খাগড়াছড়ি-পানছড়ি সড়কের তিন এলাকার প্রকৃত নাম ব্যবহারের আহ্বান এলাকাবাসীর
খাগড়াছড়ি-পানছড়ি সড়কের তিনটি এলাকার প্রকৃত নাম ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এসব এলাকায় প্রকৃত নামের সাইনবোর্ড লাগিয়েছেন তারা। দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকাকে ‘১২ নাম্বার’, ‘১৬ নাম্বার’ ও ১৭ নাম্বার’ বলে ডাকা হলেও, এলাকাবাসী এখন থেকে ১২ নাম্বারকে “ছোটনালা”, ১৬ নাম্বারকে “রবিজয় পাড়া” এবং ১৭ নাম্বারকে “মদন মোহন ও চিত্ত রঞ্জন পাড়া/জোড় মরং বাজার” নামে নিজ নিজ এলাকায় সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়েছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, সংখ্যা দিয়ে পরিচয়ের পরিবর্তে এলাকার নিজস্ব নাম ব্যবহার করলে স্থানীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও পরিচয় সংরক্ষিত থাকবে। তারা এখন থেকে সরকারি-বেসরকারি নথি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং দৈনন্দিন কথাবার্তায় ১২, ১৬ ও ১৭ নাম্বারের পরিবর্তে ‘ছোটনালা’, ‘রবিজয় পাড়া’ এবং ‘মদন মোহন ও চিত্ত রঞ্জন পাড়া বা জোড় মরং বাজার’ নামগুলো ব্যবহারের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
৩১৯
খাগড়াছড়ি-পানছড়ি সড়কের তিনটি এলাকার প্রকৃত নাম ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এসব এলাকায় প্রকৃত নামের সাইনবোর্ড লাগিয়েছেন তারা।
দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকাকে ‘১২ নাম্বার’, ‘১৬ নাম্বার’ ও ১৭ নাম্বার’ বলে ডাকা হলেও, এলাকাবাসী এখন থেকে ১২ নাম্বারকে “ছোটনালা”, ১৬ নাম্বারকে “রবিজয় পাড়া” এবং ১৭ নাম্বারকে “মদন মোহন ও চিত্ত রঞ্জন পাড়া/জোড় মরং বাজার” নামে নিজ নিজ এলাকায় সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়েছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, সংখ্যা দিয়ে পরিচয়ের পরিবর্তে এলাকার নিজস্ব নাম ব্যবহার করলে স্থানীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও পরিচয় সংরক্ষিত থাকবে।
তারা এখন থেকে সরকারি-বেসরকারি নথি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং দৈনন্দিন কথাবার্তায় ১২, ১৬ ও ১৭ নাম্বারের পরিবর্তে ‘ছোটনালা’, ‘রবিজয় পাড়া’ এবং ‘মদন মোহন ও চিত্ত রঞ্জন পাড়া বা জোড় মরং বাজার’ নামগুলো ব্যবহারের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।