• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মহালছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যের বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার বিচার ও ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার প্রতিবাদ জানালেন ২১ হেডম্যান, কার্বারী ও জনপ্রতিনিধি চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পথে লাদেন চাকমাকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে মারধরের অভিযোগ সাজেকবাসীর পাঁচ দফা দাবিকে সমর্থন পাঁচ সংগঠনের মাচলঙে বাড়ি তল্লাশির অভিযোগ, আটকের চেষ্টা এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে কুমারী পাড়ায় ৬ গ্রামবাসীর বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি, হয়রানির অভিযোগ রাঙামাটি-খাগড়াছড়িতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের অবরোধ পালিত সাজেকবাসীর ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির পক্ষে বঙ্গলতলিতে মশাল মিছিল

বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ উপলক্ষে সাজেকে র‌্যালি ও সমাবেশ

স্টাফ রিপোর্টার / ২৩ Time View
Update : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬

২৬৪

রাঙামাটির সাজেকে র‌্যালি ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৫ জুন ২০২৬) সকাল ৯টায় সাজেকের উজোবাজারে ‘প্রাকৃতিক বিপর্যয় রোধে সচেতন ছাত্র যুব সমাজ’ এর ব্যানারে এই র‌্যালি ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

‍‘Let us save our environment’-এই শ্লোগানে এবং ‘যত্রতত্র প্লাস্টিক-পলিথিন ফেলে বিপর্যয় ডেকে আনবেন না, নির্মল সবুজ পৃথিবী গড়ার লক্ষে এগিয়ে আসুন’ আহ্বানে র‌্যালি সহকারে উজোবাজার প্রদক্ষিণ করার পর সমাবেশ করা হয়।

র‌্যালি পরবর্তী সমাবেশে নতুন জয় চাকমার সভাপতিত্বে ও বিজয় কান্তি চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব বাবুধন চাকমা, সাজেক ইউপি সদস্য সুমিতা চাকমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নেতা সুজয় চাকমা।

বক্তারা বলেন, পৃথিবীর মানবজাতিসহ প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালে ১১ দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর ১৯৭৪ সাল হতে ৫ জুনকে দিবসটি পালন করা হয়ে আসছে।

তারা বলেন, গোটা বিশ্ব আজ পরিবেশ দূষণে কবলিত। মানবসৃষ্ট নানা পরিবেশ দূষণের ফলে মানুষ ও প্রাণ-প্রকৃতির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। তাই আমাদের পরিবেশ সুরক্ষায় আরো বেশি সচেতন হতে হবে। যত্রতত্র প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ যেমন বাড়ছে, মাটির উর্বরতাও কমে যাচ্ছে। তাই যত্রতত্র প্লাস্টিক-পলিথিন ফেলা বন্ধ করতে হবে। নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলে সেগুলো ধ্বংস করতে হবে।

বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশ ধ্বংসের কথা উল্লেখ করে বলেন, অতীতে পার্বত্য চট্টগ্রামে ঘন বন-জঙ্গলে আচ্ছাদিত ছিল। বন্যপ্রাণীতে ভরপুর চিল পার্বত্য চট্ট্রগাম। কিন্তু কালক্রমে বনজঙ্গল উজাড় হয়ে অনেক বন্যপ্রাণীর বিলুপ্তি ঘটেছে। সাজেকসহ পাহাড়ে কিছু অসাধু মুনালোভী ব্যবসায়ী বৃক্ষ নিধন করে চলেছে। পাহাড় ও বন-জঙ্গল কেটে সড়ক নির্মাণ, পাথর উত্তোলন ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে দিন দিন পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। ফলে পাহাড়ে ছড়া-ঝিরি শুকিয়ে গিয়ে পানির সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে।

বক্তারা আরো বলেন, সুস্থ ও সুন্দর জীবন-যাপনের জন্য আমাদের পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। বাজার, দোকান, ঘর-বাড়িতে ডাস্টবিন ব্যবহার করে পঁচনশীল বর্জ্য মাটিতে পুঁতে দিয়ে প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জ্য পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

বক্তারা সাজেকসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় কথিত উন্নয়ন-পর্যটনের নামে পাহাড়, বন ধ্বংস বন্ধ করার দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd