রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় আগামী ৭ জুন (রোববার)। মামলায় রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেন বিচারক।
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী ৭ জুন (রোববার)। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই দিন ধার্য করেন।
আদালত মামলায় রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন। শুনানিতে হাজির করা হয় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে।
এরআগে গতকাল বুধবার আদালতে ঘটনায় দায় স্বীকার করেন আসামি সোহেল রানা। আর নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অব্যাহতি চান তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মপক্ষ সমর্থনে আলাদা বক্তব্য দেন দুই আসামি।
পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে বুধবার সকালে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয় দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে।
এসময়, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং ১৬ সাক্ষীর বক্তব্য পড়ে শোনান বিচারক। এসময় আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো সোহেল রানা নিশ্চুপ দাড়িয়ে থাকলেও অঝোরে কাঁদতে থাকেন স্বপ্না।
প্রথমে সোহেল রানা নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং সহযোগী হিসেবে ডলার নামে একজনের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন। আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি শেষে এই হত্যা মামলায় বৃহস্পতিবার দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করেন আদালত।
গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেদিন পুলিশ ওই ফ্ল্যাট থেকে স্বপ্না খাতুনকে আটক করে। পরে ওইদিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে আটক করা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এ ঘটনায় হওয়া মামলায় ২০ মে সোহেল রানা আদালতে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।


