ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের
গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষায় শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও নিরাপদ ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান আজ ৪ আগস্ট গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, গতকাল এবং আজ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসাসহ সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ছাত্রসমাজ ও জনসাধারণকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে। এসব ঘটনা গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশকে বিনষ্ট করছে। ছাত্র-শিক্ষকরা অনিরাপদ বোধ করছেন এবং স্বাভাবিক ক্লাস-পরীক্ষা বিঘ্নিত হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস-দখলদারিত্ব ও ভিন্নমত দমনের বিরুদ্ধে দেশের শিক্ষার্থীরা লড়াই করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা সেই দখলদার রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ও নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছিল। কিন্তু আমরা দেখেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের চক্রান্ত ও মব সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে সেই গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে পদদলিত করা হয়েছিল। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, শাসকশ্রেণির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল-ছাত্রশিবির ছাত্রলীগের সেই দখলদারিত্বের রাজনীতিকে-ই পুনঃপ্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ক্যাম্পাস দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা প্রমাণ করে যে, শিক্ষাঙ্গনকে এখনো রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের ক্ষেত্র হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এই আধিপত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যারা কথা বলছেন–তাঁরা হামলার শিকার হচ্ছেন। আজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষার্থে ছাত্রদের পক্ষে দাঁড়িয়ে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসীব হামলার শিকার হয়েছেন।” নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, “উদ্বেগজনক বিষয় হলো এসব সংঘর্ষের ঘটনায় সরকার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। তাদের এই নীরবতা কার্যত দখলদারিত্ব ও সহিংসতার রাজনীতিকেই প্রশ্রয় দিচ্ছে। আমরা অবিলম্বে সকল ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও সহিংসতা বন্ধ, সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানাই। একই সঙ্গে ছাত্রসমাজের প্রতি আহ্বান–সন্ত্রাস-দখলদারিত্বের রাজনীতির বিপরীতে শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও অধিকার আদায়ের রাজনীতিকে শক্তিশালী করুন।” বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকী, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি তামজিদ হায়দার চঞ্চল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি দিলীপ রায়, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি ছায়েদুল হক নিশান, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি সমর চাকমা এবং বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের সভাপতি তাওফিকা প্রিয়া।
৬৫
গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষায় শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও নিরাপদ ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
আজ ৪ আগস্ট গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, গতকাল এবং আজ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসাসহ সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ছাত্রসমাজ ও জনসাধারণকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে। এসব ঘটনা গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশকে বিনষ্ট করছে। ছাত্র-শিক্ষকরা অনিরাপদ বোধ করছেন এবং স্বাভাবিক ক্লাস-পরীক্ষা বিঘ্নিত হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস-দখলদারিত্ব ও ভিন্নমত দমনের বিরুদ্ধে দেশের শিক্ষার্থীরা লড়াই করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা সেই দখলদার রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ও নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছিল। কিন্তু আমরা দেখেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের চক্রান্ত ও মব সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে সেই গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে পদদলিত করা হয়েছিল। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, শাসকশ্রেণির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল-ছাত্রশিবির ছাত্রলীগের সেই দখলদারিত্বের রাজনীতিকে-ই পুনঃপ্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ক্যাম্পাস দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা প্রমাণ করে যে, শিক্ষাঙ্গনকে এখনো রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের ক্ষেত্র হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এই আধিপত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যারা কথা বলছেন–তাঁরা হামলার শিকার হচ্ছেন। আজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষার্থে ছাত্রদের পক্ষে দাঁড়িয়ে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসীব হামলার শিকার হয়েছেন।”
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, “উদ্বেগজনক বিষয় হলো এসব সংঘর্ষের ঘটনায় সরকার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। তাদের এই নীরবতা কার্যত দখলদারিত্ব ও সহিংসতার রাজনীতিকেই প্রশ্রয় দিচ্ছে। আমরা অবিলম্বে সকল ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও সহিংসতা বন্ধ, সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানাই। একই সঙ্গে ছাত্রসমাজের প্রতি আহ্বান–সন্ত্রাস-দখলদারিত্বের রাজনীতির বিপরীতে শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও অধিকার আদায়ের রাজনীতিকে শক্তিশালী করুন।”
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকী, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি তামজিদ হায়দার চঞ্চল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি দিলীপ রায়, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি ছায়েদুল হক নিশান, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি সমর চাকমা এবং বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের সভাপতি তাওফিকা প্রিয়া।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।