• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সাজেকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট ও তিন গ্রামবাসীকে মারধরের অভিযোগ সাজেকে আজকে অবরোধ শিথিল, সেখানে আরো যা যা ঘটছে পার্বত্য চট্টগ্রামে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি পিসিপি’র ডিওয়াইএফের ৭ম কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সম্পন্ন, ১৫ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন মহালছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যের বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার বিচার ও ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার প্রতিবাদ জানালেন ২১ হেডম্যান, কার্বারী ও জনপ্রতিনিধি চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পথে লাদেন চাকমাকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে মারধরের অভিযোগ সাজেকবাসীর পাঁচ দফা দাবিকে সমর্থন পাঁচ সংগঠনের মাচলঙে বাড়ি তল্লাশির অভিযোগ, আটকের চেষ্টা এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে

মিজোরামের তিন ব্যক্তির ওপর সন্তু গ্রুপের শারীরিক নির্যাতন

অনলাইন ডেস্ক / ৪৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

৩৯৪

মিজোরামের তিন ব্যক্তির ওপর সন্তু গ্রুপের শারীরিক নির্যাতন

জেএসএস সন্তু গ্রুপ ভারতের মিজোরাম রাজ্যের তিন চাকমা বাসিন্দার ওপর অকথ্য শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এতে রাজ্যের চাকমা অধ্যুষিত অঞ্চলে এবং বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেগা পাড়ের গ্রামগুলোতে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, গত ২৪ এপ্রিল ২০২৬ মিজোরামে চাকমা অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলের আওতাধীন লংতলাই জেলার জারুলদুবোছড়া গ্রামের বাসিন্দা ধন মুনি চাকমা (পিতার নাম লক্ষ্মী কুমার চাকমা), শান্তি জীবন চাকমা (পিতার নাম কনক বরণ চাকমা) ও নাগর কান্তি চাকমা (পিতার নাম ওইলক চাকমা) বাংলাদেশের ভেতরে (রাঙামাটির বরকলের ঠেগা সীমান্ত এলাকায়) বন্য তরিতরকারী সংগ্রহ করছিলেন।

কিন্তু ঠেগা অঞ্চলে কর্মরত জেএসএস সন্তু গ্রুপের সদস্যরা বিনা কারণে তাদেরকে আটক করে এবং একদিন পর্যন্ত “হাকবান” দিয়ে বেঁধে রাখে। পরদিন অর্থাৎ ২৫ এপ্রিল তাদের ওপর ভয়ানক শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হলে তারা চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন।

ভারত ও বাংলাদেশের উভয় পাড়ের অধিবাসীরা প্রায় সময় একে অপরের এলাকায় বন থেকে তরকারী ও ছড়া থেকে মাছ-চিংড়ি সংগ্রহ করে থাকেন। কিন্তু কী কারণে তাদের ওপর অত্যাচার চালানো হয় তা সন্তু গ্রুপের ব্যাখ্যা দেয়নি।

সোস্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে এখন ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। বাঁশের লাঠি ও বন্দুকের বাট দিয়ে তাদেরকে আঘাত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আঘাতের চিহ্নসহ ভিকটিমদের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। প্রিয় লাল চাকমা নামে এক ব্যক্তি জেএসএস সদস্যদের বিরুদ্ধে “বেআক্কল্যা গরি” মারধর করার অভিযোগ করেছেন।

ঘটনার পর মিজোরামে জেএসএস সন্তু গ্রুপের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। জেএসএস সন্তু গ্রুপ যে একটি গণবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল দল তা ওই অঞ্চলে সবার কাছে স্পষ্ট হয়েছে। এখন এই ক্ষোভ কোন দিকে মোড় নেয় তাই দেখার বিষয়।

উল্লেখ্য, গত বছর লুল্যা চাকমা নামে এক ভারতীয় চাকমা যুবককে জেএসএস সন্তু গ্রুপের লোকজন সাজেকের উদয়পুর নামক স্থানে পিটিয়ে হত্যা করেছিল।

সন্তু গ্রুপের হাতে অমানুষিক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন মিজোরামের তিন চাকমা বাসিন্দা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd