ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৪ জুন ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আগ্রাসনের শিকার নিরীহ শিশুদের আন্তর্জাতিক দিবসে’ দীঘিনালায় শিশু র‌্যালি

স্টাফ রিপোর্টার
জুন ৪, ২০২৬ ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

৬১

‘আগ্রাসনের শিকার নিরীহ শিশুদের আন্তর্জাতিক দিবসে’ খুনী-ধর্ষক নরপশুদের ফাঁসি ও নারী শিশুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবিতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিশু র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন ২০২৬) সকালে ‘অগ্রণী শিশু-কিশোর কেন্দ্র (এসিসি)’-এর উদ্যোগে এ র‌্যালির আয়োজন করা হয়।

দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান থেকে ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে একটি র‌্যালি বের করা হয়। উপজেলার ‘বাঘাইছড়ি দুওর’ এলাকার সুপারিবাগান এলাকা থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে আনন্দ বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোররা “আমরা ভয়-ভীতিহীন পরিবেশ চাই;  স্কুলভবন সেনা ছাউনি বানানো চলবে না; উদ্যত রাইফেল-বেয়নেট সরিয়ে নাও, আমাদের খেলতে দাও; প্রলোভনে শিশুদের ধর্মান্তর বন্ধ করতে হবে; সেনা কর্তৃক দুর্বৃত্ত, ধর্ষক ও খুনীদের প্রশ্রয়দান বন্ধ কর; End the conflict, save the children; Stop the silence, speak up for the children” ইত্যাদি শ্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

র‌্যালি পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অগ্রণী শিশু কিশোর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য প্রদান করেন শিক্ষার্থী অর্জন চাকমা।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে নারী-শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ছাত্রসমাজকে গভীরভাবে উদ্ধিগ্ন করে তুলছে। প্রতিনিয়ত ধর্ষণের মতো নৃশংস ঘটনা ঘটার পরও রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনা নীতির কারণে নিপীড়নের মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের সংবিধানের ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড থাকলেও কার্যকর না হওয়ায় দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা হত্যাকান্ড সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে অর্জন চাকমা আরো বলেন, ধর্ষণের পর চিহ্নিত ধর্ষকদের গ্রেফতার করা হলেও অনেক সময় ধর্ষকদের রক্ষা করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করতে দেখা যায়। বান্দরবানের থানচিতে ৫ বছরের ত্রিপুরা শিশু ধর্ষণের পরে ধর্ষণকারীর শাস্তির দাবি জানাতে গিয়ে বিজিবির বন্ধুকের নলের সামনে পড়তে হয়েছিল। এখন প্রশ্ন জাগে দেশের আইন কোথায় গিয়ে ঠেকেছে? সমতলে ন্যূনতম আইনের শাসন থাকলেও পাহাড়ে আইনের ছিঁটেফোটাও নেই। এ থেকে বোঝা যায় রাষ্ট্র পাহাড়ে ধর্ষণকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দ্বিমুখী নীতি জারি রেখেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্ষণের ষড়যন্ত্র আড়াল করতে সেনাবাহিনী মেডিক্যাল রিপোর্টের ওপর গোপন নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে। সেনাবাহিনীর এহেন অন্যায় পক্ষাবলম্বনকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মদদ দেয়ার কারণে খুন-গুম-ধর্ষণ হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

অর্জন চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্মান্তরকরণ বিষয়ে বলেন, ধর্মীয়, সংস্কৃতি ও জাতিগত আগ্রাসনের ফলে বান্দরবানে ম্রো ও ত্রিপুরা শিশুদের শিক্ষার নামে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে। এতে সকল জাতিসত্তার ভাষা-সংস্কৃতির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

তিনি নিজেদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য সংগ্রাম জারি রাখার আহ্বান জআন।

সমাবেশে থেকে ‘সারাদেশে নারী শিশু ধর্ষন-হত্যা বন্ধ করা, রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার সাথে জড়িত সোহেল রানা ও থানচিতে ৫ বছরের ত্রিপুরা শিশু ধর্ষণকারী বিজয় বড়ুয়াকে ফাসি দেওয়া, সারাদেশে ধর্ষণের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা, শিশু-নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্ষণের মেডিক্যাল রিপোর্টের ওপর সেনাবাহিনীর গোপন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং পাহাড়ে নারী নেত্রী কল্পনা চাকমার চিহ্নিত অপহরণকারী লে. ফেরদৌস গংদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৮২ সালে লেবানন যুদ্ধে সন্ত্রাস ও আগ্রাসনের কারণে শারীরিক, মানবিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের স্মরণে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ঘোষণা অনুযায়ী ৪ জুন ‘আগ্ৰাসনের শিকার নিরীহ শিশুদের আন্তর্জাতিক দিবস’ হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।