রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার মারিশ্যার দুই টিলা এলাকায় চাঁদা উত্তোলনকালে অস্ত্রসহ চারজনকে আটক করেও ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। এ নিয়ে এলাকার জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর ২০২৬) বিকাল ৩টার সময় মারিশ্যা দুই টিলা এলাকায় একটি চায়ের দোকানে হানা দেয় স্থানীয় দুইটিলা সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন হাসানের নেতৃত্বে একদল সেনা সদস্য। সেখানে চাঁদা উত্তোলন করার সময় তারা সঞ্জীবন চাকমা নামে একজনকে আটক করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পার্শ্ববর্তী ইউসুফ নবীর বাড়ি ঘেরাও করে সেখান থেকে তার সহযোগী সুজন চাকমা, বিশাল চাকমা ও সমর চাকমাকেও সেনারা আটক করে। তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি অস্ত্রও (এলজি) সেনারা উদ্ধার করে বলে সেখানকার স্থানীয়রা জানান। স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, সেনাবাহিনীর সদস্যরা মনে করেছিল উক্ত চার জন ইউপিডিএফের কর্মী। কিন্তু আটকের পর তারা জানতে পারে যে, আটক ব্যক্তিরা সেনাবাহিনীরই পৃষ্ঠপোষিত একটি দলের সদস্য। ফলে এতে তারা ভীষণ লজ্জায় পড়ে যায়। পরে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সেনারা আটক চারজনকে ছেড়ে দেয়। অস্ত্রসহ চাঁদাবাজি করলেও তারা যেন কোন অপরাধই করেনি! এদিকে, সেনাবাহিনীর এমন কাণ্ডে এলাকার জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এলাকার সাধারণ জনগণের প্রশ্ন, সেনাবাহিনী যখন অস্ত্রসহ চাঁদা আদায়কালে হাতেনাতে আটক করেও ছেড়ে দেয়, তাহলে তারা কেন ‘অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী’ খোঁজে রাত-বিরাতে সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালায়, নিপীড়ন-নির্যাতন ও হয়রানি করে? সেনাবাহিনী কী এর জবাব দেবে?
১১৩
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার মারিশ্যার দুই টিলা এলাকায় চাঁদা উত্তোলনকালে অস্ত্রসহ চারজনকে আটক করেও ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। এ নিয়ে এলাকার জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর ২০২৬) বিকাল ৩টার সময় মারিশ্যা দুই টিলা এলাকায় একটি চায়ের দোকানে হানা দেয় স্থানীয় দুইটিলা সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন হাসানের নেতৃত্বে একদল সেনা সদস্য। সেখানে চাঁদা উত্তোলন করার সময় তারা সঞ্জীবন চাকমা নামে একজনকে আটক করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পার্শ্ববর্তী ইউসুফ নবীর বাড়ি ঘেরাও করে সেখান থেকে তার সহযোগী সুজন চাকমা, বিশাল চাকমা ও সমর চাকমাকেও সেনারা আটক করে। তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি অস্ত্রও (এলজি) সেনারা উদ্ধার করে বলে সেখানকার স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, সেনাবাহিনীর সদস্যরা মনে করেছিল উক্ত চার জন ইউপিডিএফের কর্মী। কিন্তু আটকের পর তারা জানতে পারে যে, আটক ব্যক্তিরা সেনাবাহিনীরই পৃষ্ঠপোষিত একটি দলের সদস্য। ফলে এতে তারা ভীষণ লজ্জায় পড়ে যায়। পরে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সেনারা আটক চারজনকে ছেড়ে দেয়। অস্ত্রসহ চাঁদাবাজি করলেও তারা যেন কোন অপরাধই করেনি!
এদিকে, সেনাবাহিনীর এমন কাণ্ডে এলাকার জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এলাকার সাধারণ জনগণের প্রশ্ন, সেনাবাহিনী যখন অস্ত্রসহ চাঁদা আদায়কালে হাতেনাতে আটক করেও ছেড়ে দেয়, তাহলে তারা কেন ‘অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী’ খোঁজে রাত-বিরাতে সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালায়, নিপীড়ন-নির্যাতন ও হয়রানি করে? সেনাবাহিনী কী এর জবাব দেবে?
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।