মহালছড়িতে ‘রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন ও জনগণের লড়াই-সংগ্রাম’ শীর্ষক আলোচনা সভা
স্বাধীন রাজ্যকে ‘জেলায়’ অবদমিত (১৮৬০-১৯৪৭)- এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে উপলক্ষ করে “পার্বত্য চট্টগ্রামে অব্যাহত রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন, শাসন-শোষন, জাতীয় পরিচিতি সংকট ও অস্তিত্বের হুমকির মুখে জনগণের লড়াই-সংগ্রাম” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে। আজ শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) বেলা ১:০০টার সময় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর মহালছড়ি ইউনিট এই সভার আয়োজন করে। ইউপিডিএফ সংগঠক প্রকাশ চাকমার সভাপতিত্বে ও পূরণ চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১লা আগস্ট দিনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়ের সূচনার দিন। ১৮৬০ সালের এই দিনে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকরা স্বাধীন পার্বত্য রাজ্যকে অবনমিত করে পার্বত্য চট্টগ্রাম নামে একটি সাধারণ জেলা সৃষ্টির মাধ্যমে এ অঞ্চলের স্বাতন্ত্র্য-স্বকীয়তাকে ধুলিস্যাৎ করে দিয়েছিল। ‘জেলায় উন্নীতকরণ’ নাম দিয়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকরা আমাদের পাহাড়ি জনগণের সাথে চরম প্রতারণা করেছিল। যার পরিণম আজো আমাাদের ভোগ করতে হচ্ছে। তারা আরও বলেন, ‘৪৭’র ভারত উপমহাদেশ বিভক্ত করে দেয়ার সময়ও ব্রিটিশরা আমাদের সাথে প্রতারণা করেছিল। তারা ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করে দিলেও অমুসলিম অধ্যুষিত পার্বত্য চট্টগ্রামকে মুসলিম অধ্যুষিত পাকিস্তানের সাথে অন্তর্ভুক্ত করে দিয়েছিল। ব্রিটিশ শাসকদের এই প্রতারণার কারণে পরবর্তীতে পাকিস্তান ও বর্তমান বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠিও পাহাড়িদের ওপর অন্যায়-অবিচার চালানোর সুযোগ পেয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে এই অন্যায়-অবিচার এখনো চলমান রয়েছে। তাই আমাদের অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে রাজনৈতিকভাবে আরো বেশি সচেতন হতে হবে এবং জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষা ও অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই সংগ্রাম জারি রাখতে হবে।
৭৩
স্বাধীন রাজ্যকে ‘জেলায়’ অবদমিত (১৮৬০-১৯৪৭)- এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে উপলক্ষ করে “পার্বত্য চট্টগ্রামে অব্যাহত রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন, শাসন-শোষন, জাতীয় পরিচিতি সংকট ও অস্তিত্বের হুমকির মুখে জনগণের লড়াই-সংগ্রাম” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে।
আজ শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) বেলা ১:০০টার সময় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর মহালছড়ি ইউনিট এই সভার আয়োজন করে।
ইউপিডিএফ সংগঠক প্রকাশ চাকমার সভাপতিত্বে ও পূরণ চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১লা আগস্ট দিনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়ের সূচনার দিন। ১৮৬০ সালের এই দিনে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকরা স্বাধীন পার্বত্য রাজ্যকে অবনমিত করে পার্বত্য চট্টগ্রাম নামে একটি সাধারণ জেলা সৃষ্টির মাধ্যমে এ অঞ্চলের স্বাতন্ত্র্য-স্বকীয়তাকে ধুলিস্যাৎ করে দিয়েছিল। ‘জেলায় উন্নীতকরণ’ নাম দিয়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকরা আমাদের পাহাড়ি জনগণের সাথে চরম প্রতারণা করেছিল। যার পরিণম আজো আমাাদের ভোগ করতে হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, ‘৪৭’র ভারত উপমহাদেশ বিভক্ত করে দেয়ার সময়ও ব্রিটিশরা আমাদের সাথে প্রতারণা করেছিল। তারা ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করে দিলেও অমুসলিম অধ্যুষিত পার্বত্য চট্টগ্রামকে মুসলিম অধ্যুষিত পাকিস্তানের সাথে অন্তর্ভুক্ত করে দিয়েছিল। ব্রিটিশ শাসকদের এই প্রতারণার কারণে পরবর্তীতে পাকিস্তান ও বর্তমান বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠিও পাহাড়িদের ওপর অন্যায়-অবিচার চালানোর সুযোগ পেয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে এই অন্যায়-অবিচার এখনো চলমান রয়েছে। তাই আমাদের অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে রাজনৈতিকভাবে আরো বেশি সচেতন হতে হবে এবং জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষা ও অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই সংগ্রাম জারি রাখতে হবে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।