সাজেকে রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ
ডেস্ক রিপোর্ট
/ ৩৫৩
Time View
Update :
শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
Share
সাজেকে রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ
জনসংহতি সমিতির সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদেরকে সাজেক থেকে সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম শেষে আগামীকাল রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পর্যটন সড়কে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে সাজেক কার্বারী এসোসিয়েশন ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি। আজ শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) সাজেক কার্বারী এসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা এক যৌথ বিবৃতিতে উক্ত দুই সংগঠনের পক্ষ থেকে এই অবরোধের ঘোষণা দেন। উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর সাজেকের উজোবাজারে আয়োজিত এক সমাবেশে উক্ত দুই সংগঠন সাজেক থেকে জেএসএসের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদেরকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। এই সময়সীমার মধ্যে জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদেরকে সরিয়ে না নেওয়ায় আগামীকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই সড়ক অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। দুই সংগঠনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “যেহেতু সরকার ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদেরকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি, উপরন্তু সেনাবাহিনী নিরীহ জনগণের বাড়িঘরে তল্লাশির নামে হয়রানি করছে, বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে হুমকি দিচ্ছে, তাই দাবি আদায়ের জন্য আগামীকাল রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধ শুরু হবে।” তবে রোগী বহনকারী এম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও সংবাদকর্মীদের যানবাহন অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সাজেক পর্যটন সড়কে কোন ধরনের যানবাহন না চালানোর জন্য যানবাহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং পর্যটক ও সাধারণ জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। তারা বলেন, “সাজেকবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনারা আমাদের কর্মসূচিতে সহযোগিতা করুন।” সাজেকবাসীর জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে উক্ত দুই সংগঠনের নেতারা আরও বলেছেন, “জেএসএসের সশস্ত্র গ্রুপটি যতদিন সাজেকে অবস্থান করবে, ততদিন এলাকায় অশান্তি বিরাজ করবে এবং কারোর জীবনের নিরাপত্তা থাকবে না।” নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্বের কথা তুলে ধরে তারা বলেন, “সেনাবাহিনী বলে থাকে তাদের কাজ হলো সন্ত্রাস দমন করা ও জনগণের নিরাপত্তা বিধান করা। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় তারাই সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে এবং তাদেরকে নিয়ে এসে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করছে। তারা জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়ার পরিবর্তে জনগণের নিরাপত্তা হরণ করছে।” উক্ত দুই নেতা বলেন, “গত ৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় জেএসএস সন্তু গ্রুপের সদস্যরা রুইলুই পর্যটন কেন্দ্রের পাশে অবস্থিত দাড়িপাড়া থেকে গাড়ি যোগে এসে মাচলং আর্মি ক্যাম্পের পাশে নেমে পড়ে এবং ব্রিজ পাড়া, নুও পাড়া ও শিবপাড়ায় অবস্থান নেয়। সেই পর থেকে তারা বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাস চালাচ্ছে, লোকজনকে হুমকি দিচ্ছে এবং গ্রামবাসীর সম্পত্তি নষ্ট করছে। তাদের বেপরোয়া গুলি বর্ষণে কস্মিতা ত্রিপুরা নামে নয় বছরের এক শিশু আহত হয়েছে। এলাকাবাসী সর্বক্ষণ ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে।” নতুন জয় চাকমা ও বাবুধন চাকমা এই অবস্থা চলতে পারে না বলে মন্তব্য করেন এবং অবিলম্বে সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে সাজেক এলাকা থেকে জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদেরকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সরকার ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান। সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব বিজয় কান্তি চাকমার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
৪২২
জনসংহতি সমিতির সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদেরকে সাজেক থেকে সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম শেষে আগামীকাল রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পর্যটন সড়কে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে সাজেক কার্বারী এসোসিয়েশন ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি।
আজ শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) সাজেক কার্বারী এসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা এক যৌথ বিবৃতিতে উক্ত দুই সংগঠনের পক্ষ থেকে এই অবরোধের ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর সাজেকের উজোবাজারে আয়োজিত এক সমাবেশে উক্ত দুই সংগঠন সাজেক থেকে জেএসএসের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদেরকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। এই সময়সীমার মধ্যে জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদেরকে সরিয়ে না নেওয়ায় আগামীকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই সড়ক অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে।
দুই সংগঠনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “যেহেতু সরকার ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদেরকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি, উপরন্তু সেনাবাহিনী নিরীহ জনগণের বাড়িঘরে তল্লাশির নামে হয়রানি করছে, বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে হুমকি দিচ্ছে, তাই দাবি আদায়ের জন্য আগামীকাল রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধ শুরু হবে।”
তবে রোগী বহনকারী এম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও সংবাদকর্মীদের যানবাহন অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সাজেক পর্যটন সড়কে কোন ধরনের যানবাহন না চালানোর জন্য যানবাহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং পর্যটক ও সাধারণ জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। তারা বলেন, “সাজেকবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনারা আমাদের কর্মসূচিতে সহযোগিতা করুন।”
সাজেকবাসীর জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে উক্ত দুই সংগঠনের নেতারা আরও বলেছেন, “জেএসএসের সশস্ত্র গ্রুপটি যতদিন সাজেকে অবস্থান করবে, ততদিন এলাকায় অশান্তি বিরাজ করবে এবং কারোর জীবনের নিরাপত্তা থাকবে না।”
নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্বের কথা তুলে ধরে তারা বলেন, “সেনাবাহিনী বলে থাকে তাদের কাজ হলো সন্ত্রাস দমন করা ও জনগণের নিরাপত্তা বিধান করা। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় তারাই সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে এবং তাদেরকে নিয়ে এসে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করছে। তারা জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়ার পরিবর্তে জনগণের নিরাপত্তা হরণ করছে।”
উক্ত দুই নেতা বলেন, “গত ৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় জেএসএস সন্তু গ্রুপের সদস্যরা রুইলুই পর্যটন কেন্দ্রের পাশে অবস্থিত দাড়িপাড়া থেকে গাড়ি যোগে এসে মাচলং আর্মি ক্যাম্পের পাশে নেমে পড়ে এবং ব্রিজ পাড়া, নুও পাড়া ও শিবপাড়ায় অবস্থান নেয়। সেই পর থেকে তারা বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাস চালাচ্ছে, লোকজনকে হুমকি দিচ্ছে এবং গ্রামবাসীর সম্পত্তি নষ্ট করছে। তাদের বেপরোয়া গুলি বর্ষণে কস্মিতা ত্রিপুরা নামে নয় বছরের এক শিশু আহত হয়েছে। এলাকাবাসী সর্বক্ষণ ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে।”
নতুন জয় চাকমা ও বাবুধন চাকমা এই অবস্থা চলতে পারে না বলে মন্তব্য করেন এবং অবিলম্বে সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে সাজেক এলাকা থেকে জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদেরকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সরকার ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।
সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব বিজয় কান্তি চাকমার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।