মাটিরাঙ্গায় সেনা-বিজিবি ও পিসিজেএসএস (সন্তু) সশস্ত্র গ্রুপের -এর গুলিবিনিময়ের ঘটনা নিয়ে তোলপাড়
স্টাফ রিপোর্টার
/ ১১
Time View
Update :
সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
Share
মাটিরাঙ্গায় সেনা-বিজিবি ও পিসিজেএসএস (সন্তু) সশস্ত্র গ্রুপের -এর গুলিবিনিময়ের ঘটনা নিয়ে তোলপাড়
মাটিরাঙ্গায় সেনা-বিজিবি ও পিসিজেএসএস (সন্তু) সশস্ত্র গ্রুপের -এর গুলিবিনিময়ের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার তাইন্দং এলাকায় সেন-বিজিবি যৌথ সদস্যদের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস–সন্তু গ্রুপ)-এর সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে গুলিবিনিময়ের একটি ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আজ সোমবার (১৬ মার্চ ২০২৬) সকালে ভগবাটিলা-বান্দারসিং পাড়া ও পানিপয়েন্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সকাল প্রায় ১০টার দিকে সেনা-বিজিবি সদস্যরা তাইন্দং এলাকার বান্দারসিং পাড়া ও পানিপয়েন্ট এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সেনা-বিজিবি সদস্যরা আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে বলে জানা যায়। এ সময় পিসিজেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র সদস্যরাও প্রায় সমসংখ্যক গুলি ছুড়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং পিসিজেএসএস (সন্তু)-এর মধ্যে সহযোগিতা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। স্থানীয় কিছু সূত্রের দাবি, এই সমালোচনার প্রেক্ষাপটেই ঘটনাটি ঘটেছে। তাদের মতে, পিসিজেএসএস (সন্তু)-এর বিরুদ্ধে সক্রিয় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে—এমন মিথ্যা ধারণা সৃষ্টি করার জন্য গুলিবিনিময়ের ঘটনাটি সাজানো হয়ে থাকতে পারে। এলাকাবাসীরা আরও জানান, পানছড়ি ও মাটিরাঙ্গা অঞ্চলে অতীতে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে সাধারণত এ ধরনের গুলিবিনিময়ের ঘটনা দেখা যায়নি। ফলে এই ঘটনায় গুলিবর্ষণের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, জেএসএস (সন্তু) গ্রুপকে গুলি সরবরাহের অভিযোগটি ধামাচাপা দিতেই আজকের এই নাটকটি সাজানো হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ঘটনার পর অনেকের মধ্যে ধারণা আরও জোরদার হয়েছে যে নিরাপত্তা বাহিনী পিসিজেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র সদস্যদের বিরুদ্ধে সাজানো অভিযান চালানোর একটি চিত্র তুলে ধরতে এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। একই সঙ্গে অনেকে মনে করেন, এই ধরনের নাটকীয় ঘটনার মাধ্যমে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র সদস্যরা এলাকায় নিজেদের উপস্থিতি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। বস্তুত এখনো মাটিরাঙ্গা ভগবানটিলাতে ৫০-৬০ জেএসএস সন্তু সশস্ত্র সদস্যরা অবস্থান করছে।
১৮০
মাটিরাঙ্গায় সেনা-বিজিবি ও পিসিজেএসএস (সন্তু) সশস্ত্র গ্রুপের -এর গুলিবিনিময়ের ঘটনা নিয়ে তোলপাড়
খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার তাইন্দং এলাকায় সেন-বিজিবি যৌথ সদস্যদের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস–সন্তু গ্রুপ)-এর সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে গুলিবিনিময়ের একটি ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
আজ সোমবার (১৬ মার্চ ২০২৬) সকালে ভগবাটিলা-বান্দারসিং পাড়া ও পানিপয়েন্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সকাল প্রায় ১০টার দিকে সেনা-বিজিবি সদস্যরা তাইন্দং এলাকার বান্দারসিং পাড়া ও পানিপয়েন্ট এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সেনা-বিজিবি সদস্যরা আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে বলে জানা যায়। এ সময় পিসিজেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র সদস্যরাও প্রায় সমসংখ্যক গুলি ছুড়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং পিসিজেএসএস (সন্তু)-এর মধ্যে সহযোগিতা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। স্থানীয় কিছু সূত্রের দাবি, এই সমালোচনার প্রেক্ষাপটেই ঘটনাটি ঘটেছে। তাদের মতে, পিসিজেএসএস (সন্তু)-এর বিরুদ্ধে সক্রিয় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে—এমন মিথ্যা ধারণা সৃষ্টি করার জন্য গুলিবিনিময়ের ঘটনাটি সাজানো হয়ে থাকতে পারে।
এলাকাবাসীরা আরও জানান, পানছড়ি ও মাটিরাঙ্গা অঞ্চলে অতীতে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে সাধারণত এ ধরনের গুলিবিনিময়ের ঘটনা দেখা যায়নি। ফলে এই ঘটনায় গুলিবর্ষণের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, জেএসএস (সন্তু) গ্রুপকে গুলি সরবরাহের অভিযোগটি ধামাচাপা দিতেই আজকের এই নাটকটি সাজানো হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ঘটনার পর অনেকের মধ্যে ধারণা আরও জোরদার হয়েছে যে নিরাপত্তা বাহিনী পিসিজেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র সদস্যদের বিরুদ্ধে সাজানো অভিযান চালানোর একটি চিত্র তুলে ধরতে এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। একই সঙ্গে অনেকে মনে করেন, এই ধরনের নাটকীয় ঘটনার মাধ্যমে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র সদস্যরা এলাকায় নিজেদের উপস্থিতি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।
বস্তুত এখনো মাটিরাঙ্গা ভগবানটিলাতে ৫০-৬০ জেএসএস সন্তু সশস্ত্র সদস্যরা অবস্থান করছে।