লক্ষীছড়িতে জুমক্ষেতে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়ে ইউএনওর কাছে জুমচাষীদের স্মারকলিপি
খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলার জুর্গাছড়ি এলাকায় জুমক্ষেতে দর্শনার্থীদের প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রদানের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত জুমচাষীরা। রবিবার (২ আগস্ট ২০২৬) দেওয়া স্মারকলিপিতে জুমচাষীরা বলেন, “আমরা ১নং লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বুক্যাছড়া পাড়ার স্থায়ী ও গরীব প্রজা হই। মহোদয়ের সমীপে জানাইতেছি যে, আমরা ২১৮ নং জুর্গাছড়িস্থ মৌজাস্থ জায়গায় ৮(আট) পরিবার জুমচাষ করি। জুমচাষ করার পর বর্তমানে ধানের গাছ লম্বা হওয়ায় দেখতে সবুজ ও সুন্দর হয়। এই দৃশ্যটি কে বা কারা ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার পর বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটক আসতে থাকেন। পর্যটক আসাতে তারা জুমের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করেন। যার কারণে জুমের ধান নষ্ট হয়ে যায়। তাছাড়া যারা পর্যটক আসেন তারা মদ পান করে মাঝে মধ্যে তাদের মধ্যে ঝগড়া-ঝাটি হয়। এমন কি মারামারিও করেছে বলে জানতে পারি। “আরো উল্লেখ্য যে, ২/৩ দিন আগে আমাদের জুমের মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় বিছানা ‘বিছাইয়া’ অসামাজিক কর্মকাণ্ড করা হয়েছে এবং কিছু আলামত পাওয়া গেছে। একই সাথে মদ ও নেশা জাতীয় দ্রব্য পান করারও কিছু উপকরণ পাওয়া যায় এবং ধান ক্ষেতের অনেক ক্ষতি হয়।” এতে তারা আরো বলেন, “আমরা গরীব ও নিরীহ মানুষ কষ্ট করে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনাতিপাত করি। এ অবস্থা চলতে থাকলে এবং ভবিষ্যতে কোন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপে কারণে যেকোন সময় অঘটন ঘটতে পারে। অসামাজিক কার্যক্রমের ফলে এলাকায় সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমতাবস্থায় বিষয়টির প্রতি সদয় হইয়া জুমঘরে পর্যটক আসা-যাওয়া বন্ধসহ ক্ষতিগ্রস্ত জুমের ক্ষতিপূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহোদয়ের সমীপে আকুল আবেদন করছি।” স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করা জুমচাষীরা হলেন- ১। মরল্যা চাকমা, ২। আনন্দ চাকমা, ৩। হরল্যা চাকমা, ৪। পারবো চাকমা, ৫। ধবক্যা চাকমা, ৬। প্রানজয় চাকমা, ৭। লাম্বাশিরা চাকমা ও ৮। নির্মল চাকমা তারা স্মরকলিপিটি অনুলিপি আকারে লক্ষীছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ১নং লক্ষীছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছেও দিয়েছেন। তবে, থানায় অনুলিপি দেওয়া হলেও থানা কর্তৃপক্ষ তাতে স্বাক্ষর করেনি বলে জানা গেছে।
৫৯
খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলার জুর্গাছড়ি এলাকায় জুমক্ষেতে দর্শনার্থীদের প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রদানের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত জুমচাষীরা।
রবিবার (২ আগস্ট ২০২৬) দেওয়া স্মারকলিপিতে জুমচাষীরা বলেন, “আমরা ১নং লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বুক্যাছড়া পাড়ার স্থায়ী ও গরীব প্রজা হই। মহোদয়ের সমীপে জানাইতেছি যে, আমরা ২১৮ নং জুর্গাছড়িস্থ মৌজাস্থ জায়গায় ৮(আট) পরিবার জুমচাষ করি। জুমচাষ করার পর বর্তমানে ধানের গাছ লম্বা হওয়ায় দেখতে সবুজ ও সুন্দর হয়। এই দৃশ্যটি কে বা কারা ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার পর বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটক আসতে থাকেন। পর্যটক আসাতে তারা জুমের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করেন। যার কারণে জুমের ধান নষ্ট হয়ে যায়। তাছাড়া যারা পর্যটক আসেন তারা মদ পান করে মাঝে মধ্যে তাদের মধ্যে ঝগড়া-ঝাটি হয়। এমন কি মারামারিও করেছে বলে জানতে পারি।
“আরো উল্লেখ্য যে, ২/৩ দিন আগে আমাদের জুমের মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় বিছানা ‘বিছাইয়া’ অসামাজিক কর্মকাণ্ড করা হয়েছে এবং কিছু আলামত পাওয়া গেছে। একই সাথে মদ ও নেশা জাতীয় দ্রব্য পান করারও কিছু উপকরণ পাওয়া যায় এবং ধান ক্ষেতের অনেক ক্ষতি হয়।”
এতে তারা আরো বলেন, “আমরা গরীব ও নিরীহ মানুষ কষ্ট করে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনাতিপাত করি। এ অবস্থা চলতে থাকলে এবং ভবিষ্যতে কোন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপে কারণে যেকোন সময় অঘটন ঘটতে পারে। অসামাজিক কার্যক্রমের ফলে এলাকায় সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমতাবস্থায় বিষয়টির প্রতি সদয় হইয়া জুমঘরে পর্যটক আসা-যাওয়া বন্ধসহ ক্ষতিগ্রস্ত জুমের ক্ষতিপূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহোদয়ের সমীপে আকুল আবেদন করছি।”
তারা স্মরকলিপিটি অনুলিপি আকারে লক্ষীছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ১নং লক্ষীছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছেও দিয়েছেন।
তবে, থানায় অনুলিপি দেওয়া হলেও থানা কর্তৃপক্ষ তাতে স্বাক্ষর করেনি বলে জানা গেছে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।