মাচলঙে বাড়ি তল্লাশির অভিযোগ, আটকের চেষ্টা এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে
ডেস্ক রিপোর্ট
/ ৮১
Time View
Update :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
Share
মাচলঙে বাড়ি তল্লাশির অভিযোগ, আটকের চেষ্টা এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে
রাঙামাটির সাজেক ইউনিয়নের মাচলঙে সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ দল ডিপুপাড়ার বাসিন্দা আনন্দ মোহন চাকমার বাড়ি ঘেরাও করে তল্লাশি চালিয়ে তার মেয়ে ঝর্ণা চাকমাকে আটকের চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) ভোর ৫টার সময় মাচলঙ সেনা ক্যাম্প ও থানা থেকে সেনা-পুলিশের একটি যৌথ দল মাচলঙ ডিপুপাড়ার বাসিন্দা আনন্দ মোহন চাকমার বাড়ি ঘেরা্ও করে তল্লাশি চালায়। এ সময় তারা তার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে আটকের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে ঝর্ণা চাকমার মায়ের সাথে পুলিশের ধস্তাধস্তি হলে ঝর্ণা চাকমা সরে যেতে সক্ষম হয়। এ বিষয়ে সাজেক থানার ওসি মো. তোফাজ্জল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাচলং সেনা ক্যাম্প থেকে আমাকে পুলিশষ ফোর্স পাঠাতে বলা হয়। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় গঙ্গারাম উজোবাজারে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী এসোসিয়েশনের নেতা-কর্মীরা পিকেটিং করছে সেখানে যেতে হবে। পুলিশ ফোর্স পাঠানোর পর তারা যে ঝর্ণা চাকমাকে বাড়িতে যাবে তা আমার জানা ছিল না। উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর সাজেকের উজোবাজার এলাকায় সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী এসোসিয়েশনের ডাকা সড়ক অবরোধ পালনকালে ঝর্ণা চাকমা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে সেনাবাহিনীর নিপীড়নের বিষয়ে তুলে ধরেন। এরপর সেনাবাহিনী ঝর্ণা চাকমাকে খোঁজ করে এবং ক্যাম্পে হাজির হতে নির্দেশ প্রদান করে। পরে এ নিয়ে ঝর্ণা চাকমা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সেনাবাহিনী তাকে খোঁজ করার বিষয়টি জানায়।
৯৪
রাঙামাটির সাজেক ইউনিয়নের মাচলঙে সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ দল ডিপুপাড়ার বাসিন্দা আনন্দ মোহন চাকমার বাড়ি ঘেরাও করে তল্লাশি চালিয়ে তার মেয়ে ঝর্ণা চাকমাকে আটকের চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) ভোর ৫টার সময় মাচলঙ সেনা ক্যাম্প ও থানা থেকে সেনা-পুলিশের একটি যৌথ দল মাচলঙ ডিপুপাড়ার বাসিন্দা আনন্দ মোহন চাকমার বাড়ি ঘেরা্ও করে তল্লাশি চালায়। এ সময় তারা তার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে আটকের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে ঝর্ণা চাকমার মায়ের সাথে পুলিশের ধস্তাধস্তি হলে ঝর্ণা চাকমা সরে যেতে সক্ষম হয়।
এ বিষয়ে সাজেক থানার ওসি মো. তোফাজ্জল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাচলং সেনা ক্যাম্প থেকে আমাকে পুলিশষ ফোর্স পাঠাতে বলা হয়। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় গঙ্গারাম উজোবাজারে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী এসোসিয়েশনের নেতা-কর্মীরা পিকেটিং করছে সেখানে যেতে হবে। পুলিশ ফোর্স পাঠানোর পর তারা যে ঝর্ণা চাকমাকে বাড়িতে যাবে তা আমার জানা ছিল না।
উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর সাজেকের উজোবাজার এলাকায় সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী এসোসিয়েশনের ডাকা সড়ক অবরোধ পালনকালে ঝর্ণা চাকমা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে সেনাবাহিনীর নিপীড়নের বিষয়ে তুলে ধরেন। এরপর সেনাবাহিনী ঝর্ণা চাকমাকে খোঁজ করে এবং ক্যাম্পে হাজির হতে নির্দেশ প্রদান করে। পরে এ নিয়ে ঝর্ণা চাকমা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সেনাবাহিনী তাকে খোঁজ করার বিষয়টি জানায়।