• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মহালছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যের বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার বিচার ও ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার প্রতিবাদ জানালেন ২১ হেডম্যান, কার্বারী ও জনপ্রতিনিধি চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পথে লাদেন চাকমাকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে মারধরের অভিযোগ সাজেকবাসীর পাঁচ দফা দাবিকে সমর্থন পাঁচ সংগঠনের মাচলঙে বাড়ি তল্লাশির অভিযোগ, আটকের চেষ্টা এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে কুমারী পাড়ায় ৬ গ্রামবাসীর বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি, হয়রানির অভিযোগ রাঙামাটি-খাগড়াছড়িতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের অবরোধ পালিত সাজেকবাসীর ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির পক্ষে বঙ্গলতলিতে মশাল মিছিল

একটি সংস্থার প্রেসক্রিপশনে দুই টুয়েন্টি ফোরে মিথ্যাচার?

অনলাইন ডেস্ক / ৩৭ Time View
Update : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

৩০৬

লেখা : অমল ত্রিপুরা, সদস্য,ইউপিডিএফ 

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে দেশের বেসরকারি দুটি টেলিভিশন চ্যানেল—টুয়েন্টিফোর ও নিউজ টুয়েন্টিফোরে—প্রচারিত প্রতিবেদন দেখলাম। শুরুটা যেমন ভালো ছিল, শেষটাও তেমনই চমকপ্রদ।
‎
‎তবে আরো বেশি চমৎকার নিউজ টুয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনটি। প্রতিবেদক মাসুদা লাবনী ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমার সঙ্গে কথা বলেছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত সন্দেহজনক মনে হয়েছে। যাঁকে অংগ্য মারমা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাঁর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে অংগ্য মারমার পরিচিত কণ্ঠের কোনো মিল আমি খুঁজে পাইনি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাস্তবে অংগ্য মারমা ওই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেননি।
‎
‎কোনো একটি সংস্থার নির্দেশনায় ঢাকা থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের ভাড়া করে নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগ নতুন নয়। অতীতে অনেক প্রতিবেদন আমরা লক্ষ্য করেছি। রাষ্ট্রযন্ত্র পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল রাখার জন্য পরিকল্পিতভাবে এমনটাই করে।
‎
‎কিন্তু আমাদের প্রশ্ন—গণমাধ্যম কি কোনো রাষ্ট্রীয় সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী সংবাদ তৈরি করবে? সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, তথ্যের সত্যতা এবং পেশাগত নৈতিকতার জায়গাটি তাহলে কোথায়?
‎
‎পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশ ও আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে পাহাড়ের মানুষের ওপর দীর্ঘদিনের নিপীড়ন, বৈষম্য ও অধিকারহীনতার বাস্তবতাকে আড়াল করে একপাক্ষিক বয়ান প্রতিষ্ঠা করা কোনোভাবেই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা হতে পারে না।
‎
‎তাই দেশের মূলধারার গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান—পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল, নিরপেক্ষ ও তথ্যনির্ভর হোন। কোনো পক্ষের নির্দেশনা বা প্রভাবের কাছে নত না হয়ে সত্য অনুসন্ধান করুন। যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার করে পাহাড়ের মানুষ কিংবা পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা থেকে বিরত থাকুন।
‎
‎সাংবাদিকতার কাজ কোনো পক্ষের বয়ান প্রতিষ্ঠা করা নয়—সত্য অনুসন্ধান করে তা মানুষের সামনে তুলে ধরা।
‎


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd