আজ ২৬ আগস্ট শহীদ লাল রিজাব বমের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৪ সালের এই দিনে বান্দরবানের রুমা থানাধীন কচ্ছপতলী সেনাক্যাম্পের নিকটে টহলরত সেনাসদস্যদের গুলিতে তিনি নিহত হন। সে সময় তাঁর বয়স ছিল ২৫ বছর। লাল রিজাব বম বান্দরবান জেলার রুমা থানাধীন হেব্রন পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সক্রিয় সমর্থক ছিলেন বলে জানা যায়। যেভাবে নিহত হন লাল রিজাব বম ১৯৯৪ সালের ২৬ আগস্ট লাল রিজাব বম ও তাঁর এক সঙ্গীসহ আত্মীয়ের মৃত্যুসংবাদ নিয়ে অন্য একটি গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে কচ্ছপতলী সেনাক্যাম্পের নিকটে টহলরত সেনাসদস্যরা তাঁদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তাঁরা সেখান থেকে চলে যেতে চাইলে টহলরত সেনা সদস্যরা কোনো ধরনের হুঁশিয়ারি ছাড়াই গুলি চালান। এতে লাল রিজাব বম নিহত হন। পরে তাঁর মরদেহ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় । এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তি পাশের জঙ্গলে লুকিয়ে প্রাণে বেঁচে যান। পরদিন গ্রামবাসীরা ঘটনাটি জানতে পেরে ক্যাম্পে গিয়ে লাশ ফেরত চাইলে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ওই ব্যক্তিকেও ক্যাম্পে আটক করে রাখা হয় বলে জানা যায়। ঘটনাটি নিয়ে সে সময় বান্দরবানে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছিল। (সূত্র: পিসিপির মুখপত্র ‘কেওক্রাডং’)। ৩২ বছরেও হয়নি তদন্ত লাল রিজাব বম নিহত হওয়ার ৩২ বছর পার হলেও এ হত্যাকাণ্ডের কোনো কার্যকর তদন্ত হয়নি এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সেনা সদস্যদেরও বিচারের আওতায় আনা হয়নি। লাল রিজার্ভ বম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় বর্তমান সময়ে এসেও তারই ধারাবাহিকতায় বান্দরবানে বম জাতিসত্তার ওপর দমন-পীড়ন উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে বলে মন্তব্য করেছে পূর্ণস্বায়শাসনের দাবিতে আন্দোলনরত বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)। এদিকে, শহীদ লাল রিজাব বমের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর পরিবার, স্বজন ও সহযোদ্ধারা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং ঘটনায় জড়িত সেনা সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
৯৯
আজ ২৬ আগস্ট শহীদ লাল রিজাব বমের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৪ সালের এই দিনে বান্দরবানের রুমা থানাধীন কচ্ছপতলী সেনাক্যাম্পের নিকটে টহলরত সেনাসদস্যদের গুলিতে তিনি নিহত হন। সে সময় তাঁর বয়স ছিল ২৫ বছর।
লাল রিজাব বম বান্দরবান জেলার রুমা থানাধীন হেব্রন পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সক্রিয় সমর্থক ছিলেন বলে জানা যায়।
যেভাবে নিহত হন লাল রিজাব বম
১৯৯৪ সালের ২৬ আগস্ট লাল রিজাব বম ও তাঁর এক সঙ্গীসহ আত্মীয়ের মৃত্যুসংবাদ নিয়ে অন্য একটি গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে কচ্ছপতলী সেনাক্যাম্পের নিকটে টহলরত সেনাসদস্যরা তাঁদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকেন।
এক পর্যায়ে তাঁরা সেখান থেকে চলে যেতে চাইলে টহলরত সেনা সদস্যরা কোনো ধরনের হুঁশিয়ারি ছাড়াই গুলি চালান। এতে লাল রিজাব বম নিহত হন। পরে তাঁর মরদেহ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় ।
এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তি পাশের জঙ্গলে লুকিয়ে প্রাণে বেঁচে যান। পরদিন গ্রামবাসীরা ঘটনাটি জানতে পেরে ক্যাম্পে গিয়ে লাশ ফেরত চাইলে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ওই ব্যক্তিকেও ক্যাম্পে আটক করে রাখা হয় বলে জানা যায়।
ঘটনাটি নিয়ে সে সময় বান্দরবানে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছিল। (সূত্র: পিসিপির মুখপত্র ‘কেওক্রাডং’)।
৩২ বছরেও হয়নি তদন্ত
লাল রিজাব বম নিহত হওয়ার ৩২ বছর পার হলেও এ হত্যাকাণ্ডের কোনো কার্যকর তদন্ত হয়নি এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সেনা সদস্যদেরও বিচারের আওতায় আনা হয়নি।
লাল রিজার্ভ বম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় বর্তমান সময়ে এসেও তারই ধারাবাহিকতায় বান্দরবানে বম জাতিসত্তার ওপর দমন-পীড়ন উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে বলে মন্তব্য করেছে পূর্ণস্বায়শাসনের দাবিতে আন্দোলনরত বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)।
এদিকে, শহীদ লাল রিজাব বমের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর পরিবার, স্বজন ও সহযোদ্ধারা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং ঘটনায় জড়িত সেনা সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।