অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৮৫ শতাংশ দগ্ধ তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী, চিকিৎসায় অর্থ সংকট খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলায় রান্নার কাজে সহযোগিতা করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নিশোনা চাকমা। তার শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে। নিশোনা চাকমা লক্ষীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়ি ইউনিয়নের একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার পর তাকে প্রথমে লক্ষীছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেওয়া হয় এবং পরে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। তবে আর্থিক সংকটের কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না হওয়ায় তাকে পুনরায় লক্ষীছড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। চিকিৎসকরা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় বা চট্টগ্রামে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অন্যথায় তার জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে শিশুটির পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব না হওয়ায় সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানানো হয়েছে। 📌 সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: বিকাশ: 01836661333 নগদ: 01873804544 ব্যাংক: 5414801009847 নাম: MD RUHUL AMIN
খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলায় রান্নার কাজে সহযোগিতা করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নিশোনা চাকমা। তার শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
নিশোনা চাকমা লক্ষীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়ি ইউনিয়নের একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার পর তাকে প্রথমে লক্ষীছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেওয়া হয় এবং পরে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। তবে আর্থিক সংকটের কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না হওয়ায় তাকে পুনরায় লক্ষীছড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। চিকিৎসকরা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় বা চট্টগ্রামে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অন্যথায় তার জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে শিশুটির পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব না হওয়ায় সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানানো হয়েছে।