রাঙামাটির মরংছড়ি গ্রামে জেএসএস সন্তু গ্রুপের ‘ভাতের অর্ডার’
জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়নের মরংছড়ি গ্রামের লোকজনকে তাদের জন্য ১৫ কেজি চালের ভাত ও তরকারি রান্না করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে। একটি সূত্র জানায়, আজ ২৩ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টার দিকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের একটি দল সাপছড়ি পুলিশ ক্যাম্পের পাশ দিয়ে রাঙামাটি–চট্টগ্রাম সড়ক পার হয়ে আনুমানিক এক কিলোমটার উত্তরে মরংছড়ি এলাকায় যায় এবং গ্রামের লোকজনকে তাদের জন্য খানা প্রস্তুত করার নির্দেশ দেয়। উল্লেখ্য, উক্ত গ্রামের পাশে মোনতলা আদাম স্কুলে ২০ জনের মতো সেনাবাহিনীর একটি দল গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে অবস্থান করছে। স্থানীয়দের ধারণা সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীদের নিরাপত্তা দিতে সেনারা সেখানে অবস্থান নিয়েছে। মরংছড়ি থেকে সেনাদের অবস্থানের দূরত্ব মাত্র ৫০০ গজের মতো। তবে, সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীরা মরংছড়িতে পৌঁছার পর সেনা সদস্যরা ফুরমোন ক্যাম্পে ফিরে গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ইতিপূর্বে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা মরংছড়ির পাশের গ্রাম নারেইছড়িতে অবস্থান করেছিল। সে সময়ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকটি দল তাদেরকে নিরাপত্তা দেয়। অবশ্য সন্ত্রাসীরা পরে সেখান থেকে তাদের আস্তানা ঘাগড়ার আমছড়িতে ফিরে যায়। সেনাবাহিনীর পাহারায় সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীদের অবস্থান, বিচরণ গ্রামবাসীদের হয়রানি জনমনে অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সেনাবাহিনীই যে সন্ত্রাসের আসল পৃষ্ঠপোষক তা সবার চোখে স্পষ্ট হয়েছে। অপরদিকে জেএসএস সন্তু গ্রুপ যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে মিলে জুম্ম জাতিকে ধ্বংসের খেলায় উন্মত্তভাবে নেমেছে, তাও সাধারণ জনগণ বুঝে গেছে। তারা বাধ্য হয়ে জাত-বিরোধী সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীদের জন্য খানা প্রস্তুত করে দিতে বাধ্য হলেও, ভেতরে ভেতরে তুষের আগুনের মতো জ্বলছে। জনগণ বেশিদিন আর এসব সহ্য করবে না। স্বজাতি রক্ষার জন্য তারা অবশ্যই একতাবদ্ধ হয়ে সন্তু গ্রুপকে মোকাবিলা করবে। কারণ এছাড়া তাদের সামনে আর কোন পথ খোলা নেই।
১২৩
জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়নের মরংছড়ি গ্রামের লোকজনকে তাদের জন্য ১৫ কেজি চালের ভাত ও তরকারি রান্না করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে।
একটি সূত্র জানায়, আজ ২৩ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টার দিকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের একটি দল সাপছড়ি পুলিশ ক্যাম্পের পাশ দিয়ে রাঙামাটি–চট্টগ্রাম সড়ক পার হয়ে আনুমানিক এক কিলোমটার উত্তরে মরংছড়ি এলাকায় যায় এবং গ্রামের লোকজনকে তাদের জন্য খানা প্রস্তুত করার নির্দেশ দেয়।
উল্লেখ্য, উক্ত গ্রামের পাশে মোনতলা আদাম স্কুলে ২০ জনের মতো সেনাবাহিনীর একটি দল গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে অবস্থান করছে। স্থানীয়দের ধারণা সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীদের নিরাপত্তা দিতে সেনারা সেখানে অবস্থান নিয়েছে।
মরংছড়ি থেকে সেনাদের অবস্থানের দূরত্ব মাত্র ৫০০ গজের মতো।
তবে, সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীরা মরংছড়িতে পৌঁছার পর সেনা সদস্যরা ফুরমোন ক্যাম্পে ফিরে গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ইতিপূর্বে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা মরংছড়ির পাশের গ্রাম নারেইছড়িতে অবস্থান করেছিল। সে সময়ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকটি দল তাদেরকে নিরাপত্তা দেয়। অবশ্য সন্ত্রাসীরা পরে সেখান থেকে তাদের আস্তানা ঘাগড়ার আমছড়িতে ফিরে যায়।
সেনাবাহিনীর পাহারায় সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীদের অবস্থান, বিচরণ গ্রামবাসীদের হয়রানি জনমনে অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সেনাবাহিনীই যে সন্ত্রাসের আসল পৃষ্ঠপোষক তা সবার চোখে স্পষ্ট হয়েছে। অপরদিকে জেএসএস সন্তু গ্রুপ যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে মিলে জুম্ম জাতিকে ধ্বংসের খেলায় উন্মত্তভাবে নেমেছে, তাও সাধারণ জনগণ বুঝে গেছে।
তারা বাধ্য হয়ে জাত-বিরোধী সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীদের জন্য খানা প্রস্তুত করে দিতে বাধ্য হলেও, ভেতরে ভেতরে তুষের আগুনের মতো জ্বলছে।
জনগণ বেশিদিন আর এসব সহ্য করবে না। স্বজাতি রক্ষার জন্য তারা অবশ্যই একতাবদ্ধ হয়ে সন্তু গ্রুপকে মোকাবিলা করবে। কারণ এছাড়া তাদের সামনে আর কোন পথ খোলা নেই।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।