লক্ষীছড়িতে জুমে ঢুকে ফসল নষ্ট ও অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জুমচাষি ও এলাকাবাসী; প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি
খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলার জুর্গাছড়ি মৌন এলাকায় কিছু উশৃঙ্খল বাঙালি পর্যটকের বিরুদ্ধে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জুমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ফসল নষ্ট এবং অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জুমচাষি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি একদল পর্যটক জুম এলাকায় প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে জুমের ফসল মাড়িয়ে নষ্ট করে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের আলামত হিসেবে ব্যবহৃত পোশাক, প্লাস্টিকজাত বর্জ্য এবং কনডম ফেলে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা। এতে শুধু পরিবেশ দূষণই নয়, স্থানীয় সমাজের সাংস্কৃতিক ও নৈতিক মূল্যবোধও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি এলাকাবাসীর। জুমচাষিদের ভাষ্য, বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে উৎপাদিত জুমের ফসলই তাদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান অবলম্বন। উচ্ছৃংখল পর্যটকদের দায়িত্বহীন আচরণে একদিকে যেমন ফসলের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে তারা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এলাকাবাসী বলেন, কারও ব্যক্তিগত জমি, ফসল, পরিবেশ ও স্থানীয় সংস্কৃতির ক্ষতি করার কোনো অধিকার কারও নেই। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, জুম এলাকায় পর্যটকদের অবাধ প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। এদিকে, প্রশাসন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে স্থানীয় জনগণ নিজেরাই উশৃঙ্খল পর্যটকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পরিস্থিতি আরও অবনতির আগেই প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জুমচাষি ও এলাকাবাসী।
৫৯৯
খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলার জুর্গাছড়ি মৌন এলাকায় কিছু উশৃঙ্খল বাঙালি পর্যটকের বিরুদ্ধে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জুমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ফসল নষ্ট এবং অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জুমচাষি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি একদল পর্যটক জুম এলাকায় প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে জুমের ফসল মাড়িয়ে নষ্ট করে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের আলামত হিসেবে ব্যবহৃত পোশাক, প্লাস্টিকজাত বর্জ্য এবং কনডম ফেলে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা। এতে শুধু পরিবেশ দূষণই নয়, স্থানীয় সমাজের সাংস্কৃতিক ও নৈতিক মূল্যবোধও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
জুমচাষিদের ভাষ্য, বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে উৎপাদিত জুমের ফসলই তাদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান অবলম্বন। উচ্ছৃংখল পর্যটকদের দায়িত্বহীন আচরণে একদিকে যেমন ফসলের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে তারা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এলাকাবাসী বলেন, কারও ব্যক্তিগত জমি, ফসল, পরিবেশ ও স্থানীয় সংস্কৃতির ক্ষতি করার কোনো অধিকার কারও নেই। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, জুম এলাকায় পর্যটকদের অবাধ প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে, প্রশাসন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে স্থানীয় জনগণ নিজেরাই উশৃঙ্খল পর্যটকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পরিস্থিতি আরও অবনতির আগেই প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জুমচাষি ও এলাকাবাসী।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।