ইউপিডিএফ নেতা শহীদ রুইখই মারমার স্মরণে রামগড়ে পিসিপি-ডিওয়াইএফের প্রদীপ প্রজ্বলন
ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর কেন্দ্রীয় নেতা শহীদ রুইখই মারমার ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মরণে রামগড়ে প্রদীপ প্রজ্বলন করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম (ডিওয়াইএফ), রামগড় উপজেলা শাখা। আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টার সময় এই প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে এলাকার তিন শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী, কিশোর-কিশোরী ও যুবক-যুবতী অংশগ্রহন করেন। প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ রামগড় উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সুরেশ ত্রিপুরার সভাপতিত্বে ও রনি ত্রিপুরার সঞ্চালন বক্তব্য দেন, ইউপিডিএফের রামগড় ইউনিটের সংগঠক ত্রিদীপ চাকমা, ৩নং যোগ্যছোলা ইউনিয়নের সাবেক মেম্বর সুমন কান্তি চাকমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সদস্য রিকেন চাকমা ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের রামগড় উপজেলার তথ্য প্রচার সম্পাদক গুরিবাবু চাকমা। প্রদীপ প্রজ্বলনের আগে শহীদ রুইখই মারমাসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বক্তারা রুইখই মারমাকে স্মরণ করে বলেন, আজীবন সংগ্রামী রুইখই মারমা ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। পরে তিনি জনসংহতি সমিতিতে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালে জনসংহতি সমতির অভ্যন্তরে মতবিরোধের জেরে সংঘটিত গৃহযুদ্ধের পর তিনি দীর্ঘ সময় রাজনীতি থেকে দূরে ছিলে। পরে ১৯৯৮ সালে ইউপিডিএফ গঠিত হলে তাতে তিনি যোগ দেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলটিকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গেছেন। বক্তারা আরও বলেন, রুইখই মারমা ভূমি বেদখলের বিরুদ্ধেও ছিলেন সোচ্চার। তিনি লক্ষ্মীছড়ি, মানিকছড়ি ও রামগড় এলাকায় ভূমি বেদখলের বিরুদ্ধে জনগণকে সংগঠিত করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর আদর্শ ও চিন্তা-চেতনা ছাত্রসমাজকে অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং তাঁর অবদান পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ স্মরণ করবে বলেও তারা মন্তব্য করেন। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও রুইখই মারমাকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার এখনো হয়নি। তারা রুইখই মারমার হত্যার পরিকল্পনাকারী তৎকালীন লক্ষীছড়ি সেনাজোনের কমান্ডার লে. কর্ণেল শরীফুল ইসলামসহ খুনিদের আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার ও শাস্তির দাবি জানান। উল্লেখ, ২০০৯ সালের ২ অক্টোবর খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়ি ইউনিয়নের বটতলী নামক স্থানে সেনাবাহিনীর সৃষ্ট সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র হামলায় রুইখই মারমা শহীদ হন।
৭০
ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর কেন্দ্রীয় নেতা শহীদ রুইখই মারমার ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মরণে রামগড়ে প্রদীপ প্রজ্বলন করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম (ডিওয়াইএফ), রামগড় উপজেলা শাখা।
আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টার সময় এই প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে এলাকার তিন শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী, কিশোর-কিশোরী ও যুবক-যুবতী অংশগ্রহন করেন।
প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ রামগড় উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সুরেশ ত্রিপুরার সভাপতিত্বে ও রনি ত্রিপুরার সঞ্চালন বক্তব্য দেন, ইউপিডিএফের রামগড় ইউনিটের সংগঠক ত্রিদীপ চাকমা, ৩নং যোগ্যছোলা ইউনিয়নের সাবেক মেম্বর সুমন কান্তি চাকমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সদস্য রিকেন চাকমা ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের রামগড় উপজেলার তথ্য প্রচার সম্পাদক গুরিবাবু চাকমা।
প্রদীপ প্রজ্বলনের আগে শহীদ রুইখই মারমাসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বক্তারা রুইখই মারমাকে স্মরণ করে বলেন, আজীবন সংগ্রামী রুইখই মারমা ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। পরে তিনি জনসংহতি সমিতিতে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালে জনসংহতি সমতির অভ্যন্তরে মতবিরোধের জেরে সংঘটিত গৃহযুদ্ধের পর তিনি দীর্ঘ সময় রাজনীতি থেকে দূরে ছিলে। পরে ১৯৯৮ সালে ইউপিডিএফ গঠিত হলে তাতে তিনি যোগ দেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলটিকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গেছেন।
বক্তারা আরও বলেন, রুইখই মারমা ভূমি বেদখলের বিরুদ্ধেও ছিলেন সোচ্চার। তিনি লক্ষ্মীছড়ি, মানিকছড়ি ও রামগড় এলাকায় ভূমি বেদখলের বিরুদ্ধে জনগণকে সংগঠিত করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর আদর্শ ও চিন্তা-চেতনা ছাত্রসমাজকে অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং তাঁর অবদান পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ স্মরণ করবে বলেও তারা মন্তব্য করেন।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও রুইখই মারমাকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার এখনো হয়নি। তারা রুইখই মারমার হত্যার পরিকল্পনাকারী তৎকালীন লক্ষীছড়ি সেনাজোনের কমান্ডার লে. কর্ণেল শরীফুল ইসলামসহ খুনিদের আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার ও শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ, ২০০৯ সালের ২ অক্টোবর খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়ি ইউনিয়নের বটতলী নামক স্থানে সেনাবাহিনীর সৃষ্ট সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র হামলায় রুইখই মারমা শহীদ হন।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।