খাগড়াছড়ি–রাঙামাটিতে জেএসএসের অবস্থান ঘিরে প্রশ্ন: বিএনপিকে জেতানোই কি মূল লক্ষ্য
খাগড়াছড়ি–রাঙামাটিতে জেএসএসের অবস্থান ঘিরে প্রশ্ন: বিএনপিকে জেতানোই কি মূল লক্ষ্য? পার্বত্য চট্টগ্রামের দুই আসনে জেএসএসের (সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন) রাজনৈতিক অবস্থান ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাঙামাটি ২৯৯ নং আসনে জেএসএসের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী দিপেন দেওয়ানকে সমর্থন দিচ্ছেন। অন্যদিকে খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং আসনে তারা সমর্থন দিচ্ছেন সমিরনকে, যিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তবে বিতর্কের মূল জায়গা হলো—সমিরন এখনও বিএনপির দলে বহাল রয়েছেন বলে নিজেই প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন। তিনি ওয়াদুদ ভূঁইয়াসহ বিএনপির নেতাদের সঙ্গে একসাথে কাজ করছেন বলেও জানিয়েছেন। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, বিএনপি কেন সমিরনকে দল থেকে বহিষ্কার করেনি, যেখানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় অনেককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সমিরনের বহিষ্কার না হওয়াটা ইঙ্গিত দেয় যে তিনি কার্যত বিএনপিরই একটি কৌশলগত বিকল্প প্রার্থী। ফলে খাগড়াছড়িতে সমিরনের জয় মানে বিএনপিরই রাজনৈতিক লাভ—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা। এদিকে জেএসএসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি—দুই আসনেই ভিন্ন প্রার্থীকে সমর্থন দিলেও বাস্তবে উভয় ক্ষেত্রেই বিএনপির পক্ষেই ফল যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে অনেকের প্রশ্ন—জেএসএস কেন প্রকাশ্যে স্বীকার করছে না যে তাদের মূল লক্ষ্য বিএনপিকে জেতানো? একই সঙ্গে জেএসএসের পক্ষ থেকে ‘ওয়াদুদকে জেতানোর জন্য মরিয়া’ বলে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেটিও রাজনৈতিক কৌশল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, এতে করে আসল রাজনৈতিক সমঝোতা ও উদ্দেশ্য আড়াল করার চেষ্টা চলছে।
২০৮
খাগড়াছড়ি–রাঙামাটিতে জেএসএসের অবস্থান ঘিরে প্রশ্ন: বিএনপিকে জেতানোই কি মূল লক্ষ্য?
পার্বত্য চট্টগ্রামের দুই আসনে জেএসএসের (সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন) রাজনৈতিক অবস্থান ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাঙামাটি ২৯৯ নং আসনে জেএসএসের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী দিপেন দেওয়ানকে সমর্থন দিচ্ছেন। অন্যদিকে খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং আসনে তারা সমর্থন দিচ্ছেন সমিরনকে, যিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
তবে বিতর্কের মূল জায়গা হলো—সমিরন এখনও বিএনপির দলে বহাল রয়েছেন বলে নিজেই প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন। তিনি ওয়াদুদ ভূঁইয়াসহ বিএনপির নেতাদের সঙ্গে একসাথে কাজ করছেন বলেও জানিয়েছেন। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, বিএনপি কেন সমিরনকে দল থেকে বহিষ্কার করেনি, যেখানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় অনেককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সমিরনের বহিষ্কার না হওয়াটা ইঙ্গিত দেয় যে তিনি কার্যত বিএনপিরই একটি কৌশলগত বিকল্প প্রার্থী। ফলে খাগড়াছড়িতে সমিরনের জয় মানে বিএনপিরই রাজনৈতিক লাভ—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা।
এদিকে জেএসএসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি—দুই আসনেই ভিন্ন প্রার্থীকে সমর্থন দিলেও বাস্তবে উভয় ক্ষেত্রেই বিএনপির পক্ষেই ফল যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে অনেকের প্রশ্ন—জেএসএস কেন প্রকাশ্যে স্বীকার করছে না যে তাদের মূল লক্ষ্য বিএনপিকে জেতানো?
একই সঙ্গে জেএসএসের পক্ষ থেকে ‘ওয়াদুদকে জেতানোর জন্য মরিয়া’ বলে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেটিও রাজনৈতিক কৌশল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, এতে করে আসল রাজনৈতিক সমঝোতা ও উদ্দেশ্য আড়াল করার চেষ্টা চলছে।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।