অসুস্থ শিশুকে ওষুধ সেবনে বাধা ও দুই ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ, বর্মাছড়িতে বিক্ষোভ
খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়িতে সেনা অভিয়ানের নামে অসুস্থ শিশুকে ওষুধ সেবন করাতে বাধাদান, নিরীহ দুই ব্যক্তিকে মারধর ও এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে দাগী সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে নির্যাতন ও হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। আজ রবিবার (৪ অক্টোবর ২০২৬) বিকাল ৪টার সময় বর্মাছড়ি এলাকাবাসী’র ব্যানারে হুদুকছড়ি বাজারে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীসহ এলাকার জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি হুদুকছড়ি বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করার পর সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, এলাকার যুব প্রতিনিধি উথাইঅং মারমা, সুমন চাকমা ও কংলাউ মারমা এবং সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের লক্ষীছড়ি উপজেলা সভাপতি প্রাচুর্য চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের লক্ষীছড়ি উপজেলা সাধারণ সম্পাদক এলি চাকমা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের লক্ষীছড়ি উপজেলা আহ্বায়ক অংক্রই মারমা। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, গত ৩ অক্টোবর লক্ষীছড়ি সেনাজেনের বিপুল সংখ্যক সেনা সদস্য দাগী সন্ত্রাসী মুখোশদের সাথে নিয়ে বর্মাছড়ি ইউনিয়নের দেওয়ান পাড়া ও বৈদ্যপাড়ায় হয়রানিমূলক অভিযান চালায়। এ সময় সেনা-সন্ত্রাসীরা এক অসুস্থ শিশুকে ওষুধ সেবন করাতে বাধা দেয় ও অসুস্থ শিশুটিকে একা বাড়িতে ফেলে রেখে তার দাদু বৃষ কুমার চাকমাকে ধরে নিয়ে ও মারধর করে। এছাড়া সেনা-মুখোশরা দেওয়ান পাড়ার বাসিন্দা বসন্ত চাকমাকেও নিজ বাড়িতে অমানুষিকভাবে মারধর করে এবং বাড়ি থেকে অন্যত্র ধরে নিয়ে নিয়ে আটক করে রাখে। পরে এলাকার নারীরা প্রতিবাদ জানালে তাদের দু’জনকে মুক্তি দেওয়া হয়। তারা বলেন, একজন সেনা কমান্ডার বৃষ কুমার চাকমাকে বলেছেন, ‘তোমার নাতি মারা গেলেও ওষুধ-পানি খাওয়ানো যাবে না’। একজন অসুস্থ শিশুকে এভাবে ওষুধ সেবন করাতে বাধাদান এবং নিরীহ দুই ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এর জন্য সেনাবাহিনীকে জবাব দিতে হবে এবং এ ঘটনায় জড়িত সেনা-সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, দাগী সন্ত্রাসী মুখোশদের সাথে নিয়ে সেনাবাহিনী প্রতিনিয়তই বর্মাছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে রাত-বিরাতে হানা দিয়ে সাধারণ জনগণের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন চালিয়ে থাকে। বিনা অপরাধে কখন যে কার বাড়ি ঘেরাও-তল্লাশি করা হয়, কার ওপর নিপীড়ন চালানো হয় তার কোনো গ্যারান্টি নেই। ফলে এখানকার জনগণকে সবসময় আতঙ্কের মধ্যে দিনযাপন করতে হচ্ছে। তারা অবিলম্বে সাধারণ জনগণের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন বন্ধের দাবি জানিয়ে বলেন, জনগণ আর কোনো অন্যায়-অবিচার বরদাস্ত করবে না। সেনাবাহিনীর এমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তারা সকল অন্যায়-অত্যাচরের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে দাগী সন্ত্রাসী-খুনি মুখোশদের গ্রেফতারপূর্বক তাদেরকে জনগণের ওপর নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করা, প্রমোশনলোভী সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সাধারণ জনগণের ওপর অন্যায়-অত্যাচার সম্পূর্ণ বন্ধ করার দাবি জানান।
৯১
খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়িতে সেনা অভিয়ানের নামে অসুস্থ শিশুকে ওষুধ সেবন করাতে বাধাদান, নিরীহ দুই ব্যক্তিকে মারধর ও এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে দাগী সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে নির্যাতন ও হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।
আজ রবিবার (৪ অক্টোবর ২০২৬) বিকাল ৪টার সময় বর্মাছড়ি এলাকাবাসী’র ব্যানারে হুদুকছড়ি বাজারে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীসহ এলাকার জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি হুদুকছড়ি বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করার পর সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, এলাকার যুব প্রতিনিধি উথাইঅং মারমা, সুমন চাকমা ও কংলাউ মারমা এবং সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের লক্ষীছড়ি উপজেলা সভাপতি প্রাচুর্য চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের লক্ষীছড়ি উপজেলা সাধারণ সম্পাদক এলি চাকমা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের লক্ষীছড়ি উপজেলা আহ্বায়ক অংক্রই মারমা।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, গত ৩ অক্টোবর লক্ষীছড়ি সেনাজেনের বিপুল সংখ্যক সেনা সদস্য দাগী সন্ত্রাসী মুখোশদের সাথে নিয়ে বর্মাছড়ি ইউনিয়নের দেওয়ান পাড়া ও বৈদ্যপাড়ায় হয়রানিমূলক অভিযান চালায়। এ সময় সেনা-সন্ত্রাসীরা এক অসুস্থ শিশুকে ওষুধ সেবন করাতে বাধা দেয় ও অসুস্থ শিশুটিকে একা বাড়িতে ফেলে রেখে তার দাদু বৃষ কুমার চাকমাকে ধরে নিয়ে ও মারধর করে। এছাড়া সেনা-মুখোশরা দেওয়ান পাড়ার বাসিন্দা বসন্ত চাকমাকেও নিজ বাড়িতে অমানুষিকভাবে মারধর করে এবং বাড়ি থেকে অন্যত্র ধরে নিয়ে নিয়ে আটক করে রাখে। পরে এলাকার নারীরা প্রতিবাদ জানালে তাদের দু’জনকে মুক্তি দেওয়া হয়।
তারা বলেন, একজন সেনা কমান্ডার বৃষ কুমার চাকমাকে বলেছেন, ‘তোমার নাতি মারা গেলেও ওষুধ-পানি খাওয়ানো যাবে না’। একজন অসুস্থ শিশুকে এভাবে ওষুধ সেবন করাতে বাধাদান এবং নিরীহ দুই ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এর জন্য সেনাবাহিনীকে জবাব দিতে হবে এবং এ ঘটনায় জড়িত সেনা-সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, দাগী সন্ত্রাসী মুখোশদের সাথে নিয়ে সেনাবাহিনী প্রতিনিয়তই বর্মাছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে রাত-বিরাতে হানা দিয়ে সাধারণ জনগণের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন চালিয়ে থাকে। বিনা অপরাধে কখন যে কার বাড়ি ঘেরাও-তল্লাশি করা হয়, কার ওপর নিপীড়ন চালানো হয় তার কোনো গ্যারান্টি নেই। ফলে এখানকার জনগণকে সবসময় আতঙ্কের মধ্যে দিনযাপন করতে হচ্ছে।
তারা অবিলম্বে সাধারণ জনগণের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন বন্ধের দাবি জানিয়ে বলেন, জনগণ আর কোনো অন্যায়-অবিচার বরদাস্ত করবে না। সেনাবাহিনীর এমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তারা সকল অন্যায়-অত্যাচরের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে দাগী সন্ত্রাসী-খুনি মুখোশদের গ্রেফতারপূর্বক তাদেরকে জনগণের ওপর নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করা, প্রমোশনলোভী সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সাধারণ জনগণের ওপর অন্যায়-অত্যাচার সম্পূর্ণ বন্ধ করার দাবি জানান।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।