যুদ্ধের ময়দান থেকে সমাজপ্রিয় চাকমার পলায়ন: অগ্নিকুণ্ডে সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র জঙ্গিরা
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে শাসকশ্রেণি ও সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে জনসংহতি সমিতি (সন্তু গ্রুপ) শুরু করা যুদ্ধের তীব্রতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। আজ সারাদিন থেমে থেমে কয়েক দফা লড়াই চলেছে। এতে তাদের একজন নিহত ও দুজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের আজ সন্ধ্যার দিকে গোপন পথে দুদুকছড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র জঙ্গিদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়! স্থানীয় প্রতিরোধযোদ্ধারা তাদের চারদিক থেকে ঘেরাও করে রেখেছে। সন্তু লারমার পোষ্য জঙ্গিদের যেকোনো মুহূর্তে অকস্মাৎ বজ্রপাতে করুণ পরিণতি হতে পারে। এই লেখাটি যখন লিখছি, ঠিক সেই মুহূর্তে আবার জঙ্গিদের ওপর ৪০০ কিলোমিটার বেগে টর্নেডো বয়ে যাওয়ার খবর এসেছে। হয়তোবা এতক্ষণে প্রতিরোধযোদ্ধাদের তাণ্ডবে অনেক জঙ্গি পরপারের টিকেট নিশ্চিত হয়ে গেছে। এদিকে যুদ্ধের ভয়াবহতা আঁচ করতে পেরে সন্তু গ্রুপের ধুরন্ধর ও ফন্দিবাজ সমাজপ্রিয় চাকমা সাধারণ কর্মীদের যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যুর মুখে নিক্ষেপ করে চুপিসারে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে গেছেন। তিনি এখন আগরতলা ও গন্ধাছড়ার মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং আয়েশি জীবন উপভোগ করছেন- এমনটা জানাচ্ছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা। কারণ, তিনি জীবন দিতে জেএসএসে যোগ দেননি; জীবন রক্ষার জন্য, জীবনকে উপভোগ করার জন্যই সন্তু গ্রুপে আশ্রয় নিয়েছেন মাত্র। সমাজপ্রিয়র উদ্দেশ্য হলো সন্তু গ্রুপের ওপর ভর করে নিজের অবৈধ সীমান্ত-ড্রাগ ব্যবসার সাম্রাজ্যকে নিরাপদ করা এবং বিলাসিতায় জীবন পার করে দেওয়া; জেএসএসকে ভালোবেসে তার জন্য জানপ্রাণ দেওয়া নয়! এখন পানছড়ি দখলের জিগির তুলে যেভাবে সাধারণ কর্মীদের অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করে তিনি নিজে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন, তা তার নেতৃত্বের প্রকৃত চরিত্রের একটি জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত।
১৭৩
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে শাসকশ্রেণি ও সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে জনসংহতি সমিতি (সন্তু গ্রুপ) শুরু করা যুদ্ধের তীব্রতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। আজ সারাদিন থেমে থেমে কয়েক দফা লড়াই চলেছে। এতে তাদের একজন নিহত ও দুজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের আজ সন্ধ্যার দিকে গোপন পথে দুদুকছড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র জঙ্গিদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়! স্থানীয় প্রতিরোধযোদ্ধারা তাদের চারদিক থেকে ঘেরাও করে রেখেছে। সন্তু লারমার পোষ্য জঙ্গিদের যেকোনো মুহূর্তে অকস্মাৎ বজ্রপাতে করুণ পরিণতি হতে পারে। এই লেখাটি যখন লিখছি, ঠিক সেই মুহূর্তে আবার জঙ্গিদের ওপর ৪০০ কিলোমিটার বেগে টর্নেডো বয়ে যাওয়ার খবর এসেছে। হয়তোবা এতক্ষণে প্রতিরোধযোদ্ধাদের তাণ্ডবে অনেক জঙ্গি পরপারের টিকেট নিশ্চিত হয়ে গেছে।
এদিকে যুদ্ধের ভয়াবহতা আঁচ করতে পেরে সন্তু গ্রুপের ধুরন্ধর ও ফন্দিবাজ সমাজপ্রিয় চাকমা সাধারণ কর্মীদের যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যুর মুখে নিক্ষেপ করে চুপিসারে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে গেছেন। তিনি এখন আগরতলা ও গন্ধাছড়ার মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং আয়েশি জীবন উপভোগ করছেন- এমনটা জানাচ্ছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা। কারণ, তিনি জীবন দিতে জেএসএসে যোগ দেননি; জীবন রক্ষার জন্য, জীবনকে উপভোগ করার জন্যই সন্তু গ্রুপে আশ্রয় নিয়েছেন মাত্র।
সমাজপ্রিয়র উদ্দেশ্য হলো সন্তু গ্রুপের ওপর ভর করে নিজের অবৈধ সীমান্ত-ড্রাগ ব্যবসার সাম্রাজ্যকে নিরাপদ করা এবং বিলাসিতায় জীবন পার করে দেওয়া; জেএসএসকে ভালোবেসে তার জন্য জানপ্রাণ দেওয়া নয়!
এখন পানছড়ি দখলের জিগির তুলে যেভাবে সাধারণ কর্মীদের অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করে তিনি নিজে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন, তা তার নেতৃত্বের প্রকৃত চরিত্রের একটি জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।