পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের চলমান ‘উন্নয়ন প্রকল্প পর্যালোচনা’ সভায় রাখা হয়নি কোন পাহাড়ি প্রতিনিধি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চলমান ও 'সবুজ পাতা'য় অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পসমূহের পর্যালোচনা সভায় কোন পাহাড়ি প্রতিনিধিকে না রাখায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। গতকাল সোমবার (৩ আগস্ট ২০২৬) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এমপি। এছাড়া সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, অতুল সরকার, কাজী তোফায়েল হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, পার্বত্য তিন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। তবে সভায় পাহাড়ি কোন প্রতিনিধির উপস্থিতি দেখা যায়নি মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেইজে প্রকাশ করা ছবিগুলোতে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রিভিউ সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- তুলা চাষ বৃদ্ধি ও কৃষক দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প; রাঙ্গামাটিতে সংযোগ সড়কসহ আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ; ক্লাইমেট রেসিলিয়েন্ট লাইভলিহুড ইম্প্রুভমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট (CRLIWM-CHT) প্রকল্প; টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান (২য় পর্যায়) প্রকল্প; খাগড়াছড়িতে মহালছড়ি-বাঘমারা ও হেমরঞ্জন পাড়া সড়ক নির্মাণ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প। তাছাড়া, সবুজ পাতায় বাছাইকৃত ২১টি প্রকল্পের মধ্য থেকে সরকারের বর্তমান ইশতেহারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ১৬টি গৃহীত প্রকল্প নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা হয়। সংস্থাভিত্তিক এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের জন্য ১২টি (প্রাক্কলিত ব্যয় ১,১৫৬ কোটি টাকা), বান্দরবান জেলা পরিষদের জন্য ১টি (ব্যয় ৪২ কোটি টাকা), রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের জন্য ৪টি (ব্যয় ১৯৫ কোটি টাকা) এবং খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের জন্য ৪টি (ব্যয় ১৯৬ কোটি টাকা) বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। সভায় অহেতুক অতিরিক্ত প্রকল্প না নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এমন বাস্তবসম্মত প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এদিকে, উক্ত সভায় কোন পাহাড়ি প্রতিনিধিকে না রাখায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে নানা প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্ট জনগণের মতামত ও প্রতিনিধিত্বকে উপেক্ষা করে বিএনপি সরকার পাহাড়ে কীসের বা কাদের উন্নয়ন করতে চায়? একজন লিখেন, “আলোচনা হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয় নিয়ে। পার্বত্য চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ নিয়ে। বিশেষ মন্ত্রণালয়- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে। দেখুন তো কোন পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ আছে কিনা সিদ্ধান্ত গ্রহণে, নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে? কি একখান কপাল পার্বত্যবাসীদের।
৫৪
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চলমান ও ‘সবুজ পাতা’য় অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পসমূহের পর্যালোচনা সভায় কোন পাহাড়ি প্রতিনিধিকে না রাখায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
গতকাল সোমবার (৩ আগস্ট ২০২৬) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এমপি। এছাড়া সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, অতুল সরকার, কাজী তোফায়েল হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, পার্বত্য তিন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। তবে সভায় পাহাড়ি কোন প্রতিনিধির উপস্থিতি দেখা যায়নি মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেইজে প্রকাশ করা ছবিগুলোতে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রিভিউ সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- তুলা চাষ বৃদ্ধি ও কৃষক দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প; রাঙ্গামাটিতে সংযোগ সড়কসহ আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ; ক্লাইমেট রেসিলিয়েন্ট লাইভলিহুড ইম্প্রুভমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট (CRLIWM-CHT) প্রকল্প; টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান (২য় পর্যায়) প্রকল্প; খাগড়াছড়িতে মহালছড়ি-বাঘমারা ও হেমরঞ্জন পাড়া সড়ক নির্মাণ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প।
তাছাড়া, সবুজ পাতায় বাছাইকৃত ২১টি প্রকল্পের মধ্য থেকে সরকারের বর্তমান ইশতেহারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ১৬টি গৃহীত প্রকল্প নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা হয়। সংস্থাভিত্তিক এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের জন্য ১২টি (প্রাক্কলিত ব্যয় ১,১৫৬ কোটি টাকা), বান্দরবান জেলা পরিষদের জন্য ১টি (ব্যয় ৪২ কোটি টাকা), রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের জন্য ৪টি (ব্যয় ১৯৫ কোটি টাকা) এবং খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের জন্য ৪টি (ব্যয় ১৯৬ কোটি টাকা) বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সভায় অহেতুক অতিরিক্ত প্রকল্প না নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এমন বাস্তবসম্মত প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এদিকে, উক্ত সভায় কোন পাহাড়ি প্রতিনিধিকে না রাখায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে নানা প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্ট জনগণের মতামত ও প্রতিনিধিত্বকে উপেক্ষা করে বিএনপি সরকার পাহাড়ে কীসের বা কাদের উন্নয়ন করতে চায়?
একজন লিখেন, “আলোচনা হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয় নিয়ে। পার্বত্য চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ নিয়ে। বিশেষ মন্ত্রণালয়- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে। দেখুন তো কোন পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ আছে কিনা সিদ্ধান্ত গ্রহণে, নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে? কি একখান কপাল পার্বত্যবাসীদের।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।