমা গ্রুপ)-এর জন্য বাংলাদেশে পাচারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তুইফাই এলাকায় একটি ‘ম্যাক্সিক্যাব’ (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: MZ-02 A-8347) থামিয়ে তল্লাশি চালায় থিংসাই পুলিশ। তল্লাশিকালে গাড়িটির ভেতর থেকে ৭টি অত্যাধুনিক রাইফেল এবং ২,০৫০ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।

​এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আটকরা হলেন:
​লালরুয়াতফেলি (৪২): পিতা/ঠিকানা— চনমারি-৩, লুংলেই, মিজোরাম। ​লাললুনঘনেমা (৩০): নিবাস— লেইসেন, মিয়ানমার। ​মেসাক লালভেনসাঙ্গা (২৭): নিবাস— চেরহলুন, মিজোরাম (গাড়িটির চালক)।
​পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছে, তারা লুংলেইয়ে এসব অস্ত্র হাতবদলের পরিকল্পনা করেছিল। সেখানে প্রতি একে-৪৭ রাইফেল ৫ লাখ রূপি এবং প্রতি রাউন্ড গুলি ৫০০ রূপি দরে বিক্রি করার কথা ছিল।

​তদন্তকারী সূত্র জানিয়েছে, অস্ত্র ও গোলাবারুদের এই চালানটি লুংলেইয়ের ‘তেগিম হাকমা হোটেল’ এবং ‘সরিতা হোটেল বাজার ভেং’ এলাকা থেকে গ্রহণ (রিসিভ) করার পরিকল্পনা ছিল। সেখান থেকে মিজোরামের দেমাগ্রী সীমান্ত রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশে পাচার করে জেএসএস (সন্তু) সামরিক শাখার হাতে পৌঁছে দেওয়ার ছক কষেছিল চক্রটি।
​মিজোরামে জেএসএস (সন্তু) গ্রুপের গোপন আস্তানা ও মূল হোতারা ​অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মিজোরামের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোকে নিরাপদ ঘাঁটি বানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র চোরাচালান পরিচালনা করে আসছে জেএসএস (সন্তু)-এর একটি বিশেষ চক্র।

​কমলা নগর আস্তানা: কমলা নগর-৪ এলাকার দত্তবাবুর মেয়ের জামাইয়ের একটি ৩ তলা ভবনে জেএসএসের ৪টি পরিবার অবস্থান করছে। এর মধ্যে অন্যতম হলেন প্রণতি বিকাশ চাকমা (পিতা: অজিত মোহন চাকমা, মাতা: অনুলতা চাকমা, গ্রাম: কল্যাণপুর, রাঙ্গামাটি)। তিনি জেএসএস (সন্তু) গ্রুপের সামরিক ফিল্ড কমান্ডার হিসেবে সেখানে অবস্থান করে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তার সঙ্গে রয়েছে অনির্বাণ চাকমা (পিতা: বাদী চন্দ্র চাকমা, বাড়ি: ৩৬-তুইচাং, ১নং আদুভাঙ্গাছড়া)।

​লুম্পুইঘাট নেটওয়ার্ক: লুম্পুইঘাট এলাকায় অস্ত্র সংগ্রহের মূল সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন মিতুল চাকমা বিশাল (পিতা: নবিন চাকমা, মাতা: স্বপ্না চাকমা, গ্রাম: বাঘমারা কিচিং, বন্দুকভাঙ্গা, রাঙ্গামাটি)। তিনি মিজোরামে জেএসএসের অস্ত্র সংগ্রাহক ‘মৃণাল’ বা ‘মৃদুল’ নামে পরিচিত। এ ছাড়া এই চক্রের সাথে জোরাম বম (পাচেন) নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।

দ্যা ইন্ডিয়া টাইমস পত্রিকা বলছে, জব্দ করা অস্ত্রের চালানটির চূড়ান্ত গন্তব্য ছিল বাংলাদেশে তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে সক্রিয় সন্ত্রাসী সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস/PCJSS)-এর সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd