লংগদুতে জেএসএস সন্তু গ্রুপের ওপর গণপ্রতিরোধ বাহিনীর হামলা, নিহতের আশঙ্কা ৪–৫ জন
স্টাফ রিপোর্টার
/ ১৭১৮
Time View
Update :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
Share
লংগদুতে জেএসএস সন্তু গ্রুপের ওপর গণপ্রতিরোধ বাহিনীর হামলা, নিহতের আশঙ্কা ৪–৫ জন
রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার কাট্টলি আম বাগান এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-সন্তু গ্রুপ)-এর সশস্ত্র ঘাঁটিতে তীব্র কমান্ডো হামলা চালিয়েছে ‘গণপ্রতিরোধ বাহিনী’। গতকাল রবিবার (১৮ অক্টোবর, ২০২৬)সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে। সংঘর্ষে জেএসএস সন্তু গ্রুপের ৪ থেকে ৫ জন সদস্য নিহত হতে পারে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮-৯ অক্টোবর থেকে সেনাসদস্যদের একটি দল ও জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসী যৌথভাবে লংগদু উপজেলার দুর্গম কাট্টলি এলাকায় ব্রাশ ফায়ার করে করে প্রবেশ করে অবস্থান নেয়। সেখানে তারা ফিল্ড বাঙ্কার নির্মাণ করে সশস্ত্র ঘাঁটি স্থাপন করে। অবস্থান নেওয়ার পর থেকেই জেএসএস সন্ত্রাসীরা স্থানীয় গ্রামবাসীদের জিম্মি করে জোরপূর্বক চাঁদা আদায়, সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোন ছিনতাইসহ ব্যাপক তাণ্ডব ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। জেএসএস সন্ত্রাসীদের এসব অপকর্ম ও শোষণের জবাবে আজ সকালে গণপ্রতিরোধ বাহিনীর একটি সুসংগঠিত সশস্ত্র দল কাট্টলি আম বাগান এলাকায় অতর্কিত ও শক্তিশালী 'কমান্ডো স্টাইল' হামলা চালায়। কমান্ডারের প্রত্যক্ষ পরিচালনায় সংঘটিত এই ঝটিকা আক্রমণে শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যূহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। গণপ্রতিরোধ বাহিনীর এই তীব্র প্রতিরোধের মুখে জেএসএস সন্তু গ্রুপের বাঙ্কারে অবস্থানরত সশস্ত্র সদস্যরা চরম বিপর্যয় ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। মাত্র ৩০ মিনিটের তীব্র সংঘর্ষে সন্তু গ্রুপের ক্যাডাররা প্রায় ৩ হাজার রাউন্ড গুলি ও গোলাবারুদ খরচ করে অন্ধের মতো পাল্টা হামলা চালায়। তবে গণপ্রতিরোধ বাহিনীর নিখুঁত রণকৌশলের সামনে তাদের এই বিপুল গোলাবারুদ প্রয়োগ ব্যর্থ হয়। হামলা পরবর্তী স্হায়ী সূত্রে জানা যায়, গণপ্রতিরোধ বাহিনীর নিখুঁত নিশানায় ঘটনাস্থলেই সন্তু গ্রুপের ৪-৫ জন সশস্ত্র ক্যাডার নিহত হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এই ঘটনার পর থেকে কাট্টলি আম বাগান ও তৎসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
গতকাল রবিবার (১৮ অক্টোবর, ২০২৬)সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে। সংঘর্ষে জেএসএস সন্তু গ্রুপের ৪ থেকে ৫ জন সদস্য নিহত হতে পারে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮-৯ অক্টোবর থেকে সেনাসদস্যদের একটি দল ও জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসী যৌথভাবে লংগদু উপজেলার দুর্গম কাট্টলি এলাকায় ব্রাশ ফায়ার করে করে প্রবেশ করে অবস্থান নেয়। সেখানে তারা ফিল্ড বাঙ্কার নির্মাণ করে সশস্ত্র ঘাঁটি স্থাপন করে। অবস্থান নেওয়ার পর থেকেই জেএসএস সন্ত্রাসীরা স্থানীয় গ্রামবাসীদের জিম্মি করে জোরপূর্বক চাঁদা আদায়, সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোন ছিনতাইসহ ব্যাপক তাণ্ডব ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল।
জেএসএস সন্ত্রাসীদের এসব অপকর্ম ও শোষণের জবাবে আজ সকালে গণপ্রতিরোধ বাহিনীর একটি সুসংগঠিত সশস্ত্র দল কাট্টলি আম বাগান এলাকায় অতর্কিত ও শক্তিশালী ‘কমান্ডো স্টাইল’ হামলা চালায়।
কমান্ডারের প্রত্যক্ষ পরিচালনায় সংঘটিত এই ঝটিকা আক্রমণে শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যূহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। গণপ্রতিরোধ বাহিনীর এই তীব্র প্রতিরোধের মুখে জেএসএস সন্তু গ্রুপের বাঙ্কারে অবস্থানরত সশস্ত্র সদস্যরা চরম বিপর্যয় ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে।
মাত্র ৩০ মিনিটের তীব্র সংঘর্ষে সন্তু গ্রুপের ক্যাডাররা প্রায় ৩ হাজার রাউন্ড গুলি ও গোলাবারুদ খরচ করে অন্ধের মতো পাল্টা হামলা চালায়। তবে গণপ্রতিরোধ বাহিনীর নিখুঁত রণকৌশলের সামনে তাদের এই বিপুল গোলাবারুদ প্রয়োগ ব্যর্থ হয়।
হামলা পরবর্তী স্হায়ী সূত্রে জানা যায়, গণপ্রতিরোধ বাহিনীর নিখুঁত নিশানায় ঘটনাস্থলেই সন্তু গ্রুপের ৪-৫ জন সশস্ত্র ক্যাডার নিহত হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে কাট্টলি আম বাগান ও তৎসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।