• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মহালছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যের বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার বিচার ও ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার প্রতিবাদ জানালেন ২১ হেডম্যান, কার্বারী ও জনপ্রতিনিধি চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পথে লাদেন চাকমাকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে মারধরের অভিযোগ সাজেকবাসীর পাঁচ দফা দাবিকে সমর্থন পাঁচ সংগঠনের মাচলঙে বাড়ি তল্লাশির অভিযোগ, আটকের চেষ্টা এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে কুমারী পাড়ায় ৬ গ্রামবাসীর বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি, হয়রানির অভিযোগ রাঙামাটি-খাগড়াছড়িতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের অবরোধ পালিত সাজেকবাসীর ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির পক্ষে বঙ্গলতলিতে মশাল মিছিল

হাসিনা ও ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন হুম্মাম কাদের ও হাসিনুর

স্টাফ রিপোর্টার / ৩১ Time View
Update : সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

২৯০

‎হাসিনা ও ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন হুম্মাম কাদের ও হাসিনুর

আওয়ামী শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক-বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিচার আজ শুরু হবে।

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের পর প্রথম দিনে আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান।

প্যানেলের বাকি দুই সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়। ওই দিন ট্রাইব্যুনালের এই আদেশের পর প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গুমের বিচার শুরু হতে যাচ্ছে। পাঁচটি চার্জ গঠন করে আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

তিনি আরও বলেন, জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারটি আয়নাঘরে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ২৬ জন গুম করে রাখা হয়েছিল। তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। এসবের ভিত্তিতেই শেখ হাসিনা ও সেনা কর্মকর্তাসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে এই চার্জ গঠন করে আদালত। আমরা প্রসিকিউশনের পক্ষে ৪০ জনেরও বেশি সাক্ষীর নাম জমা দিয়েছি।

‎এ মামলায় তিনজন আসামি গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন— ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। এ ছাড়া পলাতক ১০ আসামির পাঁচজনই ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিভিন্ন মেয়াদে। এর মধ্যে রয়েছেন— লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।

‎বাকিরা হলেন— শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।

গত ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। শুনানিতে জেআইসি সেলে সরকারবিরোধী ঘরানার লোকদের কীভাবে তুলে নিয়ে গম রেখে নির্যাতন করা হতো, সেসব ভয়াবহ বর্ণনা দেন তিনি। একই সঙ্গে ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর থেকে ২০২৪-এর ৫ আগস্ট পর্যন্ত গুম হওয়া ২৬ জনের বীভৎসতা সামনে আনেন।

শুনানি শেষে ১৩ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটরে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd