জগপাড়ায় জুম্ম জনগণের প্রতিরোধে ৩ সশস্ত্র সদস্য নিহত, ৪ আহত
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার জগ পাড়া এলাকায় (ইউপিডিএফ)-এর ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ সকালে সংঘটিত এ হামলায় স্থানীয় জনগণের প্রতিরোধ ও দুই পক্ষের তুমুল বন্দুকযুদ্ধে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু লারমা) তিন সশস্ত্র সদস্য নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ সকালে সমাজ প্রিয়, তরু, বাচ্চু, প্রত্যুত্তর ও সঞ্জয়ের নেতৃত্বে জেএসএস (সন্তু) গ্রুপের একটি সশস্ত্র দল পানছড়ির জগ পাড়ায় অবস্থানরত ইউপিডিএফ সদস্যদের লক্ষ্য করে হঠাৎ হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের একপর্যায়ে হামলাকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং পালানোর চেষ্টা করে। তবে সাধারণ জুম্ম জনগণের তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে হামলাকারীরা। সংঘর্ষ ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় ঘটনাস্থলেই জেএসএস (সন্তু) গ্রুপের তিন সদস্য নিহত হন এবং আরও চারজন গুরুতর আহত হন। ওয়ারলেসে গোপন কোড আদান-প্রদান সংঘর্ষের একপর্যায়ে বিকেল ৩টা থেকে ৪টার দিকে জেএসএস (সন্তু) দলের সশস্ত্র সদস্যদের ওয়ারলেসে বিশেষ গোপন বার্তা আদান-প্রদান করতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওয়ারলেসে তাদের ‘ধান-১, চাল-৩’ জাতীয় শব্দ ব্যবহার করতে শোনা গেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, তাদের সামরিক ভাষার এই কোডে ‘চাল’ বলতে ‘নিহত’ এবং ‘ধান’ বলতে ‘আহত’ বোঝানো হচ্ছিল। অর্থাৎ এই কোডের মাধ্যমেই নিজেদের কমান্ড সেন্টারে ৩ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছিল সশস্ত্র দলটি। কোড বিশ্লেষণ ও ক্যাজুয়ালটি অ্যাসেসমেন্ট (Casualty Assessment): “চাল-৩” (Code: Chal-3): ৩ জন নিহত / কেআইএ—KIA (Killed in Action)। “ধান-১” (Code: Dhan-1): ১ জন আহত / ডব্লিউআইএ—WIA (Wounded in Action)। এদিকে, ঘটনার পর আহতদের পানছড়ি উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, মূল ঘটনা আড়াল করতে আহতদের ‘সড়ক দুর্ঘটনার রোগী’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। সংঘটিত এই সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকে পুরো পানছড়ি ও সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকাগুলোতে তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
১৪৮০
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার জগ পাড়া এলাকায় (ইউপিডিএফ)-এর ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ সকালে সংঘটিত এ হামলায় স্থানীয় জনগণের প্রতিরোধ ও দুই পক্ষের তুমুল বন্দুকযুদ্ধে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু লারমা) তিন সশস্ত্র সদস্য নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ সকালে সমাজ প্রিয়, তরু, বাচ্চু, প্রত্যুত্তর ও সঞ্জয়ের নেতৃত্বে জেএসএস (সন্তু) গ্রুপের একটি সশস্ত্র দল পানছড়ির জগ পাড়ায় অবস্থানরত ইউপিডিএফ সদস্যদের লক্ষ্য করে হঠাৎ হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের একপর্যায়ে হামলাকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং পালানোর চেষ্টা করে।
তবে সাধারণ জুম্ম জনগণের তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে হামলাকারীরা। সংঘর্ষ ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় ঘটনাস্থলেই জেএসএস (সন্তু) গ্রুপের তিন সদস্য নিহত হন এবং আরও চারজন গুরুতর আহত হন।
ওয়ারলেসে গোপন কোড আদান-প্রদান
সংঘর্ষের একপর্যায়ে বিকেল ৩টা থেকে ৪টার দিকে জেএসএস (সন্তু) দলের সশস্ত্র সদস্যদের ওয়ারলেসে বিশেষ গোপন বার্তা আদান-প্রদান করতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওয়ারলেসে তাদের ‘ধান-১, চাল-৩’ জাতীয় শব্দ ব্যবহার করতে শোনা গেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, তাদের সামরিক ভাষার এই কোডে ‘চাল’ বলতে ‘নিহত’ এবং ‘ধান’ বলতে ‘আহত’ বোঝানো হচ্ছিল। অর্থাৎ এই কোডের মাধ্যমেই নিজেদের কমান্ড সেন্টারে ৩ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছিল সশস্ত্র দলটি।
কোড বিশ্লেষণ ও ক্যাজুয়ালটি অ্যাসেসমেন্ট (Casualty Assessment): “চাল-৩” (Code: Chal-3): ৩ জন নিহত / কেআইএ—KIA (Killed in Action)। “ধান-১” (Code: Dhan-1): ১ জন আহত / ডব্লিউআইএ—WIA (Wounded in Action)।
এদিকে, ঘটনার পর আহতদের পানছড়ি উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, মূল ঘটনা আড়াল করতে আহতদের ‘সড়ক দুর্ঘটনার রোগী’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
সংঘটিত এই সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকে পুরো পানছড়ি ও সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকাগুলোতে তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।