• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মহালছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যের বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার বিচার ও ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার প্রতিবাদ জানালেন ২১ হেডম্যান, কার্বারী ও জনপ্রতিনিধি চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পথে লাদেন চাকমাকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে মারধরের অভিযোগ সাজেকবাসীর পাঁচ দফা দাবিকে সমর্থন পাঁচ সংগঠনের মাচলঙে বাড়ি তল্লাশির অভিযোগ, আটকের চেষ্টা এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে কুমারী পাড়ায় ৬ গ্রামবাসীর বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি, হয়রানির অভিযোগ রাঙামাটি-খাগড়াছড়িতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের অবরোধ পালিত সাজেকবাসীর ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির পক্ষে বঙ্গলতলিতে মশাল মিছিল

ইরানকে দূর্বল ভেবে ভুল করেছেন ট্রাম্প, তীব্র চাপে মার্কিন প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক / ১০ Time View
Update : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

১৫৩

‎ইরানকে দূর্বল ভেবে ভুল করেছেন ট্রাম্প, তীব্র চাপে মার্কিন প্রশাসন
‎
‎মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতি এবং সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপগুলো নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের ওপর হামলা এবং দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে চালানো অভিযানের পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হিসাব-নিকাশে বড় ধরনের গরমিল দেখা দিয়েছে।
‎
‎প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের সাথে যৌথভাবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করার সময় ট্রাম্প প্রশাসন আশা করেছিল যে, তীব্র আক্রমণের মুখে ইরান দ্রুত আত্মসমর্পণ করবে। কিন্তু যুদ্ধের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে দেখা যাচ্ছে, ইরান কেবল পাল্টা হামলা জোরদারই করেনি, বরং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়ে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
‎
‎১. দ্রুত আত্মসমর্পণের আশা: ট্রাম্প মনে করেছিলেন কয়েক দিনের ভারী বিমান হামলায় ইরানের সামরিক কাঠামো ও মনোবল ভেঙে পড়বে। তবে ইরান এখন ‘বিনা শর্তে আত্মসমর্পণ’-এর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে।
‎
‎২. নেতৃত্বের উত্তরাধিকার: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর হোয়াইট হাউস ভেবেছিল দেশটিতে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। তবে তার ছেলে মোজতবা খামেনির দ্রুত স্থলাভিষিক্ত হওয়া এবং শাসনব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা ওয়াশিংটনকে অবাক করেছে।
‎
‎৩. তেল ও বিশ্ব অর্থনীতি: হরমুজ প্রণালীতে নৌ-মাইন স্থাপন এবং বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার মাধ্যমে ইরান বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ ব্যাহত করছে। ট্রাম্প এই অর্থনৈতিক পরিণতির কথা হয়তো পুরোপুরি আঁচ করতে পারেননি, যা এখন মার্কিন মিত্র ও পুঁজিবাজারে অস্থিরতা ছড়াচ্ছে।
‎
‎৪. কূটনৈতিক একাকীত্ব: ওমানি মধ্যস্থতাকারীদের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধের ঠিক আগে ইরান পরমাণু ইস্যুতে বড় ধরনের ছাড় দিতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্প সেই সমঝোতা অগ্রাহ্য করে যুদ্ধের পথ বেছে নেন। এখন ডেমোক্র্যাটসহ আন্তর্জাতিক মহল একে ‘অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করছে।
‎
‎হোয়াইট হাউস বর্তমানে একটি দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে রয়েছে। একদিকে ট্রাম্প দাবি করছেন যুদ্ধ ‘প্রায় শেষের পথে’, অন্যদিকে সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের শক্তিশালী নৌ-মাইন ও ড্রোন সক্ষমতা মার্কিন বাহিনীকে একটি অন্তহীন চোরাবালিতে টেনে নিতে পারে।
‎
‎ বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই অনমনীয় অবস্থান ট্রাম্পের ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের কৌশলকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্প কি সত্যি জয়ী হয়ে বের হতে পারবেন, নাকি এটি তার প্রশাসনের জন্য বড় এক কূটনৈতিক ও সামরিক বিপর্যয়ে পরিণত হবে?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd