খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়িতে ঠ্যাঙাড়ে দুর্বৃত্তদের সাথে নিয়ে সেনাবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে অন্তত দু’জনের বাড়ি ঘেরাও, দুজনকে আটক ও বর্মাছড়ি বাজারগামী লোকজনের কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে অভিযানের বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মধ্যরাত ১:০০টার সময় লক্ষীছড়ি সেনা জোন থেকে বিপুল সংখ্যক সেনা সদস্য বর্মাছড়ির শুকনাছড়ি ক্যাম্পে এসে জড়ো হয়। এরপর রাত ২টার দিকে ১৫০ জনের মতো সেনাবাহিনীর একটি দল বর্মাছড়ি ইউনিয়নের দেওয়ান পাড়া ও বৈদ্য পাড়ায় হানা দেয়। এ সময় সেনারা কালাচাঁন কার্বারীর ছেলে বসন্ত চাকমা ও আরেক বাসিন্দা প্রমোদ চাকমার বাড়ি ঘেরাও করে। তবে তাদের বাড়িতে তল্লাশি কিংবা সেখানে কাউকে আটক করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি। সেনাদের সাথে উৎপল চাকমাসহ অপরচিত আরো দু’জন ঠ্যাঙাড়ে দুর্বৃত্ত রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এছাড়া আজ শনিবার বর্মাছড়ি বাজারে হাটবাজারের দিন হওয়ায় বাজারগামী লোকজনের কাছ থেকে সেনারা মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া সেনারা দু’জনকে আটক করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। সকাল ৭টার সময় সেনারা বৈদ্যপাড়া এলাকার হাজাছড়ি গ্রামে অবস্থান করার কথা জানান স্থানীয়রা। গভীর রাতে সেনাবাহিনীর এমন অভিযানের ফলে এলাকার জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তাদের এমন কার্যক্রম বিশেষত ঠ্যাঙাড়ে দুর্বৃত্তদের সাথে নিয়ে অভিযান পরিচালনা সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে মনে করছেন এলাকার মুরুব্বী ও সচেতন মহল।
১০৫
খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়িতে ঠ্যাঙাড়ে দুর্বৃত্তদের সাথে নিয়ে সেনাবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে অন্তত দু’জনের বাড়ি ঘেরাও, দুজনকে আটক ও বর্মাছড়ি বাজারগামী লোকজনের কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে অভিযানের বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মধ্যরাত ১:০০টার সময় লক্ষীছড়ি সেনা জোন থেকে বিপুল সংখ্যক সেনা সদস্য বর্মাছড়ির শুকনাছড়ি ক্যাম্পে এসে জড়ো হয়। এরপর রাত ২টার দিকে ১৫০ জনের মতো সেনাবাহিনীর একটি দল বর্মাছড়ি ইউনিয়নের দেওয়ান পাড়া ও বৈদ্য পাড়ায় হানা দেয়। এ সময় সেনারা কালাচাঁন কার্বারীর ছেলে বসন্ত চাকমা ও আরেক বাসিন্দা প্রমোদ চাকমার বাড়ি ঘেরাও করে। তবে তাদের বাড়িতে তল্লাশি কিংবা সেখানে কাউকে আটক করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
সেনাদের সাথে উৎপল চাকমাসহ অপরচিত আরো দু’জন ঠ্যাঙাড়ে দুর্বৃত্ত রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এছাড়া আজ শনিবার বর্মাছড়ি বাজারে হাটবাজারের দিন হওয়ায় বাজারগামী লোকজনের কাছ থেকে সেনারা মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া সেনারা দু’জনকে আটক করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
সকাল ৭টার সময় সেনারা বৈদ্যপাড়া এলাকার হাজাছড়ি গ্রামে অবস্থান করার কথা জানান স্থানীয়রা।
গভীর রাতে সেনাবাহিনীর এমন অভিযানের ফলে এলাকার জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তাদের এমন কার্যক্রম বিশেষত ঠ্যাঙাড়ে দুর্বৃত্তদের সাথে নিয়ে অভিযান পরিচালনা সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে মনে করছেন এলাকার মুরুব্বী ও সচেতন মহল।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।