খাগড়াছড়িতে সেটলার হামলায় আহত বিমল ত্রিপুরার মৃত্য খাগড়াছড়িতে সেটলারদের হামলায় গুরুতর আহত বিমল ত্রিপুরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিমল ত্রিপুরা (৩৭) খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার কমলছড়ি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের নোয়া পাড়ার বাসিন্দা এবং মনোরাম ত্রিপুরার ছেলে। জানা যায়, কমলছড়ি ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়া (খালপাড়) এলাকায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ১৪ জানুয়ারি বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে থোয়াইহ্লাঅং চৌধুরীর সঙ্গে ভুয়াছড়ি গ্রামের আব্দুল বাশিরের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল। উক্ত জমিতে প্রায় ১০–১২ বছর আগে আমবাগান সৃজন করা হয় এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ঘটনার দিন থোয়াইহ্লাঅং চৌধুরী তার আমবাগান পরিষ্কার করতে শ্রমিক বিমল ত্রিপুরা ও মিলন চাকমাকে সঙ্গে নিয়ে গেলে আব্দুল বাশিরের নেতৃত্বে একদল সেটলার সেখানে এসে বাধা দেয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সেটলাররা ধারালো অস্ত্র নিয়ে থোয়াইহ্লাঅং চৌধুরী (৬৯), বিমল ত্রিপুরা ও মিলন চাকমা (৪০)-এর ওপর হামলা চালায়। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন। আহতদের খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিমল ত্রিপুরার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে চট্টগ্রামে রেফার করা হয়। পরবর্তীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে তার চিকিৎসা চলছিল। মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনি মারাত্মকভাবে জখম হন। এ ঘটনায় মংশিতু মারমার দায়ের করা মামলায় পুলিশ মো. আব্দুর রশিদ ও মো. আল আমিন নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানায়, আব্দুর রশিদকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী এবং আল আমিনকে কুমিল্লার কান্দিরপাড় এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৮৫
খাগড়াছড়িতে সেটলার হামলায় আহত বিমল ত্রিপুরার মৃত্য
খাগড়াছড়িতে সেটলারদের হামলায় গুরুতর আহত বিমল ত্রিপুরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বিমল ত্রিপুরা (৩৭) খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার কমলছড়ি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের নোয়া পাড়ার বাসিন্দা এবং মনোরাম ত্রিপুরার ছেলে।
জানা যায়, কমলছড়ি ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়া (খালপাড়) এলাকায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ১৪ জানুয়ারি বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে থোয়াইহ্লাঅং চৌধুরীর সঙ্গে ভুয়াছড়ি গ্রামের আব্দুল বাশিরের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল। উক্ত জমিতে প্রায় ১০–১২ বছর আগে আমবাগান সৃজন করা হয় এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
ঘটনার দিন থোয়াইহ্লাঅং চৌধুরী তার আমবাগান পরিষ্কার করতে শ্রমিক বিমল ত্রিপুরা ও মিলন চাকমাকে সঙ্গে নিয়ে গেলে আব্দুল বাশিরের নেতৃত্বে একদল সেটলার সেখানে এসে বাধা দেয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সেটলাররা ধারালো অস্ত্র নিয়ে থোয়াইহ্লাঅং চৌধুরী (৬৯), বিমল ত্রিপুরা ও মিলন চাকমা (৪০)-এর ওপর হামলা চালায়। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন।
আহতদের খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিমল ত্রিপুরার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে চট্টগ্রামে রেফার করা হয়। পরবর্তীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে তার চিকিৎসা চলছিল। মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনি মারাত্মকভাবে জখম হন।
এ ঘটনায় মংশিতু মারমার দায়ের করা মামলায় পুলিশ মো. আব্দুর রশিদ ও মো. আল আমিন নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানায়, আব্দুর রশিদকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী এবং আল আমিনকে কুমিল্লার কান্দিরপাড় এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।