ঢাকাশুক্রবার , ১২ জুন ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

​মেধা নয়, কোটার জোরে পুলিশের পোশাক: অস্ত্র সমর্পণ করে পুলিশ হওয়া প্রিয়দর্শীর আসল পরিচয়

অনলাইন ডেস্ক
জুন ১২, ২০২৬ ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

৫৯৭

কে এই তথাকথিত “ট্রাফিক পুলিশ” প্রিয়দর্শী চাকমা?

ঘিলাছড়ি বাজার এলাকার লারমা গোজার এক সাবেক শান্তিবাহিনী সদস্য, যে নিজের আদর্শ ও সংগ্রামকে স্রেফ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিকিয়ে দিয়ে “আত্মসমর্পণ কোটায়” পুলিশের একটি চাকরি বাগিয়ে নিয়েছে, আজ সেই লোকটিই ফেসবুকে বড় বড় বুলি আউড়ে নিজেকে বীর হিসেবে জাহির করার ধৃষ্টতা দেখায়। স্বার্থের লোভে অন্ধ হয়ে পার্বত্য চুক্তির ঠিক প্রাক্কালে, যখন সে আঁচ করতে পারে শান্তিবাহিনী অস্ত্র সমর্পণ করবে এবং বিনিময়ে সরকারি চাকরি মিলবে – ঠিক তখনই সুযোগসন্ধানী এই ব্যক্তি সন্তু লারমার আত্মীয় বলে ভুয়া পরিচয় জুড়ে দিয়ে “লারমা গোজা” কোটায় কয়েক মাসের জন্য শান্তিবাহিনীতে অনুপ্রবেশ করে, অস্ত্র সমর্পণ করে এবং কৌশলে সরকারি ট্রাফিক পুলিশের পদ ছিনিয়ে নেয়। জুম্ম জনগণের রক্তে কেনা বন্দুক স্রেফ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে সরকারি চাকরি হাসিল করার মধ্যে কী এমন গৌরব আছে, তা কি এই তথাকথিত ট্রাফিক পুলিশ প্রিয়দর্শী একবারও ভেবে দেখেছে?

প্রিয়দর্শী চাকমা সম্পর্কে পুনরায় কলম ধরার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা ছিল না, কিন্তু তার সাম্প্রতিক ভিডিওতে যে স্পর্ধিত মিথ্যাচার করা হয়েছে, তার প্রতিবাদে এই লেখা লিখতে বাধ্য হলাম।

তার ভাইপো লিটন চাকমা – চাকমা কালচারাল কাউন্সিল অফ বাংলাদেশ, সিএইচটি জুম ইংলিশ একাডেমি এবং ঘিলাছড়ি মাগুরুম ইংলিশ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক – একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক, যিনি নিরলসভাবে জুম্ম সমাজের শিক্ষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। অথচ এই গঠনমূলক কর্মকাণ্ডকে ভেঙে দিতে প্রিয়দর্শী চাকমা দীর্ঘদিন ধরে নোংরা ভিলেজ পলিটিক্সের জাল বিস্তার করে চলেছে। ২০২২ সালে চট্টগ্রামে জুম্ম সম্প্রদায় লিটন চাকমাকে এক বিশেষ সম্মাননা প্রদান করে। সেই অনুষ্ঠানে অতিথি আমন্ত্রণ ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিল শান্তিবাহিনীর সাবেক সদস্য, এই ট্রাফিক পুলিশ প্রিয়দর্শী চাকমার হাতে। কিন্তু নিজের ভাইপো কেন এই সম্মান পাচ্ছে, এই হীন ঈর্ষায় দগ্ধ হয়ে সে আমন্ত্রণ জানানো তো দূরের কথা, লিটন চাকমা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলেও তার সঙ্গে সৌজন্যমূলক একটি বাক্যও বিনিময় করেনি। মঞ্চে একে একে সকল অতিথিকে আসন গ্রহণের আহ্বান জানানো হলেও, বিদ্বেষ ও পরশ্রীকাতরতায় অন্ধ হয়ে এই প্রিয়দর্শী চাকমা তার নিজের ভাইপোকে মঞ্চে ডাকার সৌজন্যটুকুও দেখায়নি। মুখ কালো করে স্পিকার হাতে নিয়ে নিজেকে জাহির করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে – ঠিক যেমন গতকাল তার ফেসবুক পেজের ভিডিওতে আত্মপ্রচারের নির্লজ্জ প্রদর্শনী চালিয়েছে। এমনকি ঘিলাছড়ি বাজারের বাজার চৌধুরী পদেও সে ভাগ বসানোর লোভ সামলাতে পারছে না। বাজার চৌধুরী পদটি নিয়েও সে ভিলেজ পলিটিক্স করছে। তাকে ভিলেজ পলিটিক্সের ওস্তাদ বললেও ভুল বলা হবে না। এই হলো সেই স্বঘোষিত “মানবতার ফেরিওয়ালা”র আসল চরিত্র।

পরকীয়ায় জড়িত তার চেলাচামুণ্ডাদের নাম এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না; কিন্তু তার পক্ষ নিয়ে কেউ মুখ খুললে তাদের আসল রূপও উন্মোচিত হবে। উৎপল চাকমা, ওরফে “বাপ কা বেটা”, শান্তিবাহিনী ট্রাফিক পুলিশের অন্যতম প্রধান চেলা। সেই বাপ কা বেটার কুকীর্তির ফিরিস্তি দেওয়া বাহুল্য মাত্র – কত নিরীহ তরুণীর জীবন সে ছিন্নভিন্ন করেছে, তার কোনো হিসাব নেই।

এই ট্রাফিক পুলিশ কমবয়সী তরুণীদের চিক্কো, পরাণ, ধন, লক্ষ্মী বলে মিষ্টি মিষ্টি ডাক দিয়ে প্রথমে মানবিক সংগঠনের নামে প্রলোভনের জাল বিস্তার করে, তারপর ট্যুরের অজুহাতে নানা স্থানে নিয়ে যায়। তার এই শিকারের তালিকা দীর্ঘ। রাঙামাটি সদর, কাউখালী, নানিয়ারচর তো বটেই, খাগড়াছড়ি থেকেও তার “পরাণ” তরুণীর অভাব নেই। নারীদের সম্মান রক্ষার্থে এখানে তাদের নাম প্রকাশ করা হলো না। পাঠকবৃন্দ নিজেরাই তার ফেসবুক পেজে একবার দৃষ্টি দিলে বুঝতে পারবেন, এই তথাকথিত ট্রাফিক পুলিশ কতটা লজ্জাহীন, নির্লজ্জ ও বেপরোয়া চরিত্রের অধিকারী। তার স্ত্রী তার এসব অপকর্মের ব্যাপারে ভালোই জানেন, সেজন্য পরিবারে এই কার্যকলাপ নিয়ে প্রায়ই বাকবিতণ্ডা হয়। চট্টগ্রাম শহরের জুম্মরাও অনেকেই এই ব্যাপারে ভালোই জানেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।