• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মহালছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যের বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার বিচার ও ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ সাজেকে শান্তিপূর্ণ অবরোধে হামলার প্রতিবাদ জানালেন ২১ হেডম্যান, কার্বারী ও জনপ্রতিনিধি চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পথে লাদেন চাকমাকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে মারধরের অভিযোগ সাজেকবাসীর পাঁচ দফা দাবিকে সমর্থন পাঁচ সংগঠনের মাচলঙে বাড়ি তল্লাশির অভিযোগ, আটকের চেষ্টা এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝর্ণা চাকমাকে কুমারী পাড়ায় ৬ গ্রামবাসীর বাড়িতে সেনাবাহিনীর তল্লাশি, হয়রানির অভিযোগ রাঙামাটি-খাগড়াছড়িতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের অবরোধ পালিত সাজেকবাসীর ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির পক্ষে বঙ্গলতলিতে মশাল মিছিল

মোদির কাছে ‘তেল ভিক্ষা’ চেয়েছেন তারেক রহমান: কটাক্ষ ভারতীয় মিডিয়ার

অনলাইন ডেস্ক / ১১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

১৭৬

‎মোদির কাছে ‘তেল ভিক্ষা’ চেয়েছেন তারেক রহমান: কটাক্ষ ভারতীয় মিডিয়ার
‎
‎বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মুখে বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারত সরকারের কাছে জরুরিভিত্তিতে বাড়তি ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। এই ঘটনাকে ঘিরে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বেশ কূৎসামূলক শিরোনাম ও মন্তব্য দেখা যাচ্ছে, যেখানে বিষয়টিকে ‘তেল ভিক্ষা’ হিসেবে অভিহিত করে কটাক্ষ করা হচ্ছে।
‎
‎জ্বালানি নিরাপত্তার মতো একটি সংবেদনশীল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক বিষয়কে এভাবে ‘তেল ভিক্ষা’ বা ‘হাত পাতা’র মতো অবমাননাকর শব্দে প্রচার করায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ। এটি বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ছোট করে দেখার সামিল বলে অনেকে মনে করছেন।
‎
‎জানা যায়, বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে বিকল্প উৎস খুঁজছে। এটি যেকোনো দেশের জন্য একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ। কিন্তু এটিকে ভারতের ওপর বাংলাদেশ সম্পূর্ণ নির্ভরশীল— এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
‎
‎ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম বাংলাদেশের এই স্বাভাবিক পদক্ষেপকে তাদের বর্তমান সরকারের জন্য একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতি হিসেবে তুলে ধরেছে। বিশেষ করে, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার কেন ভারতের কাছে জরুরিভিত্তিতে ৫০,০০০ মেট্রিক টন অতিরিক্ত ডিজেলের জন্য আবেদন করল, তা নিয়ে অনেক জায়গায় ‘ভিক্ষা চাওয়া’ বা ‘দিল্লির কাছে হাত পাতা’র মতো শব্দ ব্যবহার করে হেয় প্রতিপন্ন করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
‎
‎বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ জ্বালানি তেলের জন্য কোনো একক দেশের ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং নিয়মিত বাণিজ্যিক চুক্তির আওতায় তেল আমদানি করে। ভারতের সঙ্গেও ‘ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’ এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে জ্বালানি লেনদেন হয়। কিন্তু ভারতীয় মিডিয়া বিষয়টিকে একটি রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক লেনদেন হিসেবে না দেখিয়ে যেভাবে ‘ভিক্ষা চাওয়া’র মতো করে উপস্থাপন করছে, তাকে বাংলাদেশীরা ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার’ হিসেবে দেখছে।
‎
‎বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর থেকেই ভারতীয় গণমাধ্যমের একটি অংশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ নিয়ে ‘একতরফা’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ সংবাদ প্রচারের অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করার ঘটনা ঘটেছে, যা নিয়ে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরেছে।
‎
‎উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ‘ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’ এর মাধ্যমে ডিজেল আমদানির দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক চুক্তি রয়েছে। ২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে প্রায় ১.৮ লাখ টন ডিজেল বাংলাদেশে সরবরাহ করার কথা। সম্প্রতি সেই চুক্তির আওতায় ভারত ৫,০০০ টন ডিজেল সরবরাহ শুরু করেছে। বাংলাদেশ সরকার অতিরিক্ত ৫০,০০০ টন ডিজেল সরবরাহের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানালেও, ভারতীয় পক্ষ বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখলেও তা তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং মজুতের ওপর নির্ভর করবে বলে জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd